
Kali Puja 2023: কোচবিহার জেলার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রতিমা তৈরি করছেন তাঁরা। এখন থেকেই যা নিয়ে উৎসাহ তুঙ্গে। এত বড় প্রতিমা বাইরে থেকে তৈরি করে আনা ঝামেলার। তাই এখানেই তৈরি হচ্ছে কাঠামো ও পূর্ণাঙ্গ প্রতিমা। যা নিয়ে উদ্যোক্তারা তো বটেই উৎসাহে টগবগ করে ফুটছে গোটা জেলাই।
কোচবিহারের সতীর্থ সংঘ ও পাঠাগারের কালী পুজোর। এবার তাঁদের পুজোর প্রধান আকর্ষণ ৩৪ ফুট উচ্চতার বিশাল কালী মূর্তি। জেলার সর্বত্র কালীপুজোর প্রস্তুতি তুঙ্গে। আর দু’সপ্তাহও বাকি নেই কালী পুজোর। এই বছর কোচবিহার জেলায় বেশ কয়েকটি থিম পুজো রয়েছে। ইতিমধ্যেই এই পুজো জনমানসে দারুণ প্রভাব ফেলেছে।
আয়োজকদের দাবি, কোচবিহার জেলায় এই সর্ব প্রথম এতো বড়ো কালী প্রতিমা দেখা যাবে। সকলকে চমকে দিতে চলছে সতীর্থ সংঘ ও পাঠাগার। এছাড়াও এই বিশাল প্রতিমার পাশাপশি তাঁদের থিম থাকতে চলেছে আদিবাসী সম্প্রদায়কে নিয়ে। জেলার সকল কালীপুজোর মধ্যে এই পুজোটি এবারের সেরা পুজো হয়ে উঠতে চলেছে।
পুজো কমিটির সদস্যরা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এবারে তাঁদের কালীপুজো ৫০ তম বর্ষে পদার্পণ করতে চলেছে। মূলত সেই কারণে এবারে তাঁদের পুজোর বাজেট আনুমানিক ১২ লক্ষ টাকা। পুজোর আকর্ষণ হিসেবে এবার থাকছে জেলার সর্বোচ্চ কালী প্রতিমা ও থিমের আকর্ষণ। এছাড়াও থাকছে চন্দননগরের নজরকাড়া আলোকসজ্জা। সব মিলিয়ে জেলার এবার অন্যতম সেরা আকর্ষণীয় কালী পুজো হয়ে উঠতে চলেছে এই ক্লাবের এই কালীপুজো।
কৃষ্ণনগর ও অসমের শিল্পীর এই বিশাল প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন। সকলের যৌথ প্রয়াসে বেশ দ্রুত গতিতেই চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ। দুর্গাপুজোর আগে থেকেই এই কাজ শুরু করা হয়েছিল। জেলার সুউচ্চ এই কালী প্রতিমা তৈরি করতে দুই গাড়ির মতন মাটি, দুই গাড়ি খড়, ২৩ টি বাঁশ ব্যবহার করা হচ্ছে। এই মূর্তির কাজ পুজোর দুই থেকে তিনদিন আগেই সম্পূর্ন করে দেওয়া হবে। জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ এই কালী প্রতিমা ইতিমধ্যেই সকলের নজর আকর্ষণ করতে শুরু করেছে। পুজোর সময় এই এলাকায় নজরকাড়া ভিড় হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে প্রবল।