Advertisement

Transport Minister: 'খুচরো নেই তো উঠলেন কেন?' পরিবহন মন্ত্রীকে চিনতে না পেরে ঘাড়ধাক্কা কন্ডাক্টরের

'খুচরো নেই তো বাসে উঠলেন কেন?' বাসে উঠে অনেকই কন্ডাক্টরের কাছে এমন মুখ-ঝামটা খেয়েছেন। সাধারণ নিত্যযাত্রীদের ক্ষেত্রে না হয় ব্যাপারটা তাও মানা গেল। তবে কন্ডাক্টরের বকুনি থেকে রেহাই পেলেন না খোদ পরিবহন মন্ত্রীও।

কন্ডাক্টরের বকুনি থেকে রেহাই পেলেন না খোদ পরিবহন মন্ত্রীও। কন্ডাক্টরের বকুনি থেকে রেহাই পেলেন না খোদ পরিবহন মন্ত্রীও।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 12 Jul 2026,
  • अपडेटेड 3:54 PM IST
  • 'খুচরো নেই তো বাসে উঠলেন কেন?' বাসে উঠে অনেকই কন্ডাক্টরের কাছে এমন মুখ-ঝামটা খেয়েছেন।
  • কন্ডাক্টরের বকুনি থেকে রেহাই পেলেন না খোদ পরিবহন মন্ত্রীও।
  • ১০০ টাকার নোট দিতেই মন্ত্রীমশাইকে বাস থেকে নেমে যেতে বললেন কন্ডাক্টর।

'খুচরো নেই তো বাসে উঠলেন কেন?' বাসে উঠে অনেকই কন্ডাক্টরের কাছে এমন মুখ-ঝামটা খেয়েছেন। সাধারণ নিত্যযাত্রীদের ক্ষেত্রে না হয় ব্যাপারটা তাও মানা গেল। তবে কন্ডাক্টরের বকুনি থেকে রেহাই পেলেন না খোদ পরিবহন মন্ত্রীও। ১০০ টাকার নোট দিতেই মন্ত্রীমশাইকে বাস থেকে নেমে যেতে বললেন কন্ডাক্টর। ঘটনাটি কর্ণাটকের। সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে এই ঘটনার ভিডিও। বিষয়টি দেখে অনেকেই মুচকি হাসছেন। আবার অনেকে বলছেন, 'বাজারে খুচরোর প্রবলেমটা আশা করি এবার বড়কর্তাদের কানে পৌঁছবে।'
মুখে মাস্ক পরে বাসে উঠেছিলেন কর্ণাটকের পরিবহন মন্ত্রী বাইরতি সুরেশ(Byrathi Suresh)। ঘণ্টা দুয়েকের জন্য শহরের ১০টিরও বেশি সরকারি বাসে সাধারণ মানুষের মতো যাতায়াত করেন। আর এই ছদ্মবেশী অপারেশনের জেরেই সরকারি বাস কর্মীদের একাংশের চরম ঔদ্ধত্য এবং যাত্রী হয়রানি টের পেলেন সুরেশ।

‘খুচরো নেই, বাস থেকে নামুন!’ কন্ডাক্টরের নিদানে মন্ত্রীর চোখ কপালে
হেব্বাল থেকে নাগাশেট্টিহল্লিগামী একটি সরকারি বাসে উঠেছিলেন সুরেশ। সাধারণ যাত্রীর মতোই বাসে উঠে টিকিট কাটার জন্য কন্ডাক্টরের হাতে একটি ১০০ টাকার নোট তুলে দেন। কিন্তু কন্ডাক্টর সাফ জানিয়ে দেন, তাঁর কাছে খুচরো টাকা নেই। মন্ত্রী অন্য কোনও উপায় খোঁজার আগেই কন্ডাক্টর তাঁকে টিকিট না দিয়ে সরাসরি বাস থেকে নেমে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

কন্ডাক্টর বুঝতেও পারেননি যে, যাঁর সঙ্গে তিনি এই দুর্ব্যবহার করছেন; তিনি তাঁরই দফতরের হর্তা-কর্তা-বিধাতা।

শুধু বেঙ্গালুরু নয়। দেশের প্রায় সর্বত্রই বাসে খুচরোর সমস্যা রয়েছে। তার কন্ডাক্টর ও সাধারণ যাত্রী উভয়কেই সমস্যায় পড়তে হয়। এই ঘটনা তারই অকাট্য প্রমাণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

স্টপে দাঁড়ায়নি বাস, সঙ্গে সঙ্গে চালক ও কন্ডাক্টর বরখাস্ত
দুই ঘণ্টার সফরে শুধু খুচরো বিতর্কই নয়। বাস কর্মীদের চূড়ান্ত গাফিলতির চিত্রও সামনে এসেছে। একটি রুটের বিএমটিসি বাস নির্দিষ্ট স্টপেজ থাকা সত্ত্বেও এবং এক যাত্রী নামার জন্য বারবার বলা সত্ত্বেও বাস স্টপেজে গাড়ি না থামিয়ে স্পিড বাড়িয়ে এগিয়ে যায়। সে সময় পরিবহন মন্ত্রী নিজেই সেই বাসে ছিলেন। গোটা বিষয়টি চাক্ষুষ করেন। বাস থেকে নামার পরেই দফতরের শীর্ষ কর্তাদের নির্দেশ দিয়ে ওই বাসের চালক এবং কন্ডাক্টর;  দু’জনকেই তৎক্ষণাৎ সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেন বাইরতি সুরেশ।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement