
অন্নপূর্ণা যোজনায় ১ জুলাই অনেকেই ৩০০০ টাকা পাননি। কিছু ক্ষেত্রে হয়নি ভ্যারিফিকেশন। আবার কিছু ক্ষেত্রে প্রথমে রিজেক্ট, তারপর আন্ডার ইনকোয়ারি হয়ে রিচেক করার কাজ চলছে। এখন প্রশ্ন হল, এই ভেরিফিকেশনের কাজ কবে শেষ হবে? কবে আবার মিলবে টাকা? আর এই বিষয়টা ইতিমধ্যেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে।
কবে শেষ হবে ভেরিফিকেশন?
যতদূর খবর, প্রশাসনের শীর্ষ স্তর থেকে ১০ জুলাইয়ের মধ্যে ভেরিফিকেশন শেষ করার কথা বলা হয়েছে। আর ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে সমস্ত তথ্য আপলোড করা হবে। তারপর টাকা দেওয়ার কাজ শুরু হবে।
মাথায় রাখতে হবে, ১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় ৩০০০ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। তখন অনেকেই পাননি। তাঁদের আবেদন রিজেক্টেড হয়ে যায়। যদিও বহু ক্ষেত্রে রাতারাতি সেই রিজেক্টেড স্টেটাস বদলে আন্ডার ইনকোয়ারি হয়ে যায়।
এমন পরিস্থিতিতে খবর মেলে, যাঁদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে, তাঁদের আবেদনগুলি আবার খতিয়ে দেখবে সরকার। সেই মতো বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভেরিফেকনশন করা হবে। পুরসভা, পঞ্চায়েতের লোকজনই বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই ভেরিফিকেশন করবেন বলে জানা যায়।
এই ভেরিফিকেশনের সময় নির্দিষ্ট কিছু ডকুমেন্ট দেখতে চাওয়া হচ্ছে। এমনকী কিছু ক্ষেত্রে আরও কিছু বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আর এই ভেরিফিকেশনই ১০ জুলাই, অর্থাৎ শুক্রবারের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা। তারপর ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে সেই তথ্য আপলোড করা হবে।
অনেকেই চিন্তায়
খাতায় কলমে শুরু হয়ে গিয়েছে ভেরিফিকেশন। অনেক জায়গায় রীতিমতো হচ্ছে কাজ। যদিও কিছু কিছু জায়গায় এখনও এই কাজ শুরু হয়নি বলে অভিযোগ করছেন মহিলারা। তাঁদের দাবি, কোনও আধিকারিক তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। তাঁদের বাড়িতেও কেউ আসেননি। আর সেই কারণেই চিন্তা বাড়ছে একাংশের মহিলাদের মধ্যে।
যদিও প্রশাসনের তরফে দাবি করা হচ্ছে, অনেক জায়গাতেই কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। কিছু জায়গায় একবারে শেষের পথে। তাই চিন্তার কিছু নেই। যাঁরা যোগ্য তাঁরা ঠিক টাকা পাবেন।
আবার টাকা মিলবে কবে?
যতদূর খবর, ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে তথ্য আপলোডে কাজ শেষ হয়ে যাবে। এরপরই শুরু হবে নতুন করে টাকা দেওয়ার কাজ। এক্ষেত্রে ২০ জুলাই আবার টাকা দেওয়া হতে পারে।
এডিট অপশন আসছে...
অনেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম জমা দেওয়ার সময় কিছু ভুল করে থাকতে পারেন। আর এই বিষয়টা বুঝেছে সরকার। তাই এবার বিরাট বদল আনা হচ্ছে ফর্মের ক্ষেত্রে। এবার থেকে অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন ফর্মে করা যাবে এডিট। কিছু ভুল থাকলে শুধরে নেওয়া যাবে বলেই খবর।