Advertisement

Balurghat Hospital Prisoner Escape: বালুরঘাটে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে হাসপাতাল থেকে চম্পট ধর্ষণে সাজাপ্রাপ্ত

বন্দি নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নজরে আসতেই কার্যত বজ্রপাত হয় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীদের মাথায়। শোরগোল পড়ে যায় সংশোধনাগার ও জেলা পুলিশ প্রশাসনের অন্দরে। খবর পাওয়া মাত্রই বালুরঘাট থানার আইসি সুমন্ত বিশ্বাসের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

বালুরঘাটে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে হাসপাতাল থেকে চম্পট ধর্ষণে সাজাপ্রাপ্ত বালুরঘাটে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে হাসপাতাল থেকে চম্পট ধর্ষণে সাজাপ্রাপ্ত
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 30 May 2026,
  • अपडेटेड 11:02 PM IST

Balurghat Hospital Prisoner Escape: খোদ হাসপাতালের ভেতর কড়া পুলিশি পাহারার ঘেরাটোপ। কিন্তু কাজের কাজ যে কিছুই হয়নি, তা প্রমাণ করে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে চম্পট দিল এক দাগী বন্দি। শনিবার দুপুরে বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল চত্বরে এই ফিল্মি কায়দায় বন্দি পলায়নের ঘটনায় জেলা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পলাতক ওই বন্দির নাম লিটন সরকার (৩৮)। তার বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন থানার উত্তর শরিফাবাদ এলাকায়। ২০১২ সালের একটি চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছিল। তারপর থেকে বালুরঘাট কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারেই ঠাঁই হয়েছিল তার।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে হঠাৎই শারীরিক অসুস্থতার কথা জানায় সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি লিটন। নিয়মমাফিক সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্তে তাকে চিকিৎসার জন্য বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু কে জানত, অসুস্থতার বাহানার আড়ালে আসলে জেল ভাঙার ছক কষেছিল সে! হাসপাতালে ডাক্তার দেখানোর ফাঁকেই সুযোগ বুঝে পুলিশের নজর এড়িয়ে নিমেষের মধ্যে উধাও হয়ে যায় লিটন।

বন্দি নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নজরে আসতেই কার্যত বজ্রপাত হয় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীদের মাথায়। শোরগোল পড়ে যায় সংশোধনাগার ও জেলা পুলিশ প্রশাসনের অন্দরে। খবর পাওয়া মাত্রই বালুরঘাট থানার আইসি সুমন্ত বিশ্বাসের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। গোটা হাসপাতাল চত্বর এবং সংলগ্ন এলাকা তন্ন তন্ন করে চষে ফেলে পুলিশ। কিন্তু শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত ওই পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামির কোনো হদিস মেলেনি।

এই ঘটনার পর স্বাভাবিকভাবেই হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং জেলা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে কড়া পাহারার মধ্যেও একজন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত অপরাধী এভাবে চম্পট দেওয়ার সাহস পেল, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। জেলা পুলিশের একটি দল হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি লিটনকে পুনরায় খাঁচায় পুরতে জেলার সমস্ত সীমানা সিল করে বিভিন্ন প্রান্তে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement