Advertisement

দার্জিলিংয়ে ৪ লেনের রাস্তা বানাচ্ছে কেন্দ্র, কোন কোন রুটে? জানালেন গড়করি

লম্বা লাইন, সার দিয়ে পরপর দাঁড়িয়ে আছে গাড়ি। বিগত কয়েক মাসে শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যাওয়ার পথে রাস্তার ছবিটা কতকটা এরকমই। দার্জিলিং ঢোকার মুখে মূলত দেখা যাচ্ছে ট্রাফিক জ্যাম। গত কয়েক মাসে প্রচুর পর্যটক গিয়েছেন পাহাড়ে। কিন্তু এই ট্রাফিক জ্যামের জন্য নাকাল হতে হচ্ছে সকলকে। তবে এবার দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। কারণ দার্জিলিং জেলায় এনএইচ ৩২৭-এর ৩১.০২ কিমির জন্য ২,০৭৭.১৮ টাকার অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

উত্তরবঙ্গের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাওয়া এখন আরও সহজউত্তরবঙ্গের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাওয়া এখন আরও সহজ
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 03 Sep 2026,
  • अपडेटेड 2:31 PM IST

লম্বা লাইন, সার দিয়ে পরপর দাঁড়িয়ে আছে গাড়ি। বিগত কয়েক মাসে শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যাওয়ার পথে রাস্তার ছবিটা কতকটা এরকমই। দার্জিলিং ঢোকার মুখে মূলত দেখা যাচ্ছে ট্রাফিক জ্যাম। গত কয়েক মাসে প্রচুর পর্যটক গিয়েছেন পাহাড়ে। কিন্তু এই ট্রাফিক জ্যামের জন্য নাকাল হতে হচ্ছে সকলকে। তবে এবার দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। কারণ দার্জিলিং জেলায় এনএইচ ৩২৭-এর ৩১.০২ কিমির জন্য ২,০৭৭.১৮ টাকার অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দেশের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়করি সেই কথা নিজেই ট্যুইটারে পোস্ট করে জানিয়েছেন। 

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে, আমরা দার্জিলিং জেলার এনএইচ ৩২৭-এর ৩১.০২-কিমি বাগডোগরা-পানিটাঙ্কি-খড়িবাড়ি-গালগালিয়া সেকশনের চার লেনের জন্য  ২,০৭৭.১৮ কোটি টাকা অনুমোদন কর হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় ৩টি বড় সেতু, ১টি রোড ওভার ব্রিজ (ROB), ৫টি হাতি চলাচলের আন্ডারপাস এবং উভয় পাশে সার্ভিস রোড নির্মাণ করা হবে। এর ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি মানুষ ও বন্যপ্রাণী—উভয়ের জন্যই নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে।

 

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর বা 'চিকেনস নেক'-এর ওপর অবস্থিত এই প্রকল্পটি উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা জোরদার করবে এবং নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের সঙ্গে যাতায়াত ও সংযোগের সুবিধা উন্নত করবে।

সড়কটিকে চার লেনে উন্নীত করার ফলে বাগডোগরা, নকশালবাড়ি, খড়িবাড়ি ও পানিটঙ্কির যানজট কমবে। সেইসঙ্গে বাগডোগরা বিমানবন্দর ও অঞ্চলের প্রধান কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং কৃষি, উদ্যানপালন ও চা-সহ স্থানীয় অন্যান্য পণ্য বড় বাজারগুলোতে দ্রুত পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

Read more!
Advertisement
Advertisement