Advertisement

Train Delay Compensation To Passenger : ট্রেন লেট, যাত্রীকে ৩৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ

রেলওয়েকে হয়রানির জন্য ৩০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ এবং মামলা পরিচালনার খরচ বাবদ অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা অর্থাৎ মোট ৩৫ হাজার টাকা, প্রদানের নির্দেশ দেয়। আদেশের তারিখ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে এই অর্থ প্রদান করতে হবে।

প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 22 Sep 2026,
  • अपडेटेड 4:05 PM IST
  • ট্রেন দেরিতে আসার ঘটনা আমাদের দেশে নতুন কিছু নয়
  • আর সেই ট্রেন লেটের কারণেই এবার ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন এক যাত্রী

ট্রেন দেরিতে আসার ঘটনা আমাদের দেশে নতুন কিছু নয়। আর সেই ট্রেন লেটের কারণেই এবার ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন এক যাত্রী। তাও আবার ৩৫ হাজার টাকা। খোদ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে এই ক্ষতিপূরণ দিতে হচ্ছে। ঘটনা ঝাড়খণ্ডের হলেও এটা ভারতীয় রেলওয়ের জন্য একটি শিক্ষা বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। 

এক ইংরেজি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ট্রেনটি প্রায় ৯ ঘণ্টা দেরিতে পৌঁছেছিল। আর এই ঘটনাকে পরিষেবার ঘাটতি বলেই মনে করেছে ক্রেতা সুরক্ষা কমিশন। 

জেলা ক্রেতা সুরক্ষা এই নির্দেশ দেয় গত ২ সেপ্টেম্বর। সেই রাজ্যের বাসিন্দা সঞ্জয় কুমার দাস এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। তাঁর ট্রেনে করে যাওয়ার কথা ছিল টাটানগর (জামশেদপুর) থেকে সম্বলপুর। ইস্পাত এক্সপ্রেসের দুটি স্লিপারের টিকিট কেটেছিলেন তিনি। কমিশনের নথি অনুযায়ী, ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ৮ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট দেরিতে পৌঁছয়। 

সভাপতি সুনীল কুমার সিং এবং সদস্য প্রদীপ কুমার মিশ্র ও সঞ্জু শাহীকে নিয়ে গঠিত কমিশন তাদের আদেশে উল্লেখ করে যে, অভিযোগকারী "জোরালো ও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ" দিয়ে এটি প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন যে ট্রেনের বিলম্বের কারণে তিনি শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক হয়রানির শিকার হয়েছেন।

কমিশন রেলওয়ের এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি, প্রয়োজনীয় পক্ষকে মামলায় যুক্ত না করার অভিযোগ এবং আর্থিক ক্ষতির কোনও নথিপত্র বা প্রমাণ দাখিল না করার যুক্তি- সবই খারিজ করে দেয়। কমিশন জানায় যে, এই পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় ধরে বিলম্ব হওয়াটাই ক্রেতা সুরক্ষা আইনের অধীনে 'পরিষেবায় ঘাটতি' হিসেবে গণ্য হবে এবং এর ফলে যাত্রী ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য।    

ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ও সময়সীমা

কমিশন দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়েকে হয়রানির জন্য ৩০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ এবং মামলা পরিচালনার খরচ বাবদ অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা অর্থাৎ মোট ৩৫ হাজার টাকা, প্রদানের নির্দেশ দেয়। আদেশের তারিখ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে এই অর্থ প্রদান করতে হবে। যদি রেলওয়ে এই সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদেশের তারিখ থেকে প্রকৃত অর্থ আদায়ের দিন পর্যন্ত বার্ষিক ১২ শতাংশ হারে সুদ প্রযোজ্য হবে এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই অর্থ আদায় করা যেতে পারে।

Advertisement

ট্রেন লেট হলে আপনিও কি পেতে পারেন ক্ষতিপূরণ?

সুতরাং, এই মামলাটি প্রমাণ করে যে, ট্রেন যদি দেরিতে চলে তাহলে যাত্রীরা ক্রেতা সুরক্ষা ফোরামের দ্বারস্থ হতে পারেন। এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট আর্থিক ক্ষতির প্রমাণ হিসেবে বিল বা ভাউচার দাখিল করার প্রয়োজন নেই। কেবল বিলম্বের কারণে হয়রানি বা অসুবিধার বিষয়টি দেখাতে পারলেই চলে। একই ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে, সেই যাত্রী অভিযোগ দায়ের করার বিষয়ে সহায়তার জন্য তাদের রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা হেল্পলাইন অথবা জাতীয় ক্রেতা সুরক্ষা হেল্পলাইন নম্বর ১৯১৫-এ যোগাযোগ করতে পারেন। 

Read more!
Advertisement
Advertisement