Advertisement

কোচবিহারের রশিদুল জঙ্গি? মানতে পারছে না পরিবার

জঙ্গি সন্দেহে দিনহাটা থেকে গ্রেফতার রশিদুল হক। ঠিক কেন পুলিশের সন্দেহের কোপে কোচবিহারের এই পরিবার। কারণ খুঁজে দেখল আজতক বাংলা।

কীভাবে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার রশিদুল?কীভাবে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার রশিদুল?
বিশাল দাস
  • দিনহাটা,
  • 16 Aug 2026,
  • अपडेटेड 12:54 PM IST
  • রশিদুল হককে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
  • এর আগে ট্রেনে মাদক পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিল অভিযুক্ত।
  • বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের সঙ্গে রশিদুলের কোনও যোগ রয়েছে। এই অভিযোগও সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে পরিবার।

বাংলাদেশ সীমান্তের একেবারে গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাড়িকে ঘিরেই উঠছে একের পর এক প্রশ্ন। কারণ এই বাড়িরই ছেলে  রশিদুল হককে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ফলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কোচবিহারের দিনহাটায়।

বাইরে থেকে দেখলে আর পাঁচটা সাধারণ বাড়ির মতোই। কিন্তু আচমকাই সেই বাড়ির দরজায় হাজির তদন্তকারী অফিসারেরা। তারপর তল্লাশি, একের পর এক মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত, আর সব শেষে উঠে আসে ভয়ঙ্কর অভিযোগ—ISI-র সঙ্গে যোগ! জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার রশিদুল হক। আসলেই কি এই বাড়ির অন্দরে লুকিয়ে ছিল কোনও ভয়ঙ্কর রহস্য? উত্তর খুঁজতেই রশিদুল হকের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিল আজ তক বাংলা।

কোচবিহারের দিনহাটা এলাকার সেই বাড়ি বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া থেকে মাত্র 150 মিটার দূরে। চারপাশে সীমান্তের আবহ। আর সেই বাড়িতেই সম্প্রতি হানা দেয় STF। অভিযানের পর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় 5টি মোবাইল ফোন। তদন্তকারীদের নজরে আসে রশিদুলের অতীতও। 

তার বিস্তর কারণ রয়েছে। এর আগে ট্রেনে মাদক পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিল অভিযুক্ত। সেই মামলায় বিহারের পাটনা জেলেও বন্দি ছিল রশিদুল।পরে ছাড়া পেয়ে রাজমিস্ত্রির কাজকে পেশা করে একসময় পাড়ি দিয়েছিল ভিনরাজ্যে। দিল্লি, বেঙ্গালুরু-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করেছে সে। তবে পরিবারের দাবি, গত এক বছর ধরে আর বাইরে যায়নি রশিদুল। বাড়িতেই ছিল। সংসার, কাজ আর পরিবারের মধ্যেই কাটছিল তার দিন।হঠাৎ সেই জীবনে বদল। বাড়িতে STF-এর অভিযান। মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত। আর তার পরেই সামনে আসে ISI-যোগ এবং জঙ্গি সন্দেহের মতো গুরুতর অভিযোগ। 

কিন্তু পরিবারের বক্তব্য একেবারেই অন্যরকম। তাদের দাবি, 5টি মোবাইল ছাড়া বাড়ি থেকে জাল নোট, অস্ত্র কিংবা অন্য কোনও আপত্তিকর সামগ্রী উদ্ধার হয়নি। এমনকি বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের সঙ্গে রশিদুলের কোনও যোগ রয়েছে। এই অভিযোগও সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে পরিবার।

সন্দেহের সূত্রটা আসলে কোথায়? যে মোবাইল ফোনগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, সেগুলির ভিতরেই কি লুকিয়ে আছে কোনও উত্তর? এখন নজর তদন্তের পরবর্তী ধাপে। সীমান্তের ধারে এই বাড়িকে ঘিরে তৈরি হওয়া রহস্যের পর্দা সরবে কীভাবে, সেই উত্তরই খুঁজছে তদন্ত। 
 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement