Advertisement

Dinhata Municipality Corruption: দিনহাটা পুরসভার দুর্নীতি মামলায় এবার TMC নেতা উদয়ন ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন চেয়ারম্যান গ্রেফতার

শনিবার মৌমিতা ভট্টাচার্যের গ্রেফতারির পর ওই রাতেই পুলিশি হানাদারি চলেছিল প্রাক্তন চেয়ারম্যান গৌরিশঙ্কর মাহেশ্বরীর বাসভবনে। তবে পুলিশের গাড়ি পৌঁছানোর আগেই কোনওভাবে টের পেয়ে বাড়ি থেকে চম্পট দেন তিনি।

Dinhata Municipality Corruption: দিনহাটা পুরসভার দুর্নীতি মামলায় এবার TMC নেতা উদয়ন ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন চেয়ারম্যান গ্রেফতারDinhata Municipality Corruption: দিনহাটা পুরসভার দুর্নীতি মামলায় এবার TMC নেতা উদয়ন ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন চেয়ারম্যান গ্রেফতার
Aajtak Bangla
  • দিনহাটা (কোচবিহার),
  • 18 May 2026,
  • अपडेटेड 1:07 AM IST

পুরসভার বহুচর্চিত ভুয়ো বিল্ডিং প্ল্যান পাশ করানোর কেলেঙ্কারিতে অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়লেন দিনহাটা পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা দাপুটে নেতা গৌরিশঙ্কর মাহেশ্বরী। রবিবার রাতে নাটকীয়ভাবে খোদ তাঁর নিজের বাড়ির অনতিদূর থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করে দিনহাটা থানার পুলিশ। এর আগে এই একই জালিয়াতি কাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গত শনিবারই পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল পুরকর্মী তথা স্থানীয় তৃণমূল নেত্রী মৌমিতা ভট্টাচার্যকে। ধৃত প্রাক্তন চেয়ারম্যানকে সোমবারই মহকুমা আদালতে তোলা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, এই পুর-দুর্নীতির শিকড় যে বেশ গভীরে, তা গত কয়েকদিনের ঘটনাপ্রবাহেই স্পষ্ট হয়ে উঠছিল। শনিবার মৌমিতা ভট্টাচার্যের গ্রেফতারির পর ওই রাতেই পুলিশি হানাদারি চলেছিল প্রাক্তন চেয়ারম্যান গৌরিশঙ্কর মাহেশ্বরীর বাসভবনে। তবে পুলিশের গাড়ি পৌঁছানোর আগেই কোনওভাবে টের পেয়ে বাড়ি থেকে চম্পট দেন তিনি। এর পর শনিবার রাত থেকে রবিবার সারাদিন দিনহাটা মহকুমা তো বটেই, এমনকি সংলগ্ন জেলাগুলির বিভিন্ন সম্ভাব্য ডেরাতেও চিরুনি তল্লাশি চালায় তদন্তকারী দল। কিন্তু চতুর রাজনীতিকের মতো পুলিশকে ডজ দিয়ে এলাকাছাড়া হওয়ার চেষ্টা করেও শেষরক্ষা হলো না। রবিবার রাতে নিজের ডেরায় ফিরতেই ওত পেতে থাকা দিনহাটা থানার পুলিশের জালে বন্দি হন তিনি।

দিনহাটা পুরসভার এই ভুয়ো বিল্ডিং প্ল্যান কেলেঙ্কারি সামনে আসতেই স্বাভাবিকভাবে চরম অস্বস্তিতে পড়েছে বিদায়ী শাসকদল। একজন পুরকর্মী এবং খোদ প্রাক্তন পুরপ্রধানের এভাবে জালিয়াতির অভিযোগে শ্রীঘরে যাওয়া নিয়ে ইতিপূর্বেই শহর জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ও নাগরিক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তার আশ্বাস, এই চক্রের পেছনে আর কার কার হাত রয়েছে এবং কত টাকার আর্থিক লেনদেন হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আপাতত আদালতের নির্দেশের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে ওয়াকিবহাল মহল।:

 

Read more!
Advertisement
Advertisement