
ধুরন্ধর সিনেমা নিয়ে শোরগোল এখনও চলছে। আদিত্য ধরের সিনেমা নিয়ে উন্মাদনা এখনও কমেনি। এরইমধ্যে সোশ্য়াল মিডিয়ায় সাড়া ফেলেছে ধুরন্ধর খ্যাত 'নোনতা চা'-এর দোকান। সিনেমায় পাকিস্তানের লিয়ারি টাউনে এই চা-এর দোকান দেখানো হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে এই চা দোকান দেখা গেল ভারতেই!
লাদাখের রাস্তায় ঘুরতে গিয়ে এক বাঙালি কন্টেন্ট ক্রিয়েটর অপ্রত্যাশিতভাবে এই চা-এর দোকানটি দেখতে পান। আইকনিক ‘ধুরন্ধর চায়ের দোকান’ হিসেবে চিনতে পেরে তিনি রীতিমতো উচ্ছ্বসিত।
সৌম্য চট্টোপাধ্যায় নামে ওই বাঙালি যুবক সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় ওই চায়ের দোকানের ভিডিওটি শেয়ার করেছেন। ওই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে ধুরন্ধর সিনেমায় দেখানো ভাইরাল 'নোনতা' চা-এর দোকান আদতে কেমন দেখতে।
লাদাখের বাজারের গলির মধ্যে থাকা ‘ওয়াশমা বাট’ নামের ওই চায়ের দোকানে ঢোকেন সৌম্য। জায়গাটি ঘুরে দেখতে দেখতে নেটিজেনদের দোকানের ভিতরটি দেখান তিনি। একইসঙ্গে জানান, একটি নতুন নিয়মের কথাও। এই দোকানে গেলে চা পাওয়া যাবে ঠিকই। কিন্তু দোকানের মধ্যে বসে তাড়িয়ে তাড়িয়ে সিনেমার আমেজ উপভোগ করতে চাইলে অর্ডার করতে হবে কমপক্ষে ২টি চা। এমনকি একা গেলেও দু'টি চাই অর্ডার করতে হবে।
দোকানদারের থেকে সৌম্য জানতে পারেন ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার পর এই নিয়ম করা হয়েছে। যাতে গ্রাহকেরা দোকানটি পুরোপুরি উপভোগ করতে পারেন। ইনফ্লুয়েন্সার সেই দোকানটিরও এক ঝলক দেখিয়েছেন, যেখানে হামজা ও আলমের মধ্যকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যের শুটিং করা হয়েছিল।
যদিও এই দোকানের চা সত্যিই নোনতা কিনা, তা সৌম্য নিজের ভিডিওতে বলেননি। তবে নেটিজেনরা দোকানটি দেখে রীতিমতো আপ্লুত। ফলে আগামীদিনে ‘ওয়াশমা বাট’ নামের ওই চায়ের দোকানে ভিড় যে আরও বাড়বে তা বলাই বাহুল্য।
এই চা-এর দোকানটি ধুরন্ধর সিনেমায় কীভাবে দেখানো হয়েছিল?
ধুরন্ধর সিনেমায় দেখানো হয়েছিল এই চা-এর দোকানটি পাকিস্তানে অবস্থিত। সেখানকার একটি ইমোশনাল মুহূর্ত পর্দায় ফুটিয়ে তোলা হয়। হামজা ও আলমকে দেখা যায় দোকানে বসে নোনতা চা খেতে। পার্ট টু-তেও এই দোকানটির ইমোশনাল মুহূর্ত রয়েছে। ফলো দোকানটির খোঁজ পেতেই তা ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।