Advertisement

RBI Loaned Property New Guideline: ক্রোক করা সম্পত্তি নিয়ে নয়া নির্দেশিকা RBI-এর, ব্যাঙ্ক আর এই কাজ করতে পারবে না

গত মে মাসে এই বিষয়ে একটি খসড়া নিয়ম প্রকাশ করেছিল আরবিআই এবং সেখানে কিছু অংশীদার প্রস্তাব দিয়েছিলেন যে ঋণগ্রহীতাদেরই আবার নিজেদের সেই সম্পত্তি কিনে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হোক, কিন্তু শীর্ষ ব্যাঙ্ক সেই অসাধু প্রস্তাব সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে।

RBI Loaned Property New Guideline: ক্রোক করা সম্পত্তি নিয়ে নয়া নির্দেশিকা RBI-এর, ব্যাঙ্ক আর এই কাজ করতে পারবে নাRBI Loaned Property New Guideline: ক্রোক করা সম্পত্তি নিয়ে নয়া নির্দেশিকা RBI-এর, ব্যাঙ্ক আর এই কাজ করতে পারবে না
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 16 Jul 2026,
  • अपडेटेड 10:33 PM IST

ব্যাঙ্ক থেকে লোন বা ঋণ নিয়ে তা ফাঁকি দেওয়ার দিন এবার চিরতরে শেষ হতে চলেছে। ঋণখেলাপিদের দাপট রুখতে এবং দেশের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থাকে আরও সুরক্ষিত করতে এবার এক নজিরবিহীন ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। নতুন নিয়মে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে লোন রিকভারি বা ঋণ আদায়ের প্রক্রিয়া চলাকালীন কোনও ব্যাঙ্ক যদি গ্রাহকের কোনও অচল সম্পত্তি বা বাড়ি ঘর নিজেদের দখলে নেয়, তবে তা কোনওভাবেই আর ওই ঋণখেলাপি কিংবা তাঁর পরিবারের বা তাঁর সঙ্গে যুক্ত কোনও ব্যক্তির কাছে পুনরায় বিক্রি করা বা ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না।

সাধারণত বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলির মূল কাজ হলো ঋণ দেওয়া এবং আমানতকারীদের টাকা সুরক্ষিত রাখা, কোনো অচল সম্পত্তি সামলানো বা রিয়েল এস্টেট ব্যবসা করা তাদের কাজ নয়। কিন্তু ঋণ যখন অনুৎপাদক সম্পদ বা এনপিএতে পরিণত হয় এবং ঋণ আদায়ের সমস্ত সাধারণ পথ বন্ধ হয়ে যায়, ঠিক তখনই ব্যাঙ্কগুলি জামিন হিসেবে রাখা ওই সম্পত্তি শেষ পদক্ষেপ হিসেবে নিজেদের অধীনে নিয়ে নেয়। এই ধরনের উদ্ধার হওয়া সম্পত্তিকে ব্যাঙ্কিং পরিভাষায় স্পেসিফাইড নন ফিনান্সিয়াল অ্যাসেট বা এসএনএফএ বলা হয়ে থাকে।

রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী ব্যাঙ্কগুলিকে তাঁদের নিজস্ব নীতি মেনে এই ধরনের সম্পত্তি অধিগ্রহণের সর্বোচ্চ সাত বছরের মধ্যে তা বিক্রি বা নিষ্পত্তি করে ফেলতে হবে। তবে জলের দরে বা গোপনে নয়, বরং সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রেখে গণ নিলাম বা পাবলিক অকশনের মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব এই সম্পত্তি বিক্রি করার চেষ্টা করতে হবে।

গত মে মাসে এই বিষয়ে একটি খসড়া নিয়ম প্রকাশ করেছিল আরবিআই এবং সেখানে কিছু অংশীদার প্রস্তাব দিয়েছিলেন যে ঋণগ্রহীতাদেরই আবার নিজেদের সেই সম্পত্তি কিনে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হোক, কিন্তু শীর্ষ ব্যাঙ্ক সেই অসাধু প্রস্তাব সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে। নতুন এই নির্দেশিকা আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে সারা দেশে কার্যকর হতে চলেছে, যার ফলে ব্যাঙ্কগুলি নিজেদের হিসাবের খাতা আরও পরিষ্কার করতে পারবে এবং ঋণখেলাপিদের সম্পত্তি হাতানোর সব চোরকুঠুরি চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement