Advertisement

যুবসাথীর টাকাতেও কাটমানির চাওয়ার অভিযোগ, হরিশ্চন্দ্রপুরে বিডিও অফিসে বিক্ষোভে ধুন্ধুমার

ব্লকের সরকারি আইডি ও পাসওয়ার্ড এখন দালালদের মুঠোয় বলে অভিযোগ তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। এমনকি ফর্ম জমা দেওয়ার পর থেকেই নাকি দালালদের ফোন আসছে, টাকা না দিলে ভাতার ফাইল ছাড়া হবে না। অর্থাৎ সরকারি সাহায্য পেতেও এখন ‘কাটমানি’র খাঁড়া ঝুলছে বেকারদের মাথার ওপর।

যুবসাথীর টাকাতেও কাটমানির চাওয়ার অভিযোগ, হরিশ্চন্দ্রপুরে বিডিও অফিসে বিক্ষোভে ধুন্ধুমারযুবসাথীর টাকাতেও কাটমানির চাওয়ার অভিযোগ, হরিশ্চন্দ্রপুরে বিডিও অফিসে বিক্ষোভে ধুন্ধুমার
Aajtak Bangla
  • হরিশ্চন্দ্রপুর (মালদা),
  • 19 Mar 2026,
  • अपडेटेड 5:51 PM IST

শিক্ষিত বেকারদের জন্য বরাদ্দ সরকারি ভাতার টাকা কি তবে যাচ্ছে অযোগ্যদের পকেটে? মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর-২ নম্বর ব্লক অফিসে বৃহস্পতিবার এই প্রশ্ন তুলেই বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন স্থানীয় যুবকরা। অভিযোগের আঙুল খোদ ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের দিকে।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, শিক্ষিত বেকাররা যখন মাসের পর মাস ভাতার অপেক্ষায় দিন গুনছেন, তখন সাত বছরের নাবালক কিংবা ষাট বছরের বৃদ্ধের অ্যাকাউন্টে অবলীলায় ঢুকে যাচ্ছে সরকারি টাকা। দুর্নীতির এই পাহাড়প্রমাণ অভিযোগ তুলে বিডিও অফিসের ভেতরেই ধর্ণায় বসেন আন্দোলনকারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আসরে নামতে হয়।

বৃহস্পতিবার বিডিও-র ঘরের সামনে যখন বিক্ষোভ চরম আকার নেয়, তখনই মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ আন্দোলনকারীদের জোর করে তাদের সরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় তৈরি হয় ব্যাপক উত্তেজনা। এই প্রসঙ্গে চাঁচলের মহকুমাশাসক ঋত্বিক হাজরা জানিয়েছেন, অনলাইনে ফর্ম পূরণের ক্ষেত্রে কিছু যান্ত্রিক ত্রুটি হতে পারে, যা দ্রুত খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে দুর্নীতির যে অভিযোগ উঠেছে, তা গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। কিন্তু নাবালক ও বৃদ্ধদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার মতো ঘটনার অভিযোগে প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়েই বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।

বিক্ষোভকারী যুবকদের দাবি, হরিশ্চন্দ্রপুরে যুবসাথী প্রকল্প নিয়ে দুর্নীতির জাল এখন অনেক গভীরে। তাঁদের বিস্ফোরক অভিযোগ, একদিকে প্রকৃত যোগ্য বেকাররা ফর্ম ফিলাপ করে হাপিত্যেশ করে বসে আছেন, অন্যদিকে সরকারি পোর্টালের তথ্য ফাঁস হয়ে যাচ্ছে দালালদের হাতে। ব্লকের সরকারি আইডি ও পাসওয়ার্ড এখন দালালদের মুঠোয় বলে অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। এমনকি ফর্ম জমা দেওয়ার পর থেকেই নাকি দালালদের ফোন আসছে, টাকা না দিলে ভাতার ফাইল ছাড়া হবে না। অর্থাৎ সরকারি সাহায্য পেতেও এখন ‘কাটমানি’র খাঁড়া ঝুলছে বেকারদের মাথার ওপর।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement