Advertisement

Kissing Car: গার্লফ্রেন্ডের প্রায় সাড়ে ৩ হাজার চুমু, পুলিশ সাড়ে ৫ হাজার টাকা ফাইন করল, কেন?

Kissing Car Fine: সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার চক্করে নিজের গার্লফ্রেন্ডকে দিয়ে ৩৪০০ চুমুর দাগ দেওয়ালেন যুবক। কিন্তু শেষে গুনতে হল পুলিশের জরিমানা।

গাড়ি জুড়ে বান্ধবীর ৩৪০০ চুমু, কেন পাকড়াও করে ৫৫০০ টাকা ফাইন করল পুলিশ?গাড়ি জুড়ে বান্ধবীর ৩৪০০ চুমু, কেন পাকড়াও করে ৫৫০০ টাকা ফাইন করল পুলিশ?
Aajtak Bangla
  • গোয়ালিয়র,
  • 25 Aug 2026,
  • अपडेटेड 5:27 PM IST
  • উদ্দেশ্য ছিল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া, ফলোয়ার ও লাইক, শেয়ার বাড়ানো।
  • গাড়িতে কয়েক হাজার ঠোঁটের চুমু-র দাগ নিয়ে ভাইরাল হতে গিয়ে ফাইন দিতে হল যুবককে।
  • বান্ধবীকে দিয়ে নিজের গাড়িতে ৩৪০০টি লিপিস্টিকের 'কিস' -এর দাগ ফেলে সে।

উদ্দেশ্য ছিল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া, ফলোয়ার ও লাইক, শেয়ার বাড়ানো। কিন্তু এই কাজ করতে গিয়ে পুলিশের চালানের খপ্পরে পড়লেন মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রের এক যুবক। গাড়িতে কয়েক হাজার ঠোঁটের চুমু-র দাগ নিয়ে ভাইরাল হতে গিয়ে ফাইন দিতে হল যুবককে। 

জানা গিয়েছে, যুবকের নাম আদিত্য শিকারওয়ার। সে নিজের নতুন আইডি ভাইরাল  করতে এই পরিকল্পনা করেছিল। প্রথমে এক কলেজের বান্ধবীকে দিয়ে নিজের গাড়িতে ৩৪০০টি লিপিস্টিকের 'কিস' -এর দাগ ফেলে সে। এরপর সেই গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়ে রাস্তায়। তাঁর গাড়ি দেখে ঘুরে ঘুরে তাকাতে শুরু করেন স্থানীয়রা। আর সেই চমকে যাওয়ার ভিডিও-ই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছাড়ে আদিত্য। মুহূর্তে পরিকল্পনা সফল। ভাইরাল হয়ে যায় আদিত্যর অ্যাকাউন্ট। কিন্তু গল্পের এখানেই শেষ নয় বরং শুরু।

শুধু যে সাধারণ মানুষ নেটিজেন হিসেবে এই ভিডিও দেখে, তা নয়। চুমুর দাগওয়ালা গাড়ির ওই VIDEO নজর কাড়ে ট্রাফিক পুলিশেরও। আর তারপরে যা হওয়ার তাই হল। গাড়িটি ট্র্যাক করে আদিত্যর খোঁজ মেলে। তাঁর ঠিকানায় গিয়ে সোজা গাড়িটি তুলে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। একইসঙ্গে ফাইন করা হয় ৫৫০০ টাকা। আর আদিত্যকে নিজের হাতে ঘষে ঘষে তুলতে হয় কিস-এর দাগ।

কেন ফাইন নেওয়া হল?

মোটর ভেহিক্যাল অ্যাক্ট অনুযায়ী,  কোনও বাহ্যিক উপাদান দিয়ে গাড়ি ঢেকে দেওয়া বা কোনও অনুমোদনহীন পরিবর্তনের মাধ্যমে গাড়ির নকশা পরিবর্তন করা বেআইনি। একইসঙ্গে কোনও গাড়ির পরিচয়, সিকিউরিটি বা রাস্তায় চলার যোগ্যতাকে প্রভাবিত করে এমন কোনও পরিবর্তন করাও আইনত দণ্ডনীয়।

পুলিশ জানিয়েছে ভাইরাল ভিডিওতে গাড়িটি খুব দ্রুত গতিতে চালানো হচ্ছিল। এছাড়াও, গাড়িটির বিভিন্ন অংশে লিপস্টিকের অসংখ্য দাগ দেওয়া হয়েছিল, যা এর মূল নকশাকে পরিবর্তন করে দিয়েছে। এছাড়াও, বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানো ও  তার ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হলে স্বাভাবিক ভাবেই পুলিশ অ্যাকশন নেয়। এক্ষেত্রেও ট্রাফিক পুলিশ এই মামলায় বিভিন্ন ধারায় প্রায় ৫,৫০০ টাকার চালান জারি করে।

Advertisement

পুলিশি পদক্ষেপের পর আদিত্য নিজের ভুল স্বীকার করে জরিমানার টাকা দিয়ে দেন। লিপস্টিকের দাগ পরিষ্কার করার জন্য থানা চত্বরেই নিজে গাড়িটি ধুয়ে নেন। একইসঙ্গে এই ঘটনার পর আদিত্য নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটিও ব্লক করে দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement