
সম্প্রতি কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। কয়েকদিন আগেই সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ইউনিয়ন রুমের একটি আলমারি থেকে নগদ টাকাভর্তি দু'টি ব্যাগ উদ্ধার হয়। এরপর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরেই মেলে দুটি এসি বেডরুম, যা নাকি তৃণমূলের নেতাদের রিফ্রেশমেন্টের জন্যই বানানো হয়েছিল। এদিন উত্তর ২৪ পরগনা জেলার কাঁচরাপাড়ায় একটি স্কুল থেকে উদ্ধার হয় এক কোটিরও বেশি টাকা। স্কুলের মধ্যে সিক রুমেরর ভিতরে মিলেছে কন্ডোমও। এবার উত্তরবঙ্গের কলেজেও মিলল মদের বোতল ও মহিলাদের পোশাক।
জলপাইগুড়ির আনন্দচন্দ্র (এসি) কলেজের ছাত্র সংসদের ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে মদের বোতল-সহ বিভিন্ন নেশার সামগ্রী। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ঘরটি বন্ধ ছিল। নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তালা ভেঙে ভিতরে ঢুকতেই এই সব সামগ্রী চোখে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের নজরে আনা হয়। ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কাঠগড়ায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন কলেজে সংসদ ঘর দখল করে নেশার আড্ডা চালানো হচ্ছিল।
জলপাইগুড়ির ঐতিহ্যবাহী আনন্দচন্দ্র কলেজের (AC College) ছাত্র সংসদের ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে থরে থরে সাজানো বিদেশি মদের বোতল, আপত্তিকর সামগ্রী এবং মহিলাদের পোশাক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে কলেজ চত্বরে। শাসকদলের ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন রুমের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
আনন্দচন্দ্র কলেজের বন্ধ থাকা স্টুডেন্ট ইউনিয়ন রুমের তালা ভাঙেন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) সদস্যরা। দরজা খুলতেই ভেতরে দেখা যায় চাঞ্চল্যকর দৃশ্য। রুমের ভেতর থেকে একের পর এক বিদেশি মদের খালি ও ভর্তি বোতল এবং মহিলাদের অন্তর্বাস উদ্ধার হয়। এবিভিপি-র দাবি, সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট করে তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন এই ইউনিয়ন রুমটিকে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কাজের আখড়া বানিয়ে রেখেছিল।এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই কলেজের নিরাপত্তা এবং ছাত্র সংসদের ভূমিকা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেছে। উদ্ধার হওয়া সামগ্রী ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।