Advertisement

Pulsar 150 ছেড়ে ১২ হাজার টাকা দামি Pulsar 180 নিয়ে লাভ আছে? জানুন

Bajaj Pulsar 180 চার বছর পর আবার বাজারে ফিরেছে। অনেকেই এখন ভাবছেন; একটু বেশি টাকা দিয়ে Pulsar 150-এর বদলে Pulsar 180 নেওয়া কি বুদ্ধিমানের কাজ হবে?

অনেকেই এখন ভাবছেন; একটু বেশি টাকা দিয়ে Pulsar 150-এর বদলে Pulsar 180 নেওয়া কি বুদ্ধিমানের কাজ হবে?অনেকেই এখন ভাবছেন; একটু বেশি টাকা দিয়ে Pulsar 150-এর বদলে Pulsar 180 নেওয়া কি বুদ্ধিমানের কাজ হবে?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 12 May 2026,
  • अपडेटेड 3:56 PM IST
  • বাজারে আইকনিক পালসার ১৮০ ফিরিয়ে আনল বাজাজ।
  • ২০২২ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর অনেকেই ভেবেছিলেন, এই বাইক আর ফিরবে না।
  • একটু বেশি টাকা দিয়ে Pulsar 150-এর বদলে Pulsar 180 নেওয়া কি বুদ্ধিমানের কাজ হবে?

চার বছর পর আবার ভারতীয় বাজারে ফিরেছে Bajaj Pulsar 180। ফলে অনেক বাইকপ্রেমীর মনেই এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরছে; Pulsar 150-এর বদলে কি একটু বেশি টাকা খরচ করে Pulsar 180 কেনা উচিত? উত্তরটা সবার জন্য এক নয়। কারও কাছে ১৮০ হতে পারে দুর্দান্ত আপগ্রেড, আবার কারও জন্য ১৫০-ই যথেষ্ট। সবটাই নির্ভর করছে ব্যবহার এবং রাইডিং স্টাইলের উপর।

২০২২ সালে Pulsar 180 বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর Bajaj-এর লাইনআপে একটা ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়েছিল। Pulsar 150 এবং 220F-এর মাঝামাঝি কোনও মডেল ছিল না। সেই জায়গাতেই আবার ফিরে এল Pulsar 180। আর কামব্যাকের পর থেকেই এই বাইক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

দামে কত পার্থক্য?
নতুন Bajaj Pulsar 180-এর এক্স-শোরুম দাম প্রায় ১.২২ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ Pulsar 150-এর তুলনায় প্রায় ১২ হাজার টাকা বেশি খরচ করতে হবে। কিন্তু সেই অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে কী পাওয়া যাচ্ছে, সেটাই আসল বিষয়।

নতুন পালসার 180।

ইঞ্জিনে বেশি শক্তি
পারফরম্যান্সের দিক থেকে Pulsar 180 স্পষ্ট ভাবেই এগিয়ে। এতে রয়েছে ১৭৮.৬ সিসি ইঞ্জিন, যা প্রায় ১৭ হর্সপাওয়ার শক্তি তৈরি করে। অন্যদিকে Pulsar 150 তুলনায় কম শক্তিশালী। ফলে হাইওয়ে রাইড, দ্রুত ওভারটেক বা পিলিয়ন নিয়ে চলার সময় ১৮০ অনেক বেশি আত্মবিশ্বাস দেয়।

যাঁরা একটু বেশি পাওয়ার এবং স্পোর্টি রাইডিং পছন্দ করেন, তাঁদের কাছে Pulsar 180-এর অভিজ্ঞতা আলাদা লাগতেই পারে।

ফিচারেও এগিয়ে
ফিচারের ক্ষেত্রেও Pulsar 180 বেশ আপডেটেড। এতে এলইডি হেডলাইট এবং ডিজিটাল এলসিডি ডিসপ্লে রয়েছে। ফলে রাতের রাইডিং যেমন সহজ হয়, তেমনই রাইডিং ডেটা দেখাও সুবিধাজনক।

এ ছাড়া রিয়ার ডিস্ক ব্রেক এবং এবিএস থাকার কারণে ব্রেকিং ও সেফটির দিক থেকেও এই বাইক বেশ ভাল প্যাকেজ বলে মনে করছেন অনেকে।

তবে কিছু খামতিও আছে
সব দিক ভাল হলেও Pulsar 180-এর ওজন একটু বেশি। প্রায় ১৫৬ কেজির এই বাইক নতুন রাইডারদের কাছে কিছুটা ভারী লাগতে পারে। বিশেষ করে শহরের ট্রাফিকে বারবার চালাতে হলে বিষয়টা মাথায় রাখা জরুরি।

Advertisement

অন্যদিকে Pulsar 150 তুলনায় হালকা। শহরের রাস্তায় চালাতে সুবিধাজনক। পাশাপাশি মাইলেজও সাধারণত একটু বেশি পাওয়া যায়।

কারা Pulsar 180 কিনবেন?
যাঁরা নিয়মিত লং রাইড করেন, হাইওয়েতে যাতায়াত বেশি, বা একটু বেশি পারফরম্যান্স চান; তাঁদের জন্য Pulsar 180 যথেষ্ট আকর্ষণীয় বিকল্প হতে পারে। তরুণ রাইডার বা কলেজ পড়ুয়াদের কাছেও এই বাইক স্টাইল এবং পাওয়ারের ভাল মিশ্রণ দিতে পারে।

কার জন্য Pulsar 150-ই যথেষ্ট?
যাঁদের মূলত শহরের ভিতর ছোট দূরত্বে চলাফেরা, বেশি মাইলেজের প্রয়োজন বা সদ্য বাইক চালানো শুরু করেছেন; তাঁদের জন্য Pulsar 150 অনেক বেশি ভাল।

সব মিলিয়ে Pulsar 180 শুধুই একটি বাইক নয়, অনেকের কাছে এটা নস্টালজিয়ারও নাম। পুরনো Pulsar-এর আবেগের সঙ্গে নতুন যুগের কিছু আধুনিক ফিচারের মিশ্রণ বলা যেতে পারে। তবে শেষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজের প্রয়োজন এবং বাজেটটা মিলিয়ে দেখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

Read more!
Advertisement
Advertisement