Advertisement

Awas Yojna Cut Money: আবাস যোজনার কিস্তি পিছু ২০হাজার টাকা কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে

কাটমানির টাকা না দিলে মিলছে না ব্যাংকের পাশবুকও। এই চাঞ্চল্যকর তোলাবাজির ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল মালদার ইংরেজবাজারে। নিজেদের হকের টাকা ফেরত পেতে এবং ওই পঞ্চায়েত সদস্যের শাস্তির দাবিতে এদিন ইংরেজবাজারের বিডিও (ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক)-এর দ্বারস্থ হয়েছেন যদুপুর ১ ও ২ নম্বর ব্লকের একঝাঁক প্রতারিত উপভোক্তা।

আবাস যোজনার কিস্তি পিছু ২০হাজার টাকা কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধেআবাস যোজনার কিস্তি পিছু ২০হাজার টাকা কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 29 May 2026,
  • अपडेटेड 11:18 PM IST

গরিব মানুষের মাথার ওপর পাকা ছাদ তৈরির সরকারি টাকাতেও এবার থাবা বসাল কাটমানি সিন্ডিকেট! আবাস যোজনার প্রথম কিস্তির টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ঢুকতেই উপভোক্তাদের জোর করে ব্যাংকে নিয়ে গিয়ে এককালীন ২০ হাজার টাকা করে কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠল এক প্রভাবশালী পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। এখানেই শেষ নয়, কাটমানির টাকা না দিলে মিলছে না ব্যাংকের পাশবুকও। এই চাঞ্চল্যকর তোলাবাজির ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল মালদার ইংরেজবাজারে। নিজেদের হকের টাকা ফেরত পেতে এবং ওই পঞ্চায়েত সদস্যের শাস্তির দাবিতে এদিন ইংরেজবাজারের বিডিও (ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক)-এর দ্বারস্থ হয়েছেন যদুপুর ১ ও ২ নম্বর ব্লকের একঝাঁক প্রতারিত উপভোক্তা। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই জেলা রাজনীতিতে নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে কাটমানি বিতর্ক।

পাশবুক-নথিপত্র আটকে রেখে চাপ সৃষ্টির ছক
লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের বাংলা আবাস যোজনার নিয়ম মেনে পাকা বাড়ি তৈরির জন্য উপভোক্তাদের তিন দফায় মোট ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা। সেই মতো ইংরেজবাজারের যদুপুর এলাকার একাধিক দরিদ্র বাসিন্দা এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু উপভোক্তাদের অভিযোগ, আবেদন করার পর থেকেই তাঁদের ভোটার কার্ড, ব্যাংক পাশবুক ও অন্যান্য জরুরি নথিপত্র নিজের জিম্মায় আটকে রেখেছিলেন স্থানীয় ওই পঞ্চায়েত সদস্য। প্রথম থেকেই সমস্ত নথিপত্র আটকে রেখে উপভোক্তাদের একপ্রকার মানসিক চাপে রাখা হয়েছিল বলে দাবি গ্রামবাসীদের।

ব্যাংকে নিয়ে গিয়ে তোলাবাজি, ক্ষোভে ফুঁসছেন উপভোক্তারা
প্রতারিত গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি আবাস যোজনার প্রথম কিস্তির টাকা তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা পড়তেই অতি সক্রিয় হয়ে ওঠেন সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত সদস্য। তড়িঘড়ি তিনি উপভোক্তাদের পাকড়াও করে ব্যাংকে নিয়ে যান এবং টাকা তোলান। অভিযোগ, টাকা তোলার সাথে সাথেই অ্যাকাউন্ট পিছু সোজা ২০ হাজার টাকা করে কাটমানি হিসেবে জোরপূর্বক নিজের পকেটে পোরেন ওই সদস্য। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, এই টাকা না দিলে ব্যাংকের পাশবুক ও অন্যান্য নথিপত্র আর কোনোদিন ফেরত দেওয়া হবে না। অসহায় দরিদ্র উপভোক্তাদের প্রশ্ন, বাড়ি তৈরির সরকারি অনুদান থেকে যদি শুরুতেই ২০ হাজার টাকা কেটে নেওয়া হয়, তবে বাকি সামান্য টাকায় তাঁরা কীভাবে মাথার ওপর ছাদ সম্পূর্ণ করবেন? বিডিও-র কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়ার পর প্রশাসনের তরফে দ্রুত তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে এই লজ্জাজনক ঘটনায় অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য বা স্থানীয় শাসকদলের কোনো প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement