Advertisement

WB Government Employees Salary: অক্টোবরে কত টকা বেশি স্যালারি ঢুকবে রাজ্য সরকারি কর্মীদের অ্যাকাউন্টে? হিসেব দেখে নিন

রাজ্য সরকারি কর্মীদের পুজোর আগেই আগাম বেতন দেওয়া হবে এবার। সেই বেতনের সঙ্গে ২০ শতাংশ ডিএ যুক্ত করা হবে। আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে ডিএ-র হার বেড়ে ৩৮ শতাংশ হচ্ছে। আগেই সেই কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুজোর ছুটির আগেই কর্মীদের অ্যাকাউন্টে এই বর্ধিত ডিএ এবং অক্টোবর মাসের আগাম বেতন পৌঁছে যাবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বেসিক ৩০,০০০ হলে হাতে কত টাকা বেশি বেতন পাবেন? বেসিক ৩০,০০০ হলে হাতে কত টাকা বেশি বেতন পাবেন?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 10 Sep 2026,
  • अपडेटेड 11:13 AM IST


রাজ্য সরকারি কর্মীদের  পুজোর আগেই আগাম বেতন দেওয়া হবে এবার। সেই বেতনের সঙ্গে ২০ শতাংশ ডিএ যুক্ত করা হবে।  আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে ডিএ-র হার বেড়ে ৩৮ শতাংশ হচ্ছে। আগেই সেই কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুজোর ছুটির আগেই কর্মীদের অ্যাকাউন্টে এই বর্ধিত ডিএ এবং অক্টোবর মাসের আগাম বেতন পৌঁছে যাবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

কবে নাগাদ অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা?
পয়লা অক্টোবর থেকে কার্যকর হলেও, মাসের ১ তারিখে কিন্তু পাবেন না ডিএ ও অগ্রিম বেতন। তবে পুজোর ছুটির আগেই সরকারি কর্মীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ডিএ ও অগ্রিম বেতন। সাধরণত, প্রতি মাসের শেষ ওয়ার্কিং ডে’তে রাজ্য কর্মীদের বেতন হয়ে থাকে। আর মাসের পয়লা তারিখে বেতন পান শিক্ষক, শিক্ষিকারা। অক্টোবর মাসেও তাই চালু থাকবে। সঙ্গে ওই মাসেই পাবেন অগ্রিম বেতন। আগামী ১৫ অক্টোবর থেকেই সরকারি অফিস বন্ধ থাকবে দুর্গাপুজো উপলক্ষে। ছুটির আগেই অর্থাৎ ১৩ বা ১৪ অক্টোবর নাগাদ অগ্রিম বেতন ঢুকবে সরকারি কর্মীদের অ্যাকাউন্টে। এই অগ্রিম বেতনের সঙ্গেই সরকারি কর্মীদের অ্যাকাউন্টে বেতনের ৩৮ শতাংশ ডিএ ঢুকবে। শিক্ষক, শিক্ষিকারাও সেই সময়েই অগ্রিম বেতন ও ডিএ পাবেন। 

কারা পাচ্ছেন এই বর্ধিত বেতন?
সরকার কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংশোধিত মূল বেতনের ৩৮ শতাংশ হারে ডিএ কার্যকর হবে ১ অক্টোবর থেকে। অর্থাৎ অক্টোবর মাস থেকেই বেতনের সঙ্গে এই বর্ধিত মহার্ঘ ভাতার হিসেব যুক্ত হবে। শুধু রাজ্য সরকারি কর্মীরাই নন, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার নির্দিষ্ট কর্মীরাও এই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। প্রসঙ্গত, রাজ্যের সরকারি কর্মী, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী, বিভিন্ন স্ট্যাটিউটরি বডি, সরকারি সংস্থা, পঞ্চায়েত কর্মী, পুরসভা ও পুরনিগমের কর্মী এবং রাজ্য সরকারি পেনশনভোগী ও পারিবারিক পেনশনভোগীদের জন্য মহার্ঘ ভাতা ও মহার্ঘ ত্রাণ বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অর্থ দফতরের অডিট শাখা এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে রাজ্য সরকারি কর্মীরা মূল বেতনের ৩৮ শতাংশ হারে ডিএ পাবেন। একই হারে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্ট্যাটিউটরি বডি, সরকারি সংস্থা, পঞ্চায়েত, পুরসভা ও অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার কর্মীদেরও ডিএ দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দফতরগুলি পৃথকভাবে অনুমোদন জারি করতে পারবে। এছাড়াও, রাজ্য সরকারি পেনশনভোগী ও পারিবারিক পেনশনভোগীদের জন্যও ৩৮ শতাংশ হারে ডিআর কার্যকর হবে ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে। একই সুবিধা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্ট্যাটিউটরি বডি, সরকারি সংস্থা, পঞ্চায়েত ও পুরসভার অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

