Advertisement

Islampur Woman Trafficking Racket Busted: ইসলামপুরে পুলিশি অভিযানে পাচার চক্র ফাঁস, ১৭ নাবালিকা উদ্ধার; গ্রেফতার ৪

এসপি রাকেশ সিং জানান, উদ্ধার হওয়া ১৭ জন নাবালিকাকে নিরাপদে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় নুরজাহান বেগম, তসলিমা খাতুন, মহঃ সেলিম এবং মহঃ নিজাম নামে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতরা সকলেই ইসলামপুরের বাসিন্দা। তিনি জানান, এই পাচারচক্রের মূল মাথাদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে।

Islampur Woman Trafficking Racket Busted: ইসলামপুরে পুলিশি অভিযানে পাচার চক্র ফাঁস, ১৭ নাবালিকা উদ্ধার; গ্রেফতার ৪Islampur Woman Trafficking Racket Busted: ইসলামপুরে পুলিশি অভিযানে পাচার চক্র ফাঁস, ১৭ নাবালিকা উদ্ধার; গ্রেফতার ৪
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 05 Jul 2026,
  • अपडेटेड 1:36 AM IST

Islampur Woman Trafficking Racket Busted: ইসলামপুর মহকুমা দীর্ঘদিন ধরেই আন্তঃরাজ্য নারী পাচারচক্রের অন্যতম করিডর হিসেবে পরিচিত। তবে এই চক্রের বিস্তার যে এতটা গভীর, তা শুক্রবার রাতের পুলিশের অভিযানে স্পষ্ট হয়ে যায়। ইসলামপুর শহরের নিষিদ্ধপল্লি চম্পাবাগে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৭ জন নাবালিকাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। একদিনে এত সংখ্যক নাবালিকা উদ্ধারের ঘটনা মহকুমায় এর আগে ঘটেছে কি না, তা নিয়েও ধন্দে পুলিশ। পুলিশ জেলার এসপি রাকেশ সিংয়ের নেতৃত্বে পরিকল্পনা মাফিক এই অভিযান চালানো হয়। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে দুজন মহিলা রয়েছেন।

এসপি রাকেশ সিং সংবাদমাধ্যমকে জানান, উদ্ধার হওয়া ১৭ জন নাবালিকাকে নিরাপদে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় নুরজাহান বেগম, তসলিমা খাতুন, মহঃ সেলিম এবং মহঃ নিজাম নামে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতরা সকলেই ইসলামপুরের বাসিন্দা। তিনি জানান, এই পাচারচক্রের মূল মাথাদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে এর বেশি তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া নাবালিকাদের মধ্যে কয়েকজন বিহারের কিশনগঞ্জ এবং আরারিয়া জেলার বাসিন্দা। আবার কয়েকজনের বাড়ি অসমের তিনসুকিয়া জেলায়। অভিযানের সময় গোটা চম্পাবাগ এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হয়। এই নাবালিকাদের অপহরণ করে সেখানে আনা হয়েছিল, নাকি এর পেছনে আরও বড় কোনও চক্র সক্রিয় রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। যদিও এই বিষয়ে তদন্তকারীরা এখনই মুখ খুলতে চাননি।

তদন্তে জানা গিয়েছে, একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কয়েকদিন ধরে এই নারী পাচারচক্রের গতিবিধির উপর নজর রাখছিল। প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করার পর সংস্থাটি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এরপর বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করে এসপি রাকেশ সিংয়ের তত্ত্বাবধানে অভিযান চালানো হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে পুলিশ চম্পাবাগে পৌঁছে চিরুনি তল্লাশি শুরু করে। একের পর এক ছোট ছোট ঘর থেকে ১৭ জন নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়। ইসলামপুরের মতো শহরে এত বড় নারী পাচারচক্রের অস্তিত্ব সামনে আসায় পুলিশ আধিকারিকেরাও বিস্মিত হয়েছেন।

Advertisement

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, গ্রেফতার হওয়া চারজন এই চক্র পরিচালনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তবে তাদের সঙ্গে আরও বড় কোনও আন্তঃরাজ্য পাচারচক্রের যোগাযোগ রয়েছে কি না এবং এই চক্রের মূল পান্ডা কারা, তা জানতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।

ইসলামপুরে অপরাধ এবং রাজনীতির যোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা রয়েছে। অভিযোগ, তৃণমূলের শাসনকালে পুলিশের নিচুতলার একাংশের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে দলের কিছু নেতার প্রভাব চম্পাবাগ এলাকায় ছিল। সরকার বদলের পরেও সেই প্রভাব বজায় রয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ইসলামপুরের নারী পাচারচক্র নিয়ে আগেও একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও এবার একসঙ্গে ১৭ জন নাবালিকা উদ্ধারের ঘটনা নজিরবিহীন বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement