Advertisement

BJP West Bengal Manifesto North Bengal: রাজবংশী ভাষার স্বীকৃতি, এইমস-IIT-IIM-চা; উত্তরবঙ্গ নিয়ে ঢালাও প্রতিশ্রুতি শাহের

BJP West Bengal Manifesto North Bengal: উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা। বর্তমানে চিকিৎসার জন্য পাহাড় বা সমতলের মানুষকে হয় দক্ষিণবঙ্গ, নয়তো ভিন রাজ্যে ছুটতে হয়। সেই ক্ষতে প্রলেপ দিতেই শাহ ঘোষণা করলেন উত্তরবঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ এইমস (AIIMS) এবং অত্যাধুনিক ক্যান্সার হাসপাতাল তৈরির কথা।

বিজেপির ইস্তেহার প্রকাশ করলেন অমিত শাহবিজেপির ইস্তেহার প্রকাশ করলেন অমিত শাহ
Aajtak Bangla
  • 10 Apr 2026,
  • अपडेटेड 2:06 PM IST

BJP West Bengal Manifesto North Bengal: ২০২৬ নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে বঙ্গ বিজেপি জোর দিচ্ছে উত্তরবঙ্গেও। গতবারও বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে অভাবনীয় ভাল ফল করেছিল বিজেপি। এবারও সেই আধিপত্য ধরে রাখতে চাইছেন তাঁরা। শুক্রবার কলকাতার রাজ্য সদর দফতরে দাঁড়িয়ে অমিত শাহ প্রকাশ করলেন বিজেপির নির্বাচনী ইশতেহার, যার পোশাকি নাম ‘ভরসার শপথ’। তবে এই ইশতেহারে উত্তরবঙ্গের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার ক্ষোভ প্রশমন আর উন্নয়নের একগুচ্ছ রঙিন প্রতিশ্রুতি তুলে এনেছেন। যা যদি সত্যি পূরণ হয়, তাহলে তা উত্তরবঙ্গের সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটই বদলে দেবে।

উন্নয়নের মেগা ব্লু-প্রিন্ট
উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা। বর্তমানে চিকিৎসার জন্য পাহাড় বা সমতলের মানুষকে হয় দক্ষিণবঙ্গ, নয়তো ভিন রাজ্যে ছুটতে হয়। সেই ক্ষতে প্রলেপ দিতেই শাহ ঘোষণা করলেন উত্তরবঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ এইমস (AIIMS) এবং অত্যাধুনিক ক্যান্সার হাসপাতাল তৈরির কথা। শুধু স্বাস্থ্য নয়, শিক্ষার খরা কাটাতেও বড় বাজি খেলেছে গেরুয়া শিবির। উত্তরবঙ্গে নতুন আইআইটি (IIT) এবং আইআইএম (IIM) ক্যাম্পাস স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মেধাবী পড়ুয়াদের ঘরের কীছেই বিশ্বমানের শিক্ষার স্বপ্ন দেখিয়েছেন তিনি।

চা-বলয় ও রাজবংশী আবেগ
উত্তরবঙ্গের রাজনীতির নির্ণায়ক শক্তি হল চা-বাগান এবং রাজবংশী ভোটব্যাঙ্ক। দীর্ঘদিন ধরে চা-শ্রমিকরা পাট্টা এবং সন্তানদের শিক্ষার অধিকার নিয়ে সরব। ইশতেহারে সেই দাবি মেনে শ্রমিকদের পাট্টা প্রদান এবং চা-বাগান এলাকায় আধুনিক স্কুল গড়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি, দার্জিলিং চায়ের বিশ্বজনীন ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতিতে জোয়ার আনার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। অন্যদিকে, রাজবংশী ও কুড়মালি ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কার্যত জনজাতির ভাবাবেগকে ছুঁতে চেয়েছেন শাহ।

রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপি যদি ক্ষমতায় আসে এবং উত্তরবঙ্গের এই ভোলবদল যদি সত্যিই বাস্তবায়িত হয়, তবে তা কেবল ওই অঞ্চলের চেহারা বদলাবে না, বরং দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অভিযোগ ঘুচিয়ে উন্নয়নের মূল স্রোতে উত্তরের জনপদকে শামিল করবে। 

 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement