Advertisement

Challan Rules: ট্র্যাফিক পুলিশ চালান কাটলে রাস্তাতেই জরিমানা দেওয়া বাধ্যতামূলক? জানুন নিয়ম

চালকদের ট্র্যাফিক আদালতে হাজির হতে পারে, যেখানে জরিমানা বা অন্যান্য পদক্ষেপের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই পার্থক্যটি প্রায়শই উপেক্ষা করা হয়, যদিও এর ফলে চালকদের জন্য গুরুতর পরিণতি হতে পারে।

চালান কাটছেন পুলিশচালান কাটছেন পুলিশ
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 25 Jun 2026,
  • अपडेटेड 5:44 PM IST

বেশিরভাগ চালক মনে করেন, ট্রাফিক পুলিশ চালান দিলে জরিমানা দিয়েই বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে সমাধান হয়ে যায়। অনেক সাধারণ লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে এটা সত্যি হলেও, সবগুলোর ক্ষেত্রে নয়। ট্রাফিক চালানের নিয়ম অনুযায়ী, কিছু অপরাধ এতটাই গুরুতর বলে বিবেচিত হয় যে সেগুলোকে সরাসরি আদালতে পাঠানো হয়। এই ধরনের ক্ষেত্রে, ঘটনাস্থলেই জরিমানা আদায় করার ক্ষমতা পুলিশের নেই।

এর পরিবর্তে, চালকদের ট্র্যাফিক আদালতে হাজির হতে পারে, যেখানে জরিমানা বা অন্যান্য পদক্ষেপের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই পার্থক্যটি প্রায়শই উপেক্ষা করা হয়, যদিও এর ফলে চালকদের জন্য গুরুতর পরিণতি হতে পারে।

কোর্ট চালান কী?
ট্রাফিক চালান সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে।

প্রথমটি হল আপসযোগ্য চালান, যেখানে অপরাধী নির্ধারিত জরিমানা দিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে পারেন।

দ্বিতীয়টি হল কোর্ট চালান। এক্ষেত্রে, লঙ্ঘনটিকে আরও গুরুতরভাবে বিবেচনা করা হয় এবং বিষয়টি আদালতে পাঠানো হয়। পুলিশ কর্মকর্তা অপরাধটি নথিভুক্ত করেন, কিন্তু চূড়ান্ত শাস্তি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।

যেসব অপরাধের জন্য আদালতে মামলা হতে পারে
ট্রাফিক আইন প্রয়োগের নির্দেশিকা অনুসারে, বেশ কিছু লঙ্ঘনের জন্য ঘটনাস্থলেই মীমাংসার পরিবর্তে আদালতে মামলা হতে পারে।

এগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • বিপজ্জনক বা বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানো
  • মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো
  • ওয়ান ওয়ে রাস্তায় ভুল দিকে গাড়ি চালানো
  • বাধ্যতামূলক স্টপ সাইন উপেক্ষা করা
  • অনিরাপদভাবে ওভারটেক করা
  • কোনও অপ্রাপ্তবয়স্কের পাশে গাড়ি চালানো
  • ফুটপাত এবং সাইকেল ট্র্যাকে সাইকেল চালানো বা আরোহণ করা

এক্ষেত্রে, কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক জরিমানা আদায়ের পরিবর্তে অপরাধটির বিচারের পর্যালোচনা প্রয়োজন বলে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

কেন এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ
আদালতের চালান শুধু আরেকটি ট্রাফিক টিকিট নয়। একবার কোনও বিষয় আদালতে পাঠানো হলে, চালকদের বিচারকের সামনে হাজির হতে পারে অথবা নোটিশে উল্লেখিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হতে পারে।

সাম্প্রতিক আদালতের রায়গুলো ট্রাফিক জরিমানা কীভাবে আদায় করা হয় সেদিকেও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তেলঙ্গানা হাইকোর্ট জানিয়েছে, পুলিশ চালকদের ঘটনাস্থলেই বকেয়া চালান পরিশোধ করতে বাধ্য করতে পারে না এবং অবশ্যই আইন অনুযায়ী যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

একইভাবে, কিছু রাজ্য ট্রাফিক কর্মীদের বকেয়া ই-চালান অবিলম্বে পরিশোধের জন্য চালকদের উপর চাপ সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ জারি করেছে।

Advertisement

আদালতের চালান পেলে কী করবেন?
যদি আদালতের চালান পান, তবে নোটিশটি সাবধানে দেখুন। এতে সাধারণত আদালত, শুনানির তারিখ এবং পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য থাকে।

আইন বিশেষজ্ঞরা গাড়িচালকদের এই ধরনের নোটিস উপেক্ষা না করার পরামর্শ দেন। এর জবাব দিতে ব্যর্থ হলে বিষয়টি জটিল হয়ে উঠতে পারে এবং আরও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

মূল কথাটি সহজ: সব ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকে সমানভাবে দেখা হয় না। যদিও অনেক আইন লঙ্ঘন একটি সাধারণ জরিমানার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যায়, তবে সড়ক নিরাপত্তার ঝুঁকি জড়িত অপরাধগুলো প্রায়শই রাস্তার পাশের আইন প্রয়োগের সীমা ছাড়িয়ে আদালত পর্যন্ত গড়ায়।

গাড়িচালকদের জন্য, একটি সাধারণ চালান এবং আদালতের চালানের মধ্যে পার্থক্য বোঝাটা বিভ্রান্তি এড়াতে সাহায্য করতে পারে, বিশেষ করে যখন ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা আইনি বিষয়ে পরিণত হয়।

Read more!
Advertisement
Advertisement