Advertisement

'Salary-ইনক্রিমেন্ট দিতেই হবে,' আন্দোলন Private কর্মীদের, ভাঙচুর-গাড়িতে আগুন

মাইনে বাড়াতে হবে। ছুটির দিনে কাজ করলে ডবল টাকা চাই। এমনই বেশ কিছু দাবি নিয়ে রীতিমতো আন্দোলনে নেমেছিল নয়ডায় বেসরকারি কর্মীদের সংগঠন। তবে দিন দুই যেতে না যেতেই শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভই পরিণত হল রণক্ষেত্রে।

দাবি নিয়ে রীতিমতো আন্দোলনে নেমেছিল নয়ডায় বেসরকারি কর্মীদের সংগঠন। দাবি নিয়ে রীতিমতো আন্দোলনে নেমেছিল নয়ডায় বেসরকারি কর্মীদের সংগঠন।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 13 Apr 2026,
  • अपडेटेड 12:26 PM IST
  • মাইনে বাড়াতে হবে, ছুটির দিনে কাজ করলে ডবল টাকা চাই।
  • এমনই বেশ কিছু দাবি নিয়ে রীতিমতো আন্দোলনে নেমেছিল নয়ডায় বেসরকারি কর্মীদের সংগঠন।
  • প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কাটেনি।

মাইনে বাড়াতে হবে। ছুটির দিনে কাজ করলে ডবল টাকা চাই। এমনই বেশ কিছু দাবি নিয়ে রীতিমতো আন্দোলনে নেমেছিল নয়ডায় বেসরকারি কর্মীদের সংগঠন। তবে দিন দুই যেতে না যেতেই শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভই পরিণত হল রণক্ষেত্রে। পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর, একাধিক গাড়িতে আগুন লাগানো; সব মিলিয়ে মুহূর্তে অশান্ত হয়ে উঠল এলাকা। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কাটেনি। ঘটনাটি নয়ডার ফেজ-২ এলাকার। গত তিন দিন ধরে সেখানে বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের অবস্থান-বিক্ষোভ চলছিল। সোমবার সকালে পরিস্থিতি আচমকাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নেমে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। অভিযোগ বিক্ষোভকারীরা পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালান। শুধু তাই নয়, একাধিক গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সেক্টর-৮৪ এলাকায় দু’টি গাড়িতে আগুন লাগানো হয়। অন্যদিকে ফেজ-২-এর বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ চালাতে থাকেন কর্মীরা। ফলে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। দীর্ঘক্ষণ ধরে রাস্তায় আটকে পড়েন সাধারণ মানুষও।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁরা বেতন বৃদ্ধি এবং কাজের পরিবেশ উন্নতির দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু সেই দাবিতে কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি। বর্তমান বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে চলেছে। সেই তুলনায় বর্তমান বেতন যথেষ্ট নয় বলেই দাবি তাঁদের। ফলে সংসার চালাতে সমস্যায় পড়ছেন বলে অভিযোগ কর্মীদের একাংশের।

পরিস্থিতি হাতের বাইরে যেতে দেখে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা। এলাকায় মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশবাহিনী। প্রথমে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের একাংশ উত্তেজিত হয়ে পড়লে পুলিশ হালকা বলপ্রয়োগ করে ভিড় ছত্রভঙ্গ করে। এরপর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

প্রসঙ্গত, রবিবারই জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্মীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল। সেই বৈঠকে তাঁদের দাবিগুলি বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই আশ্বাসে বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভ প্রশমিত হয়নি বলেই মনে করা হচ্ছে। সোমবারের ঘটনা সেই অসন্তোষেরই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন অনেকে।

Advertisement

বর্তমানে এলাকায় টানটান উত্তেজনা বজায় রয়েছে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে প্রশাসন। সাধারণ মানুষকে শান্ত থাকার আবেদন জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, কোনও রকম হিংসাত্মক কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না। দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।

বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের বেতন ও কাজের চাপ নিয়ে ক্ষোভ নতুন কিছু নয়। কিন্তু সেটা কেন্দ্র করে নয়ডার এই বিক্ষোভে নতুন করে কর্মী অসন্তোষ এবং কাজের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আগামিদিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, এখন সেটাই দেখার। 

Read more!
Advertisement
Advertisement