Advertisement

FD-তে Top Rates! 8.60% পর্যন্ত রিটার্ন পাবেন এই নামী Bank গুলিতে

অবসরের পরে নিশ্চিত আয়। কম ঝুঁকিতে সেভিংসের টাকা বাড়াতে তাঁদের ভরসা ফিক্সড ডিপোজিট (FD)। বর্তমানে দেশের একাধিক ব্যাঙ্ক সিনিয়র সিটিজেনদের এফডি-তে বেশ ভাল সুদ দিচ্ছে।

বর্তমানে দেশের একাধিক ব্যাঙ্ক সিনিয়র সিটিজেনদের এফডি-তে বেশ ভাল সুদ দিচ্ছে। বর্তমানে দেশের একাধিক ব্যাঙ্ক সিনিয়র সিটিজেনদের এফডি-তে বেশ ভাল সুদ দিচ্ছে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 31 Oct 2026,
  • अपडेटेड 7:50 PM IST
  • অবসরের পরে নিশ্চিত আয়।
  • কম ঝুঁকিতে সেভিংসের টাকা বাড়াতে তাঁদের ভরসা ফিক্সড ডিপোজিট (FD)।

Senior Citizen FD Rates: অবসরের পরে নিশ্চিত আয়। কম ঝুঁকিতে সেভিংসের টাকা বাড়াতে তাঁদের ভরসা ফিক্সড ডিপোজিট (FD)। বর্তমানে দেশের একাধিক ব্যাঙ্ক সিনিয়র সিটিজেনদের এফডি-তে বেশ ভাল সুদ দিচ্ছে। কোথাও সুদের হার ৮.৬০ শতাংশ পর্যন্ত। তবে সব ব্যাঙ্কে এই সুবিধা নেই। বিশেষ করে স্মল ফিন্যান্স ব্যাঙ্কগুলি সুদের হারের নিরিখে এগিয়ে রয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রবীণদের জন্য সবচেয়ে বেশি ৮.৬০ শতাংশ সুদ দিচ্ছে উজ্জীবন স্মল ফিন্যান্স ব্যাঙ্ক। সুর্যোদয়, ইকুইটাস এবং ইএসএএফ স্মল ফিন্যান্স ব্যাঙ্কে সর্বোচ্চ সুদের হার ৮.৫০ শতাংশ। জনা স্মল ফিন্যান্স ব্যাঙ্ক দিচ্ছে ৮.৩০ শতাংশ। শিবালিক এবং উৎকর্ষ স্মল ফিন্যান্স ব্যাঙ্কে মিলছে ৮.২৫ শতাংশ। এ ছাড়া এইউ স্মল ফিন্যান্স ব্যাঙ্কে সর্বোচ্চ সুদ ৭.৯০ শতাংশ।

বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলির মধ্যে ডিসিবি ব্যাঙ্কে সর্বোচ্চ সুদ ৮ শতাংশ। বন্ধন ব্যাঙ্কে ৭.৯৫ শতাংশ। ইন্ডাসইন্ড এবং ইয়েস ব্যাঙ্কে ৭.৭৫ শতাংশ। আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্কে ৭.৩৫ শতাংশ। অ্যাক্সিস ও কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাঙ্কে ৭.২৫ শতাংশ। আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কে ৭.২০ শতাংশ এবং এইচডিএফসি ব্যাঙ্কে ৭.১০ শতাংশ পর্যন্ত সুদ পাওয়া যাচ্ছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে সুদের হার তুলনায় কিছুটা কম। ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ায় সর্বোচ্চ ৭.৪৫ শতাংশ, পঞ্জাব অ্যান্ড সিন্ধ ব্যাঙ্কে ৭.৩৫ শতাংশ এবং ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কে ৭.৩০ শতাংশ সুদ মিলছে। এসবিআই-তে সর্বোচ্চ হার ৭.০৫ শতাংশ। বিদেশি ব্যাঙ্কগুলির মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডে ৭.১০ শতাংশ, ডয়েচে ব্যাঙ্কে ৭ শতাংশ এবং এইচএসবিসি-তে ৬ শতাংশ পর্যন্ত সুদ রয়েছে।

তবে শুধু বেশি সুদ দেখেই এফডি করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, একটি ব্যাঙ্কে ৫ লক্ষ টাকার বেশি না রেখে একাধিক ব্যাঙ্কে আমানত ভাগ করে রাখা ভাল। কারণ, ডিআইসিজিসি-র নিয়মে প্রতি আমানতকারী, প্রতি ব্যাঙ্কে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিমা সুরক্ষা রয়েছে। মেয়াদ ভাঙার জরিমানা এবং করের বিষয়টিও আগে দেখে নেওয়া জরুরি। 

দ্রষ্টব্য: বিনিয়োগ সংক্রান্ত প্রতিবেদন বাজার পর্যবেক্ষণ মাত্র। এগুলি সম্পাদকীয় সুপারিশ নয়। 

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement