Advertisement

Malda Zilla Parsihad Unrest: এবার মালদা জেলা পরিষদে অচলাবস্থা, সভাধিপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা দলেরই ২০ সদস্যের

মালদা জেলা পরিষদের মোট আসন সংখ্যা ৪৩টি যার মধ্যে সিংহভাগ অর্থাৎ ৩৪টি আসন রয়েছে শাসকদল তৃণমূলের দখলে। এছাড়া ৪টি আসনে বিজেপি এবং ৫টি আসনে কংগ্রেস প্রার্থীরা জয়ী হয়েছিলেন। এই বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও শাসক শিবিরের এমন অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহে জেলার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

এবার মালদা জেলা পরিষদে অচলাবস্থা, সভাধিপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা দলেরই ২০ সদস্যেরএবার মালদা জেলা পরিষদে অচলাবস্থা, সভাধিপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা দলেরই ২০ সদস্যের
Aajtak Bangla
  • মালদা,
  • 15 Jun 2026,
  • अपडेटेड 11:52 PM IST

পঞ্চায়েত স্তরে ক্ষমতা দখলের লড়াইকে কেন্দ্র করে মালদা জেলা তৃণমূলের অন্দরে এবার আড়াআড়ি ফাটল স্পষ্ট হয়ে গেল। খোদ তৃণমূল পরিচালিত মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা বর্মন ঘোষ এবং সহকারী সভাধিপতির বিরুদ্ধে দলেরই একাংশ সদস্য অনাস্থা প্রস্তাব এনে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করলেন। এদিন মালদার ডিভিশনাল কমিশনারের দফতরে গিয়ে জেলা পরিষদের ২০ জন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সদস্যের সই করা একটি অনাস্থা চিঠি জমা দেওয়া হয়েছে।

মালদা জেলা পরিষদের মোট আসন সংখ্যা ৪৩টি যার মধ্যে সিংহভাগ অর্থাৎ ৩৪টি আসন রয়েছে শাসকদল তৃণমূলের দখলে। এছাড়া ৪টি আসনে বিজেপি এবং ৫টি আসনে কংগ্রেস প্রার্থীরা জয়ী হয়েছিলেন। এই বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও শাসক শিবিরের এমন অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহে জেলার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। জেলা পরিষদের সদস্য তথা প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা সামসুল হক এই বিষয়ে স্পষ্ট জানান যে সভাধিপতি লিপিকা বর্মন ঘোষ দীর্ঘদিন ধরে কর্মাধ্যক্ষদের কোনও মতামতকে তোয়াক্কা করতেন না। বার বার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তিনি সম্পূর্ণ নিজের মর্জিমতো একনায়কতন্ত্র চালিয়ে জেলা পরিষদ পরিচালনা করতেন যার ফলে গোটা জেলার সার্বিক উন্নয়নের কাজ স্তব্ধ হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে জেলাকে মুক্ত করতেই তাঁরা সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা আনতে বাধ্য হয়েছেন তবে তাঁরা সকলেই দলেই থাকছেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

একই সুর শোনা গিয়েছে মালদা জেলা পরিষদের অপর তৃণমূল সদস্য প্রতিমা সিংহের গলায়। তাঁর অভিযোগ বিগত প্রায় ২ বছর ধরে জেলা পরিষদের অন্তত ২৫ থেকে ২৬ জন সদস্যের স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে চরম সমস্যা হচ্ছে। তাঁরা দলের ঊর্ধ্বতন বা শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সমস্ত আলোচনা মেনেই এবং তাঁদের সবুজ সঙ্কেত নিয়েই এদিন ১৭ জনের সই সংবলিত অনাস্থা চিঠি জমা দেওয়ার এই চূড়ান্ত পদক্ষেপটি করেছেন। অন্য দিকে এই বিদ্রোহের মুখে পড়ে মালদা জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি তথা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক এটিