
১ অগাস্ট থেকে পশ্চিমবঙ্গে চালু হয়ে গিয়েছে পিঙ্ক কার্ড। এখন থেকে এই কার্ড থাকলেই মহিলারা ফ্রিতে সরকারি বাসে যাতায়াত করতে পারবেন। নইলে বাসে টাকা দিয়েই চড়তে হবে। তবে মুশকিল হল, এখনও অনেক মহিলাই জানেন না যে পিঙ্ক কার্ড তৈরির জন্য কোন কোন ডকুমেন্টস লাগবে? কোথায় গিয়ে বানাতে হবে এই কার্ড? আর সেই সব তথ্য জানাতেই আজকের এই নিবন্ধ।
পিঙ্ক কার্ড বিষয়টা কী?
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের আগেই বিজেপি অনেকগুলি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তার মধ্যে একটি ছিল সরকারি বাসে মহিলাদের পরিষেবা ফ্রি। আর বাংলায় ক্ষমতা দখলের পর সেই কথা রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই মতো বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরই বিনামূল্য়ে যাতায়াত ফ্রি হয়ে গিয়েছে মহিলাদের জন্য়।
এতদিন পর্যন্ত অবশ্য বাসে যাতায়াতের জন্য কোনও আলাদা কার্ড লাগত না। বরং বাসে উঠে আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড দেখালেই মিটে যেত সমস্যা। এভাবেই কয়েক মাস বাসে ফ্রি যাত্রা করেছেন মহিলারা।
তবে ১ অগাস্ট থেকে বদলে গিয়েছে নিয়ম। এরপর থেকে পিঙ্ক কার্ড চালু হয়েছে। এখন থেকে এই কার্ড দেখিয়েই বাসে উঠতে হবে। নইলে হয়তো মিলবে না ফ্রিতে পরিষেবা। যদিও চাইলে সবাই এই কার্ড বানাতে পারবেন না। তার জন্য নির্দিষ্ট কিছু নথি থাকা প্রয়োজন।
কোন কোন ডকুমেন্ট থাকলে বানানো যাবে পিঙ্ক কার্ড?
১. আধার কার্ড থাকতেই হবে।
২. ভোটার কার্ড থাকাও মাস্ট।
৩. পশ্চিমবঙ্গের ২০২৬ এসআইআর তালিকায় নাম থাকতে হবে।
৪. স্ট্যাম্প সাইজের ছবি বা ডিজিটাল ছবি থাকা মাস্ট।
৫. চালু থাকা মোবাইল নম্বর লাগবে।
কীভাবে বানাবেন এই কার্ড?
এই কার্ড বানানো কঠিন কোনও কাজ নয়। বরং খুব সহজেই পিঙ্ক কার্ড বানিয়ে ফেলতে পারেন। এক্ষেত্রে অনলাইন এবং অফলাইন, দুইভাবেই বানান যাবে কার্ড। আসুন নিয়মটা জেনে নেওয়া যাক।
অনলাইনে আবেদন কীভাবে?
অফলাইনেও করা যাবে আবেদন
পঞ্চায়েতেরে বাসিন্দাদের বিডিও অফিসে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আর পুর এলাকার বাসিন্দাদের পুরসভায় গিয়ে করতে হবে আবেদন। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করে জমা দিন। তারপর হবে ভেরিফিকেশন। সবকিছু ঠিক থাকলে কার্ড ইস্যু হয়ে যাবে।
এই কার্ড না থাকলেই টাকা লাগবে?
এখনও এমন কোনও তথ্য সরকারের পক্ষ থেকে সামনে আসেনি। তবে পিঙ্ক কার্ড যে লাগবে, সেটা নিশ্চিত। কিন্তু যাঁদের এই কার্ড এখনও হয়নি, তাঁদের টিকিট কাটা বাধ্যতামূলক কি না পরিষ্কার নয়।