Advertisement

WB Election 2026 Phase 2: দ্বিতীয় দফায় অলিগলিতেও ঘুরবে CAPF, বাইক রেডি করছে কমিশন

West Bengal Election 2026 Phase 2: ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার বিধানসভা ভোট। তার আগে নিরাপত্তা নিয়ে বিন্দুমাত্র ঝুঁকি নিতে নারাজ Election Commission of India। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্র অনুযায়ী নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করতে হবে।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্র অনুযায়ী নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্র অনুযায়ী নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করতে হবে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 26 Apr 2026,
  • अपडेटेड 5:49 PM IST
  • ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার বিধানসভা ভোট।
  • নিরাপত্তা নিয়ে বিন্দুমাত্র ঝুঁকি নিতে নারাজ Election Commission of India।
  • নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্র অনুযায়ী নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করতে হবে।

West Bengal Election 2026 Phase 2: ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার বিধানসভা ভোট। তার আগে নিরাপত্তা নিয়ে বিন্দুমাত্র ঝুঁকি নিতে নারাজ Election Commission of India। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্র অনুযায়ী নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। শুধু মেন রোড নয়, পাড়ার সরু অলি-গলিতেও থাকবে নজরদারি। এর জন্য মোটরসাইকেল চড়ে গলিতে টহল দেবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। এর মাধ্যমে 'এরিয়া ডমিনেশন' আরও জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উদ্দেশ্য একটাই। ভোটাররা যেন নির্ভয়ে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

রবিবার একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। সেখানে এই প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচনী আধিকারিক, শীর্ষ পুলিশ কর্তারা এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকরা। কলকাতার উত্তর, দক্ষিণ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার মোট ১৪২টি আসনে ভোটের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়।

১৬০টি মোটরবাইকে টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি বাইকে থাকবেন দু’জন করে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (CAPF) জওয়ান। দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিতে এই নতুন টহলদারি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি কোথায় কতটা ঝুঁকি রয়েছে, তার ভিত্তিতে ‘ভালনারেবিলিটি ম্যাপিং’ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন ও পুলিশের মধ্যে কোঅর্ডিনেশন বাড়ানোর ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে কলকাতা পুলিশের কমিশনার, বিভিন্ন জেলার জেলা নির্বাচন আধিকারিক, রিটার্নিং অফিসার, সাধারণ ও পুলিশ পর্যবেক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত এবং বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক এন কে মিশ্রও ছিলেন এই বৈঠকে।

এদিকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে গিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি স্পষ্ট করে জানান, “শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে হবে। ভুয়ো ভোট বা বুথ দখল কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। কেউ যদি ভোটারদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন, তবে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরও জানান, প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনী বুথে মোতায়েন থাকবে। ভোটকেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে কোনও অননুমোদিত ব্যক্তিকে থাকতে দেওয়া হবে না।

Advertisement

দ্বিতীয় দফার আগে একাধিক জেলায় এভাবেই প্রস্তুতি পর্যালোচনা করছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের লক্ষ্য, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা। ভোটের দিন যাতে কোনও অশান্তি না হয়, তার জন্য প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী ইতিমধ্যেই কড়া নজরদারি শুরু করেছে। 

Read more!
Advertisement
Advertisement