
রাজ্যে সরকার গড়েই সমস্ত কেন্দ্র সরকারি স্কিম চালুর বার্তা দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর থেকেই জল্পনা ছড়িয়েছিল প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর যোজনা নিয়ে। গত সরকারের আমলে এই যোজনা রাজ্যে খুব বেশি প্রচার পায়নি। তবে সরকার বদলাতেই আলোচনা পেয়েছে এই ফ্রি বিদ্যুৎ স্কিম।
কেন্দ্রের তরফে জোরকদমে এই স্কিমের প্রচার শুরু করা হয়েছে। এবার পিএম সূর্য ঘর যোজনার আওতায় একটি বড় আপডেট জানাল কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, ৪০ লক্ষেরও বেশি পরিবার এই বিনামূল্যে বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছে। কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি ৮ দিনে ১ লক্ষ মানুষ সৌরশক্তিতে যুক্ত হচ্ছেন। এর অর্থ হল, প্রতিদিন প্রায় ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ পিএম সূর্য ঘর যোজনার আওতায় আসছেন।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে চালু হওয়া ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর: ফ্রি বিদ্যুৎ প্রকল্প’ হল কেন্দ্রীয় সরকারের একটি প্রধান রুফটপ সোলার প্রকল্প, যার লক্ষ্য হল বাড়ির বিদ্যুৎ বিল কমানোর পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব অপ্রচলিত এনার্জির ব্যবহার বৃদ্ধি করা।
ফ্রি ইলেকট্রিসিটি স্কিম কী?
এই স্কিমের লক্ষ্য হল, যোগ্য পরিবারগুলোকে গ্রিড-সংযুক্ত ছাদের সৌর প্যানেলের মাধ্যমে প্রতি মাসে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা। এই প্রকল্পটি সক্রিয় বিদ্যুৎ সংযোগ থাকা আবাসিক গ্রাহকদের জন্যই খোলা হয়েছে।
সৌর প্যানেল বসানোর প্রাথমিক খরচ কমাতে সরকার কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তাও প্রদান করে। এই প্রকল্পটি শুরু হওয়ার পর থেকে সুবিধাভোগীদের ভর্তুকি সহায়তা হিসেবে ১৭,৯৬৭ কোটি টাকারও বেশি দিয়েছে কেন্দ্র।
এর সুবিধাগুলো কী কী?
বিদ্যুৎ বিল কম: ছাদে সৌর প্যানেল বসালে মাসিক বিদ্যুৎ বিল উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে, এমনকি পুরোপুরি জিরো টাকাও হয়ে যেতে পারে।
৩০০ ইউনিট পর্যন্ত ফ্রি বিদ্যুৎ: যোগ্য সুবিধাভোগীরা সৌরশক্তি উৎপাদনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ খরচ মেটাতে পারেন, যার ফলে বিদ্যুৎ ব্যয় সাশ্রয় হয়।
ভর্তুকি দেয় সরকার: এই যোজনার আওতায় কেন্দ্র সরকার ভর্তুকিও দেয়। ২ কিলোওয়াট পর্যন্ত সিস্টেম খরচের ৬০%, ২-৩ কিলোওয়াট অতিরিক্ত ক্ষমতার জন্য বাড়তি খরচের ৪০%, ৩ কিলোওয়াট সিস্টেমের জন্য সর্বোচ্চ ৭৮,০০০ টাকা ভর্তুকি এবং একটি পরিবার ৩ কিলোওয়াট সিস্টেম বসালে ৭৮,০০০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি পেতে পারেন।
কারা এই স্কিমের আওতায় আবেদন করতে পারবেন?
কীভাবে আবেদন করবেন?