Advertisement

জলপাইগুড়ির হাইস্কুলে হেডস্যারকে তাড়া করে 'চোর চোর' স্লোগান, গায়ে হাত ছাত্রদের

Jalpaiguri News: জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান শিক্ষককেই তাড়া করে মারধর করার চেষ্টার অভিযোগ ছাত্রদের বিরুদ্ধে।

জলপাইগুড়ির নামী স্কুলে হেডস্যারকে তাড়া করে চোর চোর স্লোগানজলপাইগুড়ির নামী স্কুলে হেডস্যারকে তাড়া করে চোর চোর স্লোগান
Aajtak Bangla
  • জলপাইগুড়ি,
  • 09 Sep 2026,
  • अपडेटेड 2:01 PM IST
  • হেডস্যারকে তাড়া করে তাঁকে মারধর করার চেষ্টার অভিযোগ উঠল ছাত্রদের বিরুদ্ধে।
  • মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি গর্ভমেন্ট হাইস্কুলে।
  • দীর্ঘদিন ধরে এই স্কুলের গৌরবময় ইতিহাস ছাত্রদের সাফল্যের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে।

জলপাইগুড়ির নামী স্কুলে লজ্জাজনক ঘটনা। হেডস্যারকে তাড়া করে তাঁকে মারধর করার চেষ্টা ও চোর চোর স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ উঠল ছাত্রদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি গর্ভমেন্ট হাইস্কুলে। ঘটনায় জেলা জুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

কী নিয়ে বিবাদের সূত্রপাত?

স্থানীয়দের দাবি, শিক্ষক দিবস উপলক্ষে গতকাল স্কুলে একটি বড় ধরনের ভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। মিড-ডে মিল প্রকল্পের আওতায় চলছিল রান্নার কাজ। দাবি, সেই সময় স্কুলেরই কয়েকজন পড়ুয়া মিড-ডে মিলের রান্নাঘরে গিয়ে ফ্যান চালিয়ে চেয়ারে বসেছিল। আচমকাই প্রধান শিক্ষক ধর্মচাঁদ বড়ুয়া রান্নাঘরে ঢোকেন। ছাত্ররা ফ্যান চালিয়ে বসে আছে, দেখেই সেখান থেকে ছাত্রদের চলে যেতে বলা হয়। কিন্তু ছাত্রদের অভিযোগ, হেডস্যার ঢোকার পর কথাকাটাকাটি শুরু হয় এবং তাঁদের আচমকাই মারধর করা হয়। সেখান থেকেই পরিস্থিতি অস্বস্তিকর হতে শুরু করে। একসময় কার্যত তা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।

অভিযোগ,  কয়েকজন ছাত্র স্কুলের অফিসে প্রকাশ্যেই প্রধান শিক্ষককে হেনস্থা করে। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, ছাত্ররা প্রধান শিক্ষককে মারধরের উদ্দেশ্যে তাঁকে তাড়া করতে শুরু করে। একইসঙ্গে তোলা হয় 'চোর চোর' স্লোগানও।

পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর হচ্ছে দেখে দুই শিক্ষক এগিয়ে এসে ছাত্রদের ভিড়ের মধ্যে থেকে প্রধান শিক্ষককে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ছাত্রদের ধাক্কাধাক্কিতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ওই এলাকা থেকে প্রধান শিক্ষককে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় দৌড়তে গিয়ে তিনি রাস্তায় পড়ে যান এবং মাথায় আঘাত পান। তাঁর মাথা থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় বলেও দাবি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে স্থানীয় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে জলপাইগুড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার গাড়িটিকে ঘিরেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

স্থানীয়দের বক্তব্য, একসময় এই স্কুলের নাম উঠলেই জেলার মানুষ গর্ববোধ করতেন। এই স্কুলের বহু প্রাক্তন ছাত্র দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এবং বিশ্বের নামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে পড়াশোনা করছেন। কেউ প্রতিষ্ঠিত আধিকারিক, কেউ সফল ব্যবসায়ী। রয়েছেন চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, নাসার বিজ্ঞানীও। দীর্ঘদিন ধরে এই স্কুলের গৌরবময় ইতিহাস তাঁদের সাফল্যের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে।

Advertisement


 

Read more!
Advertisement
Advertisement