
TVS NTORQ 150। হ্যাঁ, ঠিকই পড়লেন। এবার ১৫০ সিসির অপশন পাবেন জনপ্রিয় এনটর্ক স্কুটারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ‘হাইপার স্পোর্ট স্কুটার’ সেগমেন্টে পড়ছে। অনেকটা ইয়ামায়া এয়ারোক্স-এর মতো। তবে TVS-এর দাবি, এটিই দেশের প্রথম ১৫০ সিসি ‘হাইপার স্পোর্ট স্কুটার’। তরুণ প্রজন্মের রাইডারদের কথা মাথায় রেখেই তৈরি হয়েছে নতুন ক্যাম্পেন। পারফরম্যান্স, স্পিড এবং স্পোর্টি ডিজাইন; এই তিনকেই সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সংস্থার দাবি, নতুন TVS NTORQ 150 মাত্র ৬.৩ সেকেন্ডে ঘণ্টায় ০ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতি তুলতে সক্ষম। স্কুটারে রয়েছে Race এবং Street; এই দু’টি রাইডিং মোড। পাশাপাশি দেওয়া হয়েছে ট্র্যাকশন কন্ট্রোল এবং ABS-এর মতো আধুনিক সেফটি ফিচার। TVS-এর মতে, এটি ভারতের দ্রুততম ১৫০ সিসি স্কুটারগুলির অন্যতম।
স্কুটারটিতে ১০ PS-এর বেশি পাওয়ার দেওয়া হয়েছে। রেসিং প্রযুক্তি এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের সুবিধাকে একসঙ্গে মিলিয়েই এই নতুন মডেল তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থা। নতুন বিজ্ঞাপনে স্কুটারের ডিজাইন, প্রযুক্তি এবং রেস-অনুপ্রাণিত পারফরম্যান্সকেই বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। TVS এই ভাবনাকেই নাম দিয়েছে ‘Hyper Mindset’।
এই প্রসঙ্গে TVS Motor Company-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অনিরুদ্ধ হালদার বলেন, “TVS NTORQ তরুণ প্রজন্মের কাছে ইতিমধ্যেই একটি আইকনিক ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে। পারফরম্যান্স, স্টাইল এবং রাইডিং-এর আলাদা অনুভূতির কারণেই এই জনপ্রিয়তা। বহু বছর ধরে রেসট্র্যাকে আমাদের স্কুটার আধিপত্য দেখিয়েছে। সেই রেসিং ঐতিহ্য থেকেই জন্ম হয়েছিল TVS NTORQ 125-এর। এবার নতুন TVS NTORQ 150 সেই অভিজ্ঞতাকে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল।”
তিনি আরও জানান, নতুন বিজ্ঞাপনটি এমন ভাবেই তৈরি করা হয়েছে, যাতে প্রতিটি রাইডকেই ব্যক্তিগত রেসের মতো অনুভব হয়। অত্যাধুনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, রেসিং DNA এবং প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতাকেই সামনে আনা হয়েছে এই প্রচারে।
২০১৮ সালে বাজারে আসে NTORQ ব্র্যান্ড। TVS-এর দাবি, ভারতের প্রথম ব্লুটুথ-সংযুক্ত স্কুটার, ১০ PS-এর বেশি পাওয়ারযুক্ত প্রথম স্কুটার এবং Marvel-এর সঙ্গে বিশ্বের প্রথম স্কুটার সহযোগিতার মতো একাধিক নতুনত্ব এনেছিল এই ব্র্যান্ড। বাজারে আসার পর থেকেই Gen Z রাইডারদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে NTORQ।
বর্তমানে TVS Motor Company বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দু’চাকা এবং তিনচাকার গাড়ি নির্মাতা হিসাবে ব্যবসা চালায়। নতুন NTORQ 150 বাজারে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, এখন সেদিকেই নজর অটোমোবাইল মহলের।