Advertisement

কত টাকা অতিরিক্ত পাবেন অক্টোবরের বেতনে?
এই অতিরিক্ত ২০ শতাংশ ডিএ কেবল কর্মীদের সংশোধিত বেসিক পে (Revised Basic Pay)-এর ওপর হিসাব করা হবে। অন্যান্য কোনও ভাতা এতে যুক্ত হবে না। হিসাব অনুযায়ী:

  • যাঁদের বেসিক পে ৩০,০০০ টাকা, তাঁরা এতদিন ১৮% হারে পেতেন ৫,৪০০ টাকা। এবার ৩৮% হারে পাবেন ১১,৪০০ টাকা। ফলে প্রতি মাসে সরাসরি তাঁদের আয় বাড়বে ৬,০০০ টাকা।
  • যাঁদের বেসিক পে ৪০,০০০ টাকা, তাঁরা এতদিন ১৮% হারে পেতেন ৭,২০০ টাকা এবং এখন পাবেন ১৫,২০০ টাকা। অর্থাৎ অতিরিক্ত বাড়বে ৮,০০০ টাকা।
  • বেসিক পে ৫০,০০০ টাকা থাকলে কর্মীরা আগে ৯,০০০ টাকা পেতেন, নতুন হারে পাবেন ১৯,০০০ টাকা। ফলে তাঁদের আয় বৃদ্ধি পাবে ১০,০০০ টাকা।
  • ৬০,০০০ টাকা বেসিক বেতনের কর্মীরা এতদিন ১৮% হারের হিসেবে ১০,৮০০ টাকা পাচ্ছিলেন, এবার থেকে পাবেন ২২,৮০০ টাকা। অর্থাৎ তাঁদের হাতে অতিরিক্ত আসবে ১২,০০০ টাকা।

সেপ্টেম্বরে বকেয়া দেওয়া হচ্ছে
একই হারে রাজ্য সরকারের পেনশনভোগী এবং ফ্যামিলি পেনশনভোগীদের ডিয়ারনেস রিলিফ (DR) দেওয়া হবে। নতুন বর্ধিত ডিএ ছাড়াও সেপ্টেম্বর মাসেই ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ-র দ্বিতীয় কিস্তি দেওয়া হচ্ছে। তবে এই বকেয়া টাকা সকলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি যাচ্ছে না; গ্রুপ-এ, বি এবং সি কর্মীদের ক্ষেত্রে তা জিপিএফ (GPF) অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। শুধুমাত্র গ্রুপ-ডি কর্মী এবং বর্তমান পেনশনভোগীরা এই বকেয়া অর্থ সরাসরি নগদ আকারে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাচ্ছেন।

সপ্তম পে কমিশনের কাজ শুরু
 পূর্বে দেওয়া প্রতিশ্রুতি মতোই  সপ্তম পে কমিশনের ঘোষণা করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। নতুন বেতন কমিশন কার্যকর করার লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপও নিতে শুরু করে দিয়েছে সরকার। আগামী বছরের শুরুর মধ্যে নয়া কমিশন কার্যকর করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে উৎসাহ তুঙ্গে। এরই মধ্যে নয়া পে কমিশন নিয়ে বড় বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে নিজেদের দাবি, বক্তব্য, মতামত এবং বিভিন্ন প্রস্তাব জানানোর জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সরকারি ওয়েবসাইট চালু করার কথা জানিয়েছে রাজ্য। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মেমোরান্ডাম ও সাজেশন জমা দেওয়ার মডিউল কার্যকর হয়েছে। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে সংগঠন, সংস্থা, দফতর থেকে শুরু করে কর্মী বা অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরাও নিজেদের মতামত জানাতে পারবেন। ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট মডিউলের মাধ্যমে বেতন, ভাতা, পদোন্নতি, অবসরকালীন সুবিধা ইত্যাদি বিষয়ে তাদের মতামত জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের কাছে। জোর কদমে নয়া পে কমিশনের কাজ চলায় স্বাভাবিকভাবে খুশি সরকারি কর্মচারীদের একটা বড় অংশও। 

Read more!
Advertisement
Advertisement