Advertisement

Bimal Gurung Lalkuthi protest: বিজেপি জিততেই চাঙ্গা গুরুং, ১৪ মে লালকুঠি অভিযানের ডাক মোর্চার, পাল্টা মিছিল অনীতের

Bimal Gurung Lalkuthi protest: আগামী ১৪ মে জিটিএ-র সদর দফতর ‘লালকুঠি’ ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছেন বিমল গুরুং। পাল্টায় ওই একই দিনে দার্জিলিং স্টেশনে ‘শান্তি মিছিল’-এর কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন অনীত থাপা। সব মিলিয়ে ২০১৭-র সেই অশান্ত দিনগুলোর স্মৃতি যেন ফের উঁকি দিচ্ছে শৈলশহরে।

জিটিএ সদর দফতর লালকুঠিজিটিএ সদর দফতর লালকুঠি
Aajtak Bangla
  • দার্জিলিং,
  • 08 May 2026,
  • अपडेटेड 5:41 PM IST

Bimal Gurung Lalkuthi protest: রাজ্যে পদ্ম-শিবিরের জয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে উত্তপ্ত হচ্ছে উত্তরবঙ্গের পাহাড়। সৌজন্যে, জিটিএ-র দখল আর দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে মোর্চা বনাম প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার সম্মুখ সমর। আগামী ১৪ মে জিটিএ-র সদর দফতর ‘লালকুঠি’ ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছেন বিমল গুরুং। পাল্টায় ওই একই দিনে দার্জিলিং স্টেশনে ‘শান্তি মিছিল’-এর কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন অনীত থাপা। সব মিলিয়ে ২০১৭-র সেই অশান্ত দিনগুলোর স্মৃতি যেন ফের উঁকি দিচ্ছে শৈলশহরে।

দুর্নীতির প্রশ্নে সরব গুরুং
মঙ্গলবার সিংমারিতে দলীয় কার্যালয় থেকে আন্দোলনের রণহুঙ্কার ছাড়েন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা প্রধান বিমল গুরুং। তাঁর সাফ কথা, "জিটিএ এখন দুর্নীতির আখড়া। আমরা লালকুঠি ঘেরাও করে এর বিচার চাইব।" ২০১৭ সাল থেকেই জিটিএ-কে ‘ব্যর্থ’ তকমা দিয়ে বয়কট করে রেখেছে মোর্চা। এবার তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভিনরাজ্যের ডাল বিলি নিয়ে কেলেঙ্কারির অভিযোগ। সম্প্রতি জিটিএ সভাসদ সতীশ পোখরেলের এক ঘনিষ্ঠের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সাহায্য নয়ছয় করার অভিযোগ ঘিরে পাহাড়ের রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। গুরুং সেই ক্ষোভকেই এবার আন্দোলনে রূপ দিতে চাইছেন।

পাল্টা চালে অনীত থাপা
বিমল গুরুংয়ের ঘেরাও কর্মসূচির পাল্টা হিসেবে মাঠে নামছেন অনীত থাপাও। বৃহস্পতিবার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যদের নিয়ে বৈঠকের পর তিনি সাফ জানান, ১৪ মে তাঁরা শান্তি মিছিল করবেন। অনীতের প্রশ্ন, "লালকুঠি ঘেরাওয়ের দরকার কী? অভিযোগ থাকলে সরকার বা আদালতকে জানানো যেত। স্রেফ অশান্তি ছড়াতেই এই ঘেরাওয়ের ডাক দেওয়া হচ্ছে।" যদিও পাহাড়বাসীর ভয়, দুই বড় শিবিরের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে নতুন করে না রক্ত ঝরে পাহাড়ে।

রোহিণী থেকে লালকুঠি, আঁচ সবর্ত্র
পাহাড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতার শুরু কিন্তু বৃহস্পতিবার থেকেই হয়ে গিয়েছে। এদিন রোহিণী টোল প্লাজায় জিএনএলএফ সমর্থকদের বিক্ষোভ ছিল চোখে পড়ার মতো। একদিকে বিজেপি-পন্থী জিএনএলএফ-এর আগ্রাসন, অন্যদিকে বিমল গুরুংয়ের ‘লালকুঠি’ অভিযান— সব মিলিয়ে নতুন রাজ্য সরকারের প্রথম দিনগুলোতেই দার্জিলিং কার্যত আগ্নেয়গিরির ওপর দাঁড়িয়ে। পুলিশ ও প্রশাসন কড়া নজর রাখলেও পাহাড়ে সাধারণ পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে চাপা আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement