Advertisement

North Dinajpur TMC Leader Arrest: সরকারি প্রকল্পের নামে আর্থিক প্রতারণা, মাঝরাতে বাড়ি থেকে গ্রেফতার TMC নেতা

শনিবার গভীর রাতে ইটাহার থানার চূড়ামণ এলাকার নিজস্ব বাসভবন থেকেই তাঁকে পাকড়াও করে পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জেলা রাজনীতিতে।

North Dinajpur TMC Leader Arrest: সরকারি প্রকল্পের টোপ দিয়ে আর্থিক প্রতারণা, মাঝরাতে TMC নেতা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশNorth Dinajpur TMC Leader Arrest: সরকারি প্রকল্পের টোপ দিয়ে আর্থিক প্রতারণা, মাঝরাতে TMC নেতা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ
Aajtak Bangla
  • ইটাহার (উত্তর দিনাজপুর),
  • 17 May 2026,
  • अपडेटेड 5:11 PM IST

North Dinajpur TMC Leader Arrest: সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের পকেট কাটার অভিযোগ উঠল খোদ শাসকদলের এক শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে। চাষের জমিতে সোলার পাম্প বসিয়ে দেওয়ার নাম করে লক্ষাধিক টাকা প্রতারণার অভিযোগে পুলিশ গ্রেপ্তার করল উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ তথা ইটাহার ব্লক তৃণমূল সভাপতি কার্তিকচন্দ্র দাসকে। শনিবার গভীর রাতে ইটাহার থানার চূড়ামণ এলাকার নিজস্ব বাসভবন থেকেই তাঁকে পাকড়াও করে পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জেলা রাজনীতিতে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত ইটাহার থানার লালগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা কুরবান আলি নামে এক ব্যক্তির অভিযোগকে কেন্দ্র করে। কুরবান আলির চাষের জমিতে সেচের জলের ভীষণ সমস্যা ছিল। অভিযোগ, সরকারি প্রকল্পের অধীনে তাঁর জমিতে একটি সোলার পাম্প বসিয়ে দেওয়ার টোপ দেন তৃণমূল নেতা কার্তিকবাবু। তবে এই সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য ওই উপভোক্তার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ‘ঘুষ’ চান তিনি। নিরুপায় হয়ে পাম্পের আশায় কার্তিকবাবুর হাতে লক্ষাধিক টাকা তুলে দেন কুরবান।

টাকা নিয়েও মেলেনি পাম্প, বারবার ফিরেছে খালি হাত
টাকা নেওয়ার পর কেটে গিয়েছে দীর্ঘদিন। কিন্তু কুরবান আলির জমিতে সোলার পাম্প বসানোর কোনও উদ্যোগই নেননি অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা। দিনের পর দিন স্রেফ আশ্বাসই মিলেছে, কাজ হয়নি। এরপর নিজের ভুল বুঝতে পেরে কার্তিকবাবুর কাছে দফায় দফায় টাকা ফেরত চান কুরবান। কিন্তু প্রভাব খাটিয়ে বারবারই তাঁকে খালি হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

শনিবার থানার দ্বারস্থ উপভোক্তা, মাঝরাতেই অ্যাকশন পুলিশের
টাকা ও পাম্প, দুটোও না পেয়ে অবশেষে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে কুরবান আলির। উপায়ান্তর না দেখে শনিবার তিনি সোজা হাজির হন ইটাহার থানায়। কার্তিকচন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। শাসকদলের নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ পেতেই আর সময় নষ্ট করেনি পুলিশ প্রশাসন। শনিবার গভীর রাতেই চূড়ামণ এলাকায় কার্তিকবাবুর বাড়িতে হানা দেয় ইটাহার থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। বিছানা থেকে তুলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ, রবিবার ধৃত তৃণমূল নেতাকে রায়গঞ্জ জেলা আদালতে পেশ করা হয়েছে। সরকারি পদের অপব্যবহার করে এই বিপুল টাকা হাতিয়ে নেওয়ার নেপথ্যে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement