
ভারতের মতো গ্রীষ্মপ্রধান দেশে বিদ্যুতের বিল দিতে হয় বড় অঙ্কের। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে এসি, ফ্যান ছাড়া থাকা হয় দুষ্কর। ফলে ইলেকট্রিক বিলের ক্ষেত্রেও গুনতে হয় মোটা টাকা। ফলে বিদ্যুতের বিল নিয়ে কম বেশি সকলেই চিন্তিত। তবে, যে পরিবারগুলি কেন্দ্রীয় সরকারের ‘পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনা’-তে যোগ দিয়ে নিজেদের ছাদে সোলার প্যানেল বসিয়ে নিয়েছেন, তাঁদের আর ইলেকট্রিসিটি নিয়ে কোনও ঝামেলা নেই।
এই যোজনার আওতায় ৩০০ ইউনিট বিদ্যুৎ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়। সরকারি তথ্যে দেখা যাচ্ছে, এই বিনামূল্যে বিদ্যুৎ প্রকল্পের গ্রাহকের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষ বাড়ির ছাদে সৌর প্যানেল বসানো হয়েছে।
৪০ লক্ষ সোলার প্যানেল, ৪৮ লক্ষ পরিবার খুশি
PM সূর্য ঘর যোজনা: সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই যোজনা চালু হওয়ার পর থেকে ২০২৬ সালের ২২ জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে মোট ৩৯,৭২,৪৪৭টি আরটিএস সিস্টেম বসানো হয়েছে, যার ফলে ৪৮,০২,৭১৭টি পরিবার উপকৃত হয়েছে।
১৮ লক্ষ মানুষের বিদ্যুৎ বিল 'শূন্য'
পিএম সূর্যঘর যোজনার আওতায় সোলার প্যানেল বসানো মানুষের সংখ্যা প্রায় ৪০ লক্ষে পৌঁছেছে। সারা দেশের ডিসকমগুলির দেওয়া তথ্য অনুসারে, গ্রামীণ পরিবার সহ ১৮.৯৩ লক্ষেরও বেশি সুবিধাভোগী RTS বসিয়ে বিদ্যুৎ বিল একেবারে জিরো হওয়ার কথা জানিয়েছেন।
৩০০ ইউনিট বিনামূল্যে বিদ্যুৎ
এই প্রকল্পে সরকার ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত ইলেকট্রিক বিনামূল্যে সরবরাহ করে। যা গ্রাহকদের প্রায় ২৫ বছরের জন্য বিলের দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেয়। এর কারণ হলো, এই প্রকল্পের আওতায় বসানো সোলার প্যানেলগুলোর আনুমানিক ভাবে প্রায় ২৫ বছর চলে।
কীভাবে আবেদন করবেন?
প্যানেল বসানোর পর, প্ল্যান্টের বিবরণসহ একটি নেট মিটারের জন্য আবেদন করতে হবে। ডিসকম-এর তরফে মিটারটি বসিয়ে ও পরিদর্শনের পর একটি কমিশনিং সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। সার্টিফিকেট পাওয়ার পর পোর্টালের মাধ্যমে আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ডিটেইলস এবং একটি বাতিল চেক জমা দেবেন,এই অ্য়াকাউন্টেই ভর্তুকি দেওয়া হবে।