Advertisement

Tarapith Mandir: তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দিতে থাকছে না লাইনের ঝামেলা, মোবাইলেই কাটুন 'VIP টিকিট'

Tarapith Mandir pooja ticket booking through Mobile online: মোবাইলের মাধ্যমেই টিকিট কেটেই মা তারার পুজোর জন্য টিকিট বুক করতে পারছেন ভক্তরা। কত টাকা লাগছে, দেখুন

তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দিতে থাকছে না লাইনের ঝামেলাতারাপীঠ মন্দিরে পুজো দিতে থাকছে না লাইনের ঝামেলা
Aajtak Bangla
  • তারাপীঠ,
  • 22 Sep 2026,
  • अपडेटेड 2:12 PM IST
  • তারাপীঠ মন্দিরে এবার পুজো দেওয়া আরও সহজ।
  • মন্দিরে পুজো দিতে আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দিয়ে দাঁড়াতে হবে না।
  • এবার মোবাইলের মাধ্যমেই পুজোর জন্য টিকিট কাটতে পারছেন ভক্তরা।

তারাপীঠ মন্দিরে এবার পুজো দেওয়া আরও সহজ। মন্দিরে পুজো দিতে আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দিয়ে দাঁড়াতে হবে না। কারণ, এবার মোবাইলের মাধ্যমেই টিকিট কেটেই মা তারার দর্শন করতে পারছেন ভক্তরা। একইসঙ্গে দেওয়া যাবে পুজোও। মোবাইলে একটি নির্দিষ্ট অ্যাপের মাধ্যমে এই পুজোর জন্য টিকিট কাটতে হবে।

নির্দিষ্ট ওই মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে ৫০০ টাকার ভিআইপি দর্শনের টিকিট বুক করতে পারছেন ভক্তরা। পাশাপাশি পুজোর জন্য টিকিট বুকিং-এরও অপশন রয়েছে।

ওই অ্যাপটির নাম রয়েছে 'FAITH360'। তারাপীঠ মন্দির ছাড়াও, রাজ্যের একাধিক মন্দিরের জন্য এই অ্যাপ থেকে টিকিট কাটা যাবে। তালিকায় রয়েছে কলকাতার ধ্যান মন্দির, ইস্কন মন্দির থেকে শুরু করে মায়াপুরের মন্দিরও। 

কীভাবে টিকিট কাটবেন?

এই অ্যাপে টিকিট কাটার জন্য প্রথমে অ্যাপটি খুলে নিজের মোবাইল নম্বর ও OTP দিয়ে রেজিস্টার করতে হবে। এরপর নিজের প্রোফাইল তৈরি করলেই নিজের আশেপাশের মন্দির ও ধর্মস্থান দেখাবে। কোনও মন্দিরের নাম সার্চ করতে চাইলে, সেই অপশনও রয়েছে। এরপর নির্দিষ্ট মন্দিরের ক্লিক করলে তার পেজটি খুলে যাবে। সেখানে গিয়ে পুজো বুকিং করা যাবে। কোনও কোনও মন্দিরে থাকবে দর্শনের অপশনও। এরপর নির্দিষ্ট অপশন বেছে নিয়ে পেমেন্ট করলেই বুকিং হয়ে যাবে টিকিট। ফলে কোনও ঝামেলা ছাড়াই লাইনে না দাঁড়িয়েই পুণ্যার্থীরা টিকিট কেটে নিতে পারবেন। 

অ্য়াপটির নতুন আপডেটে তারাপীঠের মতো মন্দিরের টিকিট বুকিংয়ের জন্য দিন, তারিখও বেছে নেওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ রেলের টিকিট কনফার্ম হলেই অথবা যাওয়া নিশ্চিত হলেই, বাড়িতে বসেই মন্দিরে পুজো দেওয়ার টিকিট আগেভাগেই কেটে নেওয়া যেতে পারে। যা ভক্তদের ভিড়ের ঝঞ্জাট থেকে মুক্তি দেবে বলেই মনে করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement