Advertisement

Gautam Pal MLA Controversy: করণদিঘিতে নাম না করে বিধায়ক বিরোধী ব্যানার, তৃণমূলের অন্দরে তুঙ্গে অস্বস্তি

Gautam Pal MLA controversy: ব্যানারে লেখা ছিল, “জনগণের রায় মানতে হবে, ব্যর্থ বিধায়ককে যেতে হবে।” এই বার্তা ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। করণদিঘি শহরের পাশাপাশি টুঙ্গিদিঘি, বোতলবাড়ি, দোমোহনা, রসাখোয়া, ভুলকি সহ ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় ব্যানারগুলি নজরে আসে।

Aajtak Bangla
  • করণদিঘি (উত্তর দিনাজপুর),
  • 31 Jan 2026,
  • अपडेटेड 12:17 AM IST

Gautam Pal MLA controversy: উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘিতে ফের প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল। মঙ্গলবার সকাল থেকে বিধায়ক বিরোধী একাধিক ব্যানার ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ব্যানারে সরাসরি কারও নাম না থাকলেও ইঙ্গিত স্পষ্ট। বিধায়ক গৌতম পালের বিরুদ্ধেই এই প্রতিবাদ।

ব্যানারে লেখা ছিল, “জনগণের রায় মানতে হবে, ব্যর্থ বিধায়ককে যেতে হবে।” এই বার্তা ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। করণদিঘি শহরের পাশাপাশি টুঙ্গিদিঘি, বোতলবাড়ি, দোমোহনা, রসাখোয়া, ভুলকি সহ ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় ব্যানারগুলি নজরে আসে।

সকালে বাজার, রাস্তার মোড় ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় হঠাৎ এই ব্যানার দেখে অবাক হন স্থানীয় বাসিন্দারা। দ্রুতই বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে রাজনৈতিক মহলে।

আরও পড়ুন

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, ব্যানারগুলিতে ব্যবহার করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল এবং জেলা যুব সভাপতি কৌশিক গুণের ছবি। শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ছবি থাকায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, এই ব্যানার কাণ্ডের নেপথ্যে তৃণমূলেরই একাংশ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই বিধায়ক গৌতম পালের কাজকর্ম নিয়ে দলের অন্দরে ক্ষোভ জমছিল। উন্নয়নের গতি, এলাকার সমস্যার সমাধান এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ, সব মিলিয়েই অসন্তোষ প্রকাশ পাচ্ছিল।

এই ঘটনায় স্থানীয় তৃণমূল নেতা সেফাত আলির নাম সামনে এসেছে। তিনি বলেন, “করণদিঘিতে এমন বিধায়ক চাই, যিনি সৎ হবেন এবং মানুষের পাশে দাঁড়াবেন। সেই দাবিতেই ব্যানার লাগানো হয়েছে।” তাঁর বক্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।

তবে ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব এই দাবি মানতে নারাজ। করণদিঘি ব্লক তৃণমূলের সভাপতি সুভাষ সিনহা বলেন, “সেফাত আলির বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে। পরিকল্পিতভাবে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে।” বিষয়টি জেলা নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সুভাষ সিনহার দাবি, জেলা নেতৃত্বের নির্দেশ পেলেই সেফাত আলির বিরুদ্ধে কড়া সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তও হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

এদিকে গোটা ঘটনায় বিধায়ক গৌতম পালের প্রতিক্রিয়া জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। পরিস্থিতি নিয়ে বিজেপিও কটাক্ষ করেছে। জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি সুরজিৎ সেন বলেন, “তৃণমূল নিজেদের দ্বন্দ্বেই ভেঙে পড়ছে। করণদিঘিতে মানুষ এবার পরিবর্তন চাইছে।”
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement