Advertisement

Coochbehar TMC Cut Money Scam: '৪ জুনের মধ্যে ফেরাতে হবে আবাসের কাটমানি', কোচবিহারে মাইকিং করে হুঁশিয়ারি আমজনতার

Coochbehar TMC Cut Money Scam: ঘুঘুমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৭৩ নম্বর বুথের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য জ্যোৎস্না বর্মনের বাড়ি লক্ষ্য করে হঠাৎই তীব্র গণবিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার শয়ে শয়ে বাসিন্দা। বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট অভিযোগ, আবাস যোজনার সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে ৫ হাজার থেকে শুরু করে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কাটমানি বা তোলা আদায় করেছিলেন ওই তৃণমূল সদস্য ও তাঁর অনুগামীরা।

'৪ জুনের মধ্যে চাই আবাসের কাটমানি', কোচবিহারে মাইকিং জনতার'৪ জুনের মধ্যে চাই আবাসের কাটমানি', কোচবিহারে মাইকিং জনতার
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 30 May 2026,
  • अपडेटेड 9:23 PM IST

Coochbehar TMC Cut Money Scam: দিনবদল হতেই সুরবদল। এতদিন যে ‘কাটমানি’ নিঃশব্দে হজম করে নেওয়ার রেওয়াজ ছিল, এবার তা সুদ-আসলে উশুল করতে রাস্তায় নামলেন সাধারণ মানুষ। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে নেওয়া তোলাবাজির টাকা আগামী ৪ জুনের মধ্যে ফেরত দিতে হবে। এই মর্মে খোদ তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য মুচলেকা দিতেই এলাহী কাণ্ড কোচবিহারে। গ্রামবাসীরা এখন রীতিমতো মাইক ভাড়া করে গ্রামে গ্রামে ঘোষণা বা ‘মাইকিং’ শুরু করেছেন, যাতে ৪ জুনের ডেডলাইন কেউ ভুলে না যান! কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের ঘুঘুমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৭৩ নম্বর বুথ এলাকায় এই নজিরবিহীন ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘুঘুমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৭৩ নম্বর বুথের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য জ্যোৎস্না বর্মনের বাড়ি লক্ষ্য করে হঠাৎই তীব্র গণবিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার শয়ে শয়ে বাসিন্দা। বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট অভিযোগ, আবাস যোজনার সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে ৫ হাজার থেকে শুরু করে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কাটমানি বা তোলা আদায় করেছিলেন ওই তৃণমূল সদস্য ও তাঁর অনুগামীরা। টাকা না দিলে ঘরের পরবর্তী কিস্তির টাকা আটকে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। শাসকদলের ভয়ে মুখ বুজে সেই টাকা তুলে দিয়েছিলেন নিঃস্ব গ্রামবাসীরা।

তবে গত ৪ মে রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর, অর্থাৎ বিজেপি সরকারে আসতেই ভয়ের চাদর ঝেড়ে ফেলে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন গ্রামবাসীরা। নিজেদের হকের টাকা ফেরত পেতে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ি ঘেরাও করে একটানা ডেপুটেশন ও বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা। বেগতিক বুঝে এবং জনরোষের মুখে পড়ে শেষমেশ নতিস্বীকার করতে বাধ্য হন ওই তৃণমূল সদস্য। গ্রামবাসীদের আশ্বস্ত করে তিনি জানান, আগামী ৪ জুনের মধ্যে সমস্ত কাটমানির টাকা ফেরত দিয়ে দেওয়া হবে।

এই লিখিত ও মৌখিক বোঝাপড়ার পরেই বিক্ষোভ প্রত্যাহার করেন গ্রামবাসীরা। তবে শুধু মুখের কথায় আর ভরসা রাখছেন না কেউ। তাই আদায় করা টাকা ফেরতের সেই প্রতিশ্রুতির কথা এখন ঢ্যাঁড়া পিটিয়ে, মাইক বাজিয়ে গোটা এলাকায় শোনানো হচ্ছে। এলাকার সাধারণ মানুষের বক্তব্য, ‘৪ জুন টাকা ফেরত না পেলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে।’ দলবদলের বাজারে কাটমানি ফেরতের এই মাইকিং এখন উত্তরবঙ্গের অন্যতম চর্চিত বিষয়।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement