Advertisement

Loan Paying Rule: এই ৩ কারণে লোন শোধ করতে না পারলে জেল হবে না, নিয়মটা জানুন

আজকাল অনেকেই বাড়ি করতে, ব্যবসা শুরু করতে বা নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে লোন নেন। তবে, কখনও কখনও এই পরিস্থিতি তৈরি হয় যেখানে তারা সময়মতো ঋণ পরিশোধ করতে পারেন না। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি হল: ঋণ পরিশোধ না করার কারণে কি কারাদণ্ড হতে পারে? পাতিয়ালা আদালতের আইনজীবী মাহমুদ আলম ব্যাখ্যা করেন, যদি কোনও প্রকৃত কারণে—যেমন চাকরি হারানো, ব্যবসায়িক ক্ষতি বা অসুস্থতার কারণে ঋণ পরিশোধে অক্ষম হন, তবে বিষয়টি দেওয়ানি হিসেবে বিবেচিত হয়, ফৌজদারি হিসেবে নয়। এটি কোনও অপরাধ নয়।

হোম লোনহোম লোন
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 18 Apr 2026,
  • अपडेटेड 5:26 PM IST

আজকাল অনেকেই বাড়ি করতে, ব্যবসা শুরু করতে বা নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে লোন নেন। তবে, কখনও কখনও এই পরিস্থিতি তৈরি হয় যেখানে তারা সময়মতো ঋণ পরিশোধ করতে পারেন না। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি হল: ঋণ পরিশোধ না করার কারণে কি কারাদণ্ড হতে পারে? পাতিয়ালা আদালতের আইনজীবী মাহমুদ আলম ব্যাখ্যা করেন, যদি কোনও প্রকৃত কারণে—যেমন চাকরি হারানো, ব্যবসায়িক ক্ষতি বা অসুস্থতার কারণে—ঋণ পরিশোধে অক্ষম হন, তবে বিষয়টি দেওয়ানি হিসেবে বিবেচিত হয়, ফৌজদারি হিসেবে নয়। এটি কোনও অপরাধ নয়।

কোম্পানি জেলে পাঠাতে পারে না
মাহমুদ আলম ব্যাখ্যা করেন, এই পরিস্থিতিতে ব্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান আদালতে মামলা করতে পারে, কিন্তু তাদের উদ্দেশ্য জেলে পাঠানো নয়। তারা তাদের টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য আইনি উপায় অবলম্বন করে, যেমন সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা বা কিস্তিতে টাকা আদায় করা। যদি কোনও প্রতারণা না করে থাকেন, তবে শুধু ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে কারাদণ্ড হয় না। অন্যদিকে, ঋণ নেওয়ার সময় যদি মিথ্যে তথ্য দিয়ে থাকেন, জাল কাগজপত্র জমা দিয়ে থাকেন, বা আয় সম্পর্কে মিথ্যা বলে থাকেন, তবে এটিকে প্রতারণা হিসেবে গণ্য করা হয়। এক্ষেত্রে, মামলাটি দেওয়ানির চেয়ে ফৌজদারি হয়ে দাঁড়ায়। এই পরিস্থিতিতে, ব্যাঙ্ক পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করতে পারে। দোষী প্রমাণিত হলে কারাদণ্ড হতে পারে।

ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়া 
এছাড়াও 'ইচ্ছাকৃত খেলাপী' (willful defaulter) নামে একটি পরিভাষা রয়েছে, যার অর্থ এমন ব্যক্তি যিনি ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন। ধরুন, আপনার কাছে টাকা আছে, কিন্তু আপনি ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণ পরিশোধ করছেন না। সম্পদ গোপন করছেন, বা ব্যাককে এড়ানোর চেষ্টা করছেন, এটিও একটি গুরুতর বিষয় হতে পারে। এই পরিস্থিতিতেও আপনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। আইনজীবীর মতে, টাকা পরিশোধ না করা এবং দেওয়ানি মামলার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য করে, যার ফলে কারাদণ্ড হয় না। অন্যদিকে, ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়া বা প্রতারণা করা একটি ফৌজদারি মামলা, যার ফলে কারাদণ্ড হতে পারে।

Advertisement

যদি আর্থিক সংকটে থাকেন এবং ঋণ পরিশোধ করতে না পারেন, তবে ব্যাঙ্কের সঙ্গে কথা বলাই সবচেয়ে ভালো উপায়। ব্যাঙ্কগুলো প্রায়শই আপনাকে সময় দিতে পারে, ইএমআই কমাতে পারে, অথবা একটি নতুন পরিশোধ পরিকল্পনা তৈরি করে দিতে পারে।

মোটের উপর, ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়া সবসময় অপরাধ নয়। যদি উদ্দেশ্য সৎ থাকে এবং আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেন, তবে জেল হবে না। তবে, যদি প্রতারণা করে থাকেন বা ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হন, তাহলে আইনি ব্যবস্থা এবং কারাদণ্ড উভয়ই হতে পারে। তাই, সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হল সর্বদা সঠিক তথ্য প্রদান করা, বিচক্ষণতার সঙ্গে ঋণের বিষয়টি বিবেচনা করা এবং সময়মতো অর্থ পরিশোধ করা।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement