Advertisement

Siliguri Municipal Corporation Latest Update: শিলিগুড়ি পুরনিগম ভেঙে দেবে নতুন রাজ্য সরকার? বিধায়ক শঙ্কর ঘোষণা করলেন...

নবান্ন দখল করেছে বিজেপি। নীল বাড়ির সেই রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আঁচ কি এবার উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার শিলিগুড়িতেও পড়বে? জল্পনা তুঙ্গে ছিল, রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর শিলিগুড়ি পুরনিগমের বর্তমান তৃণমূল বোর্ড কি তবে মাঝপথেই ভেঙে দেওয়া হবে?

Shankar Ghosh: শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষShankar Ghosh: শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ
Aajtak Bangla
  • 05 May 2026,
  • अपडेटेड 11:06 PM IST

Siliguri Municipal Corporation Latest Update: দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনকাল শেষ। নবান্ন দখল করেছে বিজেপি। নীল বাড়ির সেই রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আঁচ কি এবার উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার শিলিগুড়িতেও পড়বে? জল্পনা তুঙ্গে ছিল, রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর শিলিগুড়ি পুরনিগমের বর্তমান তৃণমূল বোর্ড কি তবে মাঝপথেই ভেঙে দেওয়া হবে?

মঙ্গলবার সেই আশা-আশঙ্কার মেঘ সরিয়ে দিলেন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। জেলা কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি সাফ জানালেন, তৃণমূলের জেতা বোর্ড ভাঙার পথে হাঁটবে না বিজেপি। বরং বর্তমান বোর্ডকে তার মেয়াদের পূর্ণ সময় (২০২৭ পর্যন্ত) অতিবাহিত করার সুযোগ দেওয়া হবে।

শিলিগুড়ি জেলা বিজেপি কার্যালয়ে এদিন শঙ্করবাবুর বক্তব্যে ফুটে উঠল এক দায়িত্বশীল বিরোধীর মেজাজ। তিনি বলেন, “বিজেপি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী। আমরা নির্বাচিত কোনও বোর্ড মাঝপথে ভেঙে দিয়ে রাজনীতি করতে চাই না।” তিনি আরও যোগ করেন, শিলিগুড়ির উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপির কাউন্সিলররা বর্তমান বোর্ডকে সবরকম গঠনমূলক সহযোগিতা করবেন। তাঁর মতে, অতীতে বারবার বাংলায় ৩৫৬ ধারা জারির দাবি উঠলেও নরেন্দ্র মোদী সরকার সবসময় গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে কাজ করতে দেওয়ার পক্ষপাতী। সেই একই আদর্শ মেনে শিলিগুড়ি পুরনিগমেও তাঁরা দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবেন।

এই ঘোষণার পর শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব এবং তৃণমূলের কাউন্সিলরদের মধ্যে যে চাপা আতঙ্ক দানা বেঁধেছিল, তার অবসান ঘটল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শিলিগুড়ি পুরনিগমের নির্বাচনে ৪৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৩৭টিতেই জয়ী হয়েছিল তৃণমূল। বর্তমানে তৃণমূলের এই বোর্ডের মেয়াদ রয়েছে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। শঙ্করের এই অভয়বাণী কেবল রাজনৈতিক অস্থিরতাই কমাল না, বরং শিলিগুড়ির সাধারণ মানুষের কাছে পরিষেবার নিরবচ্ছিন্ন নিশ্চয়তাও দিল।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement