
বারুইপুরে নাবালিকার যৌন নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় উত্তাল গোটা রাজ্য। এই ঘটনায় নাবালিকার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। আজ ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ঘটনার পর থেকেই রাজ্য সরকার দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন, তদন্তে আইজি-র নেতৃত্বে পুলিশ ও বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) একযোগে কাজ করছে। পরিবারের পক্ষ থেকে যেসব সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে, সেগুলি সরকার পর্যায়ক্রমে নিশ্চিত করছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। এই ঘটনার মাঝেই উত্তরবঙ্গের মালদায় এক নির্যাতিতার উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।
স্কুলপড়ুয়া নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, মেয়েটিকে একটি ফাঁকা বাড়িতে প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। পুলিশ ইতিমধ্যে অভিযুক্তকে বিহারের পূর্ণিয়া থেকে গ্রেফতার করেছে। নির্যাতিতা বর্তমানে মালদা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন। ঘটনাটি ঘটেছে ইংরেজ বাজার থানার অন্তর্গত যদুপুর এলাকায়। প্রযুক্তিগত নজরদারির সহায়তায় রাতেই পূর্ণিয়া থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফচার করা হয়। তাকে আদালতে হাজির করা হয়েছে এবং পুলিশ সাত দিনের পুলিশ হেফাজত চেয়ে তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার হওয়া যুবকের নাম শেখ রবিউল। নাবালিকা ও অভিযুক্ত দুজনেই ইংরেজ বাজারের যদুপুর এলাকার বাসিন্দা। রবিবার বিকেলে ত্রিশোর্ধ্ব ওই অভিযুক্তের বাড়ি ফাঁকা ছিল। সেই সুযোগে সে ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে প্রলোভন দেখিয়ে ভেতরে নিয়ে যায়। অভিযোগ, এরপর নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয়। বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। এদিকে, ধরা পড়ার হাত থেকে বাঁচতে ওই যুবক বিহারে পালিয়ে গিয়েছিল। নির্যাতিতার পরিবারের দায়ের করা লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ একটি মামলা রুজু করেছে।
এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মালদার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মাকসুদ হাসান জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই একটি বিশেষ দল গঠন করা হয় এবং এর ফলে বিহার থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়। দ্রুত বিচারের মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।