Advertisement

Malda school Closed: কেন্দ্রীয় বাহিনী যাচ্ছেই না, ৪ মাস ধরে পড়াশোনা বন্ধ মালদার স্কুলে

২০২৬ ভোটের আগে এসেছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে ভোট মিটে যাওয়ার পর এখনও তারা থেকে গিয়েছে মালদার ইংরেজবাজারের শান্তা দেব্যা হাইস্কুলে। যার ফলে প্রায় চার মাস ধরে বন্ধ রয়েছে স্কুল। পড়াশোনা শিকেয় উঠেছে।

মালদায় বন্ধ স্কুলমালদায় বন্ধ স্কুল
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 12 Aug 2026,
  • अपडेटेड 12:40 PM IST
  • ২০২৬ বিধানসভার ভোটের আগে এসেছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী
  • বে ভোট মিটে যাওয়ার পর এখনও তারা থেকে গিয়েছে মালদার ইংরেজবাজারের শান্তা দেব্যা হাইস্কুলে
  • চার মাস ধরে বন্ধ রয়েছে স্কুল

২০২৬ বিধানসভা ভোটের আগে এসেছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে ভোট মিটে যাওয়ার পর এখনও তারা থেকে গিয়েছে মালদার ইংরেজবাজারের শান্তা দেব্যা হাইস্কুলে। যার ফলে প্রায় চার মাস ধরে বন্ধ রয়েছে স্কুল। পড়াশোনা শিকেয় উঠেছে। এমনকী দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষা পর্যন্ত হয়নি। তাই প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়ে অবিলম্বে স্কুল খোলার আর্জি জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন মালদার পুলিশ সুপার।

যতদূর খবর, ভোট মিটলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে মালদায়। এই বাহিনীকে রাখা হয়েছে ইংরেজবাজারের শান্তা দেব্যা হাইস্কুলে।

আসলে মালদায় বিধানসভা ভোট হয়েছিল ২৩ এপ্রিল। এর আগে ১৪ এপ্রিল প্রথমবার কেন্দ্রীয় বাহিনী আসে স্কুলে। ভোট পর্ব মিটে যাওয়ার পর গরমের ছুটির মধ্যে কয়েক দিনের জন্য বাহিনী সরে যায়। যার ফলে ১ জুন স্কুল খুলেছিল। কিন্তু ১৩ জুন ফের এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে গিয়ে রাখা হয় স্কুলে। ওই বাহিনী এখনও থাকছে স্কুলেই। তাতেই বিপত্তি। 

চলতি আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে রাজ্যের সমস্ত স্কুলে দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষা হয়েছে। কিন্তু বাহিনী থাকায় এই স্কুলে পরীক্ষা নেওয়া যায়নি। একটুও পড়াশোনা এগোয়নি। ফলে ব্যাপক সমস্যায় পড়ুয়ারা।

স্কুলের এক ছাত্রের কথায়, 'আমাদের স্কুল ৪ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। সব স্কুলে পরীক্ষা চলছে। আমাদের স্কুলে হচ্ছে না। ফোর্স আমাদের স্কুলে ভোটের আগে থেকেই রয়েছে।'

জানা গিয়েছে, শান্তা দেব্যা হাইস্কুলে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা সাড়ে আটশোর বেশি। এছাড়া রয়েছেন ১৭ জন শিক্ষক, দুইজন পার্শ্ব শিক্ষক, তিনজন অশিক্ষক কর্মচারী। স্কুলের বেশিরভাগ ছাত্রই মধ্যবিত্ত পরিবারের। এই অবস্থায় পড়ুয়া এবং অভিভাবকরা চাইছেন দ্রুত স্কুল খুলুক। আবার স্বাভাবিক পড়াশোনা শুরু হোক।

এদিকে স্কুল থেকে বাহিনী সরানোর আর্জি জানিয়ে জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং জেলা শিক্ষা দফতরে চিঠি দিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে এতটা সময় নষ্ট হয়েছে যে সিলেবাস শেষ করাই কঠিন। আমরা চাই যত দ্রুত সম্ভব স্কুল খোলা হোক। 

Advertisement

সমস্যা শিকার করেছেন মালদার পুলিশ সুপার অনুপম সিং। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন দ্রুত বিকল্প জায়গা দেখে এই স্কুল থেকে বাহিনীকে সরানো হবে। তিনি বলেন, 'এক কোম্পানি প্যারামিলিটারি ফোর্স রয়ে গিয়েছে। আইনশৃঙ্খলার জন্যই রয়েছে। ডিএম এবং আমাদের দলের সঙ্গে কথা বলেছি বিকল্প জায়গা খোঁজার জন্য।' 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement