Advertisement

Tatkal Ticket Booking: এজেন্টরা কি আগে থেকে তৎকাল টিকিট বুক করে নেন? কী ভাবে মেলে 'কনফার্ম' টিকিট?

Train Tatkal Ticket: সাধারণ যাত্রীদের যেখানে টিকিট কাটতে গিয়ে নাভিশ্বাস ওঠে, সেখানে এজেন্টরা কী ভাবে অনায়াসে 'কনফার্ম' বা নিশ্চিত টিকিট বুক করে ফেলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 28 May 2026,
  • अपडेटेड 11:42 AM IST

রেলে তৎকাল টিকিট কাটা যেন এক দুঃসাধ্য কাজ। সমাজমাধ্যমে নিত্যদিন এই নিয়ে বিস্তর অভিযোগ জমা পড়ে যাত্রীদের। বাধ্য হয়ে অনেকেই অতিরিক্ত টাকা দিয়ে এজেন্টদের দ্বারস্থ হন। কিন্তু সাধারণ যাত্রীদের যেখানে টিকিট কাটতে গিয়ে নাভিশ্বাস ওঠে, সেখানে এজেন্টরা কী ভাবে অনায়াসে 'কনফার্ম' বা নিশ্চিত টিকিট বুক করে ফেলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। বিশেষ করে এজেন্টদের টিকিট কাটার সময় সীমা আলাদা হওয়া সত্ত্বেও এই সাফল্য কী ভাবে আসে? জেনে নিন এর নেপথ্যের আসল কারণ।

তৎকাল টিকিট বুকিংয়ে এজেন্টদের জন্য কী নিয়ম?

রেল মন্ত্রকের তরফ থেকে দেওয়া সরকারি তথ্য অনুযায়ী, তৎকাল টিকিটের একচেটিয়া বুকিং রুখতে কড়া পদক্ষেপ করেছে রেল। তৎকাল বুকিংয়ের উইন্ডো খোলার পর প্রথম ৩০ মিনিট অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্টরা কোনও টিকিট কাটতে পারেন না। অর্থাৎ:

এসি (AC) কামরা: সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এজেন্টদের টিকিট বুকিংয়ে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

নন-এসি (Non-AC) কামরা: বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এজেন্টরা টিকিট কাটতে পারেন না।

তা হলে কী ভাবে মেলে 'কনফার্ম' টিকিট?

স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন ওঠে, এজেন্টরা যদি সাধারণ যাত্রীদের আধ ঘণ্টা পর বুকিং করার সুযোগ পান, তবে তাঁরা নিশ্চিত টিকিটের গ্যারান্টি দেন কী করে? নিয়ম অনুযায়ী, রেলের তরফ থেকে এজেন্টদের জন্য আলাদা কোনও কোটা বা টিকিট কাটার ক্ষেত্রে বিশেষ কোনও সুবিধাও দেওয়া হয় না। এমনকি, গত বছরের ১৫ জুলাই থেকে প্যাসেঞ্জার রিজার্ভেশন সিস্টেম (PRS) কাউন্টার এবং অনুমোদিত এজেন্টদের মাধ্যমে তৎকাল টিকিট কাটার ক্ষেত্রে যাত্রীর মোবাইল নম্বরে ওটিপি (OTP) যাচাইকরণও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই পদ্ধতিটি যথেষ্ট সময়সাপেক্ষ।

এত কড়াকড়ির পরেও এজেন্টদের কনফার্ম টিকিটের প্রতিশ্রুতি স্বাভাবিক ভাবেই নানা মহলে সন্দেহ তৈরি করে। প্রকাশ্যে বা আইনি ভাবে এমন কোনও ব্যবস্থার কথা জানা যায় না, যা থেকে এই দ্রুত টিকিট পাওয়ার রহস্যভেদ হতে পারে।

Advertisement

তাহলে কীভাবে সম্ভব হয়?

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এজেন্টরা বিভিন্ন থার্ড-পার্টি টুল ও সফটওয়্যারের সাহায্য নেন:

অটো ফিল (Auto Fill) টুল: সাধারণ যাত্রীদের যেখানে নাম, বয়স ইত্যাদি তথ্য পূরণ করতে ৪০ থেকে ৬০ সেকেন্ড সময় লাগে, সেখানে প্রযুক্তির সাহায্যে এজেন্টরা মাত্র ৫-১০ সেকেন্ডের মধ্যেই ফর্ম পূরণ করে ফেলেন।

মাস্টার লিস্ট ও দ্রুত ইন্টারনেট: হাই-স্পিড ইন্টারনেটের পাশাপাশি তাঁরা আইআরসিটিসি-তে আগে থেকে তৈরি করে রাখা যাত্রীদের 'মাস্টার লিস্ট' ব্যবহার করেন, যা সময় বাঁচায়।

ক্যাপচা (Captcha) বাইপাস: ক্যাপচা পূরণের জন্যও বিশেষ টুলের ব্যবহার করা হয়ে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।

যদিও অবৈধ স্ক্রিপ্ট এবং অটোমেশন রুখতে আইআরসিটিসি (IRCTC)-র তরফ থেকে বর্তমানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) এবং অ্যান্টি-বট প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। তা সত্ত্বেও, ঠিক কোন পদ্ধতিতে এজেন্টরা নিশ্চিত টিকিট বের করে আনছেন, তা আজও বহুলাংশে অধরা। আর এই বিষয়টিই আইআরসিটিসি-র টিকিট বুকিং প্রক্রিয়ার সামগ্রিক স্বচ্ছতা নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলে দেয়।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement