
অনেকেই মনে করেন, মোটা টাকা আয় করলে তবেই টাকা জমানো সম্ভব। কিন্তু আদতে বিষয়টি মোটেই তেমন নয়। অল্প পরিমাণে বিনিয়োগ করলেও তা দীর্ঘমেয়াদে একটি বড় অঙ্কের ফান্ড গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে। আর্থিক বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যত তাড়াতাড়ি বিনিয়োগ শুরু করবেন, চক্রবৃদ্ধি সুদের সুবিধা তত বেশি পাবেন, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অল্প পরিমাণ অর্থকেও লক্ষাধিক টাকায় পরিণত করতে পারে।
দিনে জমান মাত্র ১০ টাকা
যদি কোনও ব্যক্তি প্রতিদিন মাত্র ১০ টাকা করে জমান এবং বেতন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সঞ্চয়ের পরিমাণও বাড়ান এবং সঠিক জায়গায় বিনিয়োগ করেন, তাহলে ভবিষ্যতে একটি মোটা অঙ্কের টাকা জমাতে পারবেন। বিশেষ করে, দীর্ঘ সময়ের জন্য এসআইপি (SIP)-র মাধ্যমে বিনিয়োগ করলে আরও ভালো রিটার্ন পাওয়া যেতে পারে। হিসেব কষে অঙ্কটা বুঝে নেওয়া যাক।
যদি আপনি প্রতিদিন ১০ টাকা করে সঞ্চয় করেন, তাহলে প্রতি মাসে প্রায় ৩০০ টাকা জমাতে পারবেন। এই টাকা মাসিক এসআইপি (SIP)-র মাধ্যমে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। এছাড়াও, যদি আপনি প্রতি বছর আপনার বিনিয়োগের পরিমাণ ১০% করে বাড়িয়ে ৩০ বছর ধরে বিনিয়োগ চালিয়ে যান, তাহলে একটি বড় অঙ্কের ফান্ড গড়ে তুলতে পারবেন। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদে, চক্রবৃদ্ধি সুদের সুবিধা ছোট ছোট সঞ্চয়কে বহুগুণে বাড়িয়ে তুলতে পারে।
১২% রিটার্ন পাওয়া গেলে কত টাকার ফান্ড তৈরি হবে?
মোট বিনিয়োগ: প্রায় ৫.৯২ লক্ষ টাকা
আনুমানিক রিটার্ন: প্রায় ২০.৫৮ লক্ষ টাকা
মোট ফান্ড: প্রায় ২৬.৫০ লক্ষ টাকা
১৫% রিটার্ন পেলে আপনি কত টাকা পাবেন?
মোট বিনিয়োগ: প্রায় ৫.৯২ লক্ষ টাকা
আনুমানিক রিটার্ন: প্রায় ৩৯.১৪ লক্ষ টাকা
মোট ফান্ড: প্রায় ৪৫.০৬ লক্ষ টাকা