Advertisement

Man Hacked Ex Wife: প্রাক্তন স্ত্রীকে খুন করে হাতে রক্তমাখা চপার নিয়ে থানায় যুবক, ধূপগুড়িতে চাঞ্চল্য

Man Hacked Ex Wife: পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের নাম শ্রীকান্ত রায়। ধূপগুড়ির রায়পাড়া ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা তিনি। কয়েক বছর আগে সোমা রায়ের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। প্রথমদিকে সংসার স্বাভাবিক থাকলেও, সম্প্রতি দাম্পত্য কলহ চরমে পৌঁছয়। অভিযোগ, সোমা এলাকারই এক যুবক চিরঞ্জিতের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন।

Aajtak Bangla
  • ধূপগুড়ি,
  • 25 Jan 2026,
  • अपडेटेड 12:06 AM IST

Man Hacked Ex Wife: শনিবার সকালে হাড়হিম করা ঘটনার সাক্ষী থাকল জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি। হাতে রক্তমাখা ধারালো চপার, গায়ে রক্ত লেগে থাকা পোশাক। সেই অবস্থাতেই প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে ধূপগুড়ি থানায় পৌঁছালেন এক যুবক। তাঁকে দেখে রাস্তায় চলাচলকারী মানুষজন আতঙ্কে ছুটোছুটি শুরু করেন। প্রথমে পুলিশও কিছুক্ষণের জন্য হতভম্ব হয়ে পড়ে। এরপর শান্ত গলায় যুবক জানায়, সে নিজের স্ত্রীকে খুন করে আত্মসমর্পণ করতে এসেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের নাম শ্রীকান্ত রায়। ধূপগুড়ির রায়পাড়া ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা তিনি। কয়েক বছর আগে সোমা রায়ের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। প্রথমদিকে সংসার স্বাভাবিক থাকলেও, সম্প্রতি দাম্পত্য কলহ চরমে পৌঁছয়। অভিযোগ, সোমা এলাকারই এক যুবক চিরঞ্জিতের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন বলে অভিযোগ।

এই সম্পর্ক ঘিরে পাড়ায় একাধিকবার অশান্তি হয় এবং শেষ পর্যন্ত বিষয়টি সালিশি সভায় গড়ায়। সেখানেই এক অস্বাভাবিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, শ্রীকান্ত নিজেই স্ত্রীকে তাঁর প্রেমিকের বাড়িতে থাকতে দেন। সেই অনুযায়ী, গত কয়েকদিন ধরে সোমা চিরঞ্জিতের বাড়িতেই ছিলেন।

আরও পড়ুন

তবে বাইরে থেকে মেনে নিলেও, শ্রীকান্তের মনে যে প্রতিশোধের আগুন জ্বলছিল, তা কেউ বুঝতে পারেনি। শনিবার সকালে আচমকাই একটি ধারালো অস্ত্র হাতে চিরঞ্জিতের বাড়িতে ঢুকে পড়েন তিনি। ঘরের ভেতরেই সোমাকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি কোপাতে শুরু করেন শ্রীকান্ত। সোমার চিৎকার শুনে চিরঞ্জিতের মা বাধা দিতে এলে তাঁকেও তাড়া করা হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সোমার।

খুনের পর পালানোর চেষ্টা করেননি শ্রীকান্ত। বরং হাতে সেই চপার নিয়েই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন। পথচারীরা তাঁকে দেখে ভয়ে রাস্তা ফাঁকা করে দেন। পরে একটি টোটো ধরে সরাসরি থানায় গিয়ে পুলিশকে বলেন, “আমি খুন করে এসেছি, এবার আমাকে গ্রেফতার করুন।”

পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে সোমার দেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে পাঠায়। খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, সংগ্রহ করা হয়েছে ফরেনসিক নমুনাও। ধূপগুড়ি থানার আইসি জানিয়েছেন, অভিযুক্ত নিজের অপরাধ স্বীকার করেছে। প্রাথমিকভাবে পরকীয়াজনিত প্রতিহিংসা থেকেই খুন বলে মনে করা হলেও, ঘটনার পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় গোটা ধূপগুড়ি জুড়ে তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement