Advertisement

৫ এপ্রিলের পর PF-এ এই কাজ করলেই পকেট থেকে উধাও হবে হাজার হাজার টাকা

এখানে টাকা যেমন একশো শতাংশ নিরাপদ, তেমনই মেলে ম্যাজিকের মতো চমৎকার রিটার্ন। কিন্তু আপনি কি জানেন, প্রতি বছর এপ্রিল মাসের একটা নির্দিষ্ট সময়ের পরে প্রভিডেন্ট ফান্ডে টাকা জমা দিলে আপনার অজান্তেই পকেট থেকে গলে যেতে পারে মোটা অঙ্কের টাকা? এই সামান্য ভুলেই হতে পারে মস্ত বড় ক্ষতি! ঠিক কী বলছে হিসাবের অঙ্ক? জেনে নিন এই প্রতিবেদনে।

৫ এপ্রিলের পর PF-এ এই কাজ করলেই পকেট থেকে উধাও হবে হাজার হাজার টাকা৫ এপ্রিলের পর PF-এ এই কাজ করলেই পকেট থেকে উধাও হবে হাজার হাজার টাকা
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 22 May 2026,
  • अपडेटेड 12:37 AM IST

আজকের দিনে দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতের সঞ্চয় নিয়ে আমরা কম-বেশি সকলেই চিন্তিত। আর নিরাপদ বিনিয়োগের কথা উঠলেই মধ্যবিত্তের প্রথম পছন্দ পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড বা পিপিএফ (PPF)। শেয়ার বাজারের হাজারো ওঠা-পড়ার ঝুঁকি যাঁরা নিতে চান না, তাঁদের জন্য প্রভিডেন্ট ফান্ড বা ফিক্সড ডিপোজিটই হলো আসল মুশকিল আসান। এখানে টাকা যেমন একশো শতাংশ নিরাপদ, তেমনই মেলে ম্যাজিকের মতো চমৎকার রিটার্ন। কিন্তু আপনি কি জানেন, প্রতি বছর এপ্রিল মাসের একটা নির্দিষ্ট সময়ের পরে প্রভিডেন্ট ফান্ডে টাকা জমা দিলে আপনার অজান্তেই পকেট থেকে গলে যেতে পারে মোটা অঙ্কের টাকা? এই সামান্য ভুলেই হতে পারে মস্ত বড় ক্ষতি! ঠিক কী বলছে হিসাবের অঙ্ক? জেনে নিন এই প্রতিবেদনে।

পিপিএফ-এ এখন কত সুদ মিলছে?
সাধারণ মানুষের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে ১৯৮৬ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এই ঝুঁকিমুক্ত সঞ্চয় প্রকল্পটি চালু করা হয়েছিল। বর্তমানে এই স্কিমে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ৭.১ শতাংশ হারে দুর্দান্ত সুদ দেওয়া হচ্ছে। আপনি জানলে অবাক হবেন, এই স্কিমে প্রতি মাসে মাত্র ২০০০ টাকা জমিয়েই অবসরের পর অনায়াসে কোটিপতি হওয়া সম্ভব। তবে এর পেছনে একটা ছোট্ট ট্রিক রয়েছে, বিনিয়োগ যত কম বয়সে শুরু করবেন, অবসরের পর রিটার্নের অঙ্কটা ততটাই চড়া হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কেউ যদি ২০ বছর বয়স থেকে পিপিএফ-এ টাকা জমানো শুরু করেন, তিনি ৬০ বছর বয়সে যে পরিমাণ রিটার্ন পাবেন, তার থেকে ১০ বছর পরে অর্থাৎ ৩০ বছর বয়সে বিনিয়োগ শুরু করলে রিটার্নের অঙ্কটা প্রায় অর্ধেক হয়ে যাবে।

ছোট্ট সোনাদের নামেও খোলা যাবে খাতা
এই সরকারি স্কিমের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হলো, আপনি নিজের নাবালক সন্তানের নামেও পিপিএফ অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। বাচ্চার ভবিষ্যতের কথা ভেবে অভিভাবকরা সহজেই এই অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে পারেন। পরবর্তীতে সন্তানের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হলে অ্যাকাউন্টটি তার নামে সম্পূর্ণ ট্রান্সফার করে দেওয়া যায়। কোনো শিশু ১০ বা ১৫ বছর বয়স থেকে যদি এই ফান্ডের সুবিধা পেতে শুরু করে, তবে ৬০ বছর বয়সে পৌঁছানোর পর তাকে আর টাকার জন্য অন্তত কারও মুখাপেক্ষী হতে হবে না। তবে একটা কথা মনে রাখা জরুরি, আয়কর আইনের ৮০সি (80C) ধারা অনুযায়ী এই স্কিমে বছরে সর্বোচ্চ ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের ওপরই কেবল কর ছাড় পাওয়া যায়। এর বেশি টাকা বিনিয়োগ করলে তার ওপর কিন্তু নিয়মানুযায়ী আয়কর দিতে হবে।

Advertisement

৫ এপ্রিলের ডেডলাইন মিস করলেই পকেটে টান
যাঁরা প্রভিডেন্ট ফান্ডে প্রতি বছর এককালীন বা লাম্পসাম টাকা জমা দেন, তাঁদের জন্য রয়েছে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। পিপিএফ-এর নিয়ম খতিয়ে দেখলে বোঝা যায়, বছরের শুরুতেই অর্থাৎ ৫ এপ্রিলের মধ্যে টাকা জমা দিয়ে দিতে পারলে সবথেকে বেশি ফায়দা বা লাভের লাভ পাওয়া যায়। কারণ, এই ৫ এপ্রিলের ডেডলাইন একবার মিস হয়ে গেলে সোজা এক মাসের সুদ আপনার হাতছাড়া হয়ে যাবে।

হিসাবের অঙ্কে বিষয়টা একটু বুঝে নেওয়া যাক। ধরুন, আপনি অ্যাকাউন্টে ৩ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করছেন। এখন এই টাকা যদি আপনি ৫ এপ্রিলের আগে জমা দেন, তবে নিয়ম মেনে পুরো বছরের সুদ বাবদ পাবেন ২১,৩০০ টাকা। কিন্তু ভুলবশত যদি ৫ এপ্রিলের পরে ওই টাকা জমা পড়ে, তবে এক মাসের সুদ কাটা গিয়ে আপনার ঝুলিতে আসবে মাত্র ১৯,৫০০ টাকা। সাময়িকভাবে এই ক্ষতিটা সামান্য মনে হলেও, এইভাবে যদি টানা ২০ বছর ধরে আপনি ভুল সময়ে টাকা জমা দিতে থাকেন, তবে সুদে-আসলে আপনার মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৪০ হাজার টাকার কাছাকাছি পৌঁছে যাবে! তাই পিপিএফ থেকে লক্ষ্মীলাভ করতে চাইলে ৫ এপ্রিলের ডেডলাইনটি মাথায় রাখা কিন্তু মাস্ট।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement