Advertisement

Saving Scheme: জিরো রিস্কে FD-র চেয়ে বেশি সুদ, পকেট ভরাবে RBI-এর হিট স্কিম

FD-র দরকার নেই, এবার সরাসরি টাকা জমান RBI-এর বন্ডে। এক্ষেত্রে সরকারের ১০০ শতাংশ গ্যারান্টি পাওয়া যায়। ফলে টাকা খোয়া যাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

পকেট ভরাবে RBI-এর হিট স্কিমপকেট ভরাবে RBI-এর হিট স্কিম
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 24 Aug 2026,
  • अपडेटेड 8:38 AM IST
  • সুরক্ষিত বিনিয়োগ হিসেবে আজও FD-র জুড়ি মেলা ভার।
  • এই বিনিয়োগ মিউচুয়াল ফান্ড বা শেয়ার বাজারের কাছাকাছি রিটার্ন দিতে পারে।
  • এটি RBI-এর ফ্লোটিং রেট সেভিংস বন্ড স্কিম।

বর্তমানে টাকা জমানোর ক্ষেত্রে একাধিক অপশন থাকলেও, সুরক্ষিত বিনিয়োগ হিসেবে আজও FD-র জুড়ি মেলা ভার। তবে ফিক্সড ডিপোজিটে কিছুটা কম সুদ পাওয়া যায় বলে অনেকেই খুঁতখুঁত করেন। কিন্তু এখন সেই সমস্যারও সমাধান হাজির। এখানে এমন একটি স্কিম বলা হচ্ছে, যা মিউচুয়াল ফান্ড বা শেয়ার বাজারের কাছাকাছি রিটার্ন দিতে পারে। আবার তা ১০০% সুরক্ষিতও। এটি RBI-এর ফ্লোটিং রেট সেভিংস বন্ড স্কিম। 

এই স্কিমে সরকারি গ্যারান্টি রয়েছে। ফলে এটি ১০০ শতাংশ সুরক্ষিত। এক্ষেত্রে বিনিয়োগ  খেলাপি হওয়ার কোনও ঝুঁকি নেই। ব্যাঙ্ক FD-র তুলনায় বেশি সুদের হার এবং সরকারি গ্যারান্টি এই স্কিমটিকে প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও বেশ সুবিধাজনক করে তুলেছে।

ফ্লোটিং রেট সেভিংস স্কিম কী? 

এটি ভারত সরকারের পক্ষ থেকে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে জারি করা একটি বিশেষ সেভিংস স্কিম। একে 'ফ্লোটিং রেট' বলা হয় কারণ এর সুদের হার স্থির নয়, বরং বাজারের পরিস্থিতি অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হয়, যা বিনিয়োগকারীদের ধারাবাহিক সুবিধা দেয়।

কারা এতে বিনিয়োগ করতে পারেন? 

শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিক এবং হিন্দু অবিভক্ত পরিবার (HUFs) এতে বিনিয়োগ করতে পারেন। প্রবাসী ভারতীয়রা এই স্কিমে বিনিয়োগ করতে পারবেন না। এছাড়াও, বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও এতে বিনিয়োগ করতে পারবেন না।

সুদের হার কীভাবে হিসাব করা হয়?

RBI বন্ডগুলির সুদের হার সরাসরি NSC সুদের হারের সঙ্গে যুক্ত।  এই বন্ডের সুদের হার সর্বদা NSC হার + ০.৩৫%। সরকার প্রতি ছয় মাস অন্তর ১ জানুয়ারি ও ১ জুলাই এই সুদের হার  পর্যালোচনা করে এবং নতুন হার কার্যকর করে। সুদের টাকা প্রতি ছয় মাস অন্তর সরাসরি বিনিয়োগকারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়। 

লক-ইন ও ম্যাচুউরিটির বিষয়ে জানুন

এই স্কিমে বিনিয়োগ করার আগে, এর লক-ইন নিয়মগুলি বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। বন্ডের ম্যাচুউরিটির ক্ষেত্রে লক-ইন পিরিয়ড রয়েছে  ৭ বছর। তবে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য কিছু ছাড় রয়েছে। ৬০ থেকে ৭০ বছর বয়সী বিনিয়োগকারীরা ৬ বছর পর টাকা তুলতে পারবেন। ৭০ থেকে ৮০ বছর বয়সী বিনিয়োগকারীরা ৫ বছর পর টাকা তুলতে পারেন এবং ৮০ বছরের বেশি বয়সের ব্যক্তিরা ৪ বছর পরেই জমানো টাকা তুলতে পারবেন।

Advertisement

কত বিনিয়োগ করা যায়?

এই স্কিমে  সর্বনিম্ন বিনিয়োগের সীমা হল ১০০০ টাকা। সবচেয়ে বড় সুবিধা হল বিনিয়োগের কোনও সর্বোচ্চ সীমা নেই। তাই এই নিরাপদ স্কিমে ইচ্ছামতো বিনিয়োগ করতে পারেন। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement