Advertisement

Moon Craters: চাঁদের কলঙ্ক আসলে কী? সহজ উত্তরটাই অনেকে জানেন না

রাতের আকাশে চাঁদ উঠলেই চোখে পড়ে তার গায়ে ছোপ ছোপ দাগ। ছোটবেলা থেকে অনেকেই শুনেছেন, চাঁদের বুকে নাকি কলঙ্ক রয়েছে। কিন্তু সত্যিই কি ওই দাগ কোনও দোষের চিহ্ন?

ছোটবেলা থেকে অনেকেই শুনেছেন, চাঁদের বুকে নাকি কলঙ্ক রয়েছে। ছোটবেলা থেকে অনেকেই শুনেছেন, চাঁদের বুকে নাকি কলঙ্ক রয়েছে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 11 Oct 2026,
  • अपडेटेड 10:44 PM IST
  • রাতের আকাশে চাঁদ উঠলেই চোখে পড়ে তার গায়ে ছোপ ছোপ দাগ।
  • ছোটবেলা থেকে অনেকেই শুনেছেন, চাঁদের বুকে নাকি কলঙ্ক রয়েছে।
  • কিন্তু সত্যিই কি ওই দাগ কোনও দোষের চিহ্ন?

রাতের আকাশে চাঁদ উঠলেই চোখে পড়ে তার গায়ে ছোপ ছোপ দাগ। ছোটবেলা থেকে অনেকেই শুনেছেন, চাঁদের বুকে নাকি কলঙ্ক রয়েছে। কিন্তু সত্যিই কি ওই দাগ কোনও দোষের চিহ্ন? নাকি এর পিছনে রয়েছে বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা? আসলে চাঁদের গায়ের কালচে অংশগুলি কোনও রহস্যময় চিহ্ন নয়। সেগুলি তৈরি হয়েছে বহু কোটি বছর আগে ঘটে যাওয়া নানা প্রাকৃতিক ঘটনার ফলে।

চাঁদের পৃষ্ঠে হালকা রঙের উঁচু এলাকা এবং তুলনায় গাঢ় রঙের বিস্তীর্ণ অঞ্চল রয়েছে। পৃথিবী থেকে তাকালে এই দুই ধরনের জায়গার রঙের পার্থক্য স্পষ্ট বোঝা যায়। গাঢ় অঞ্চলগুলিকে বিজ্ঞানীরা বলেন ‘লুনার মারিয়া’। লাতিন ভাষায় ‘মারিয়া’ শব্দের অর্থ সমুদ্র। প্রাচীন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা দূর থেকে এই এলাকাগুলিকে সমুদ্রের মতো ভেবেছিলেন। সেই থেকেই এমন নামের প্রচলন।

কিন্তু চাঁদে কি সত্যিই সমুদ্র রয়েছে? না। ওই গাঢ় অংশে পৃথিবীর মতো জলভরা সমুদ্র নেই। বহু কোটি বছর আগে চাঁদের ভিতর থেকে গলিত শিলা বেরিয়ে এসে বিস্তীর্ণ এলাকা ঢেকে দিয়েছিল। সেই লাভা ঠান্ডা হয়ে শক্ত পাথরে পরিণত হয়। এই পাথর মূলত ব্যাসল্ট। আশপাশের উজ্জ্বল উঁচু এলাকার তুলনায় এই শিলার রং গাঢ়। তাই পৃথিবী থেকে দেখলে চাঁদের গায়ে কালচে ছোপের মতো লাগে।

চাঁদের ইতিহাসেও রয়েছে উল্কাপিণ্ডের আঘাতের ভূমিকা। বহু কোটি বছর ধরে অসংখ্য উল্কাপিণ্ড চাঁদের বুকে আছড়ে পড়েছে। তাতে তৈরি হয়েছে বিশাল গর্ত ও খাদ। পরে কিছু গর্তের ভিতর লাভা জমে সমতল গাঢ় অঞ্চল তৈরি করেছে। চাঁদের বর্তমান চেহারা গড়ে উঠেছে এমনই নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে।

চাঁদের এই দাগ মানুষের কল্পনাতেও জায়গা করে নিয়েছে। বিভিন্ন সংস্কৃতিতে এগুলিকে ঘিরে নানা গল্প ও বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে। তবে বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা স্পষ্ট চাঁদের ‘কলঙ্ক’ আসলে তার পৃষ্ঠের গঠন ও প্রাচীন আগ্নেয় কার্যকলাপের চিহ্ন। অর্থাৎ, যা চোখে দাগ বলে মনে হয়, তা আসলে চাঁদের দীর্ঘ ইতিহাসেরই সাক্ষী। 

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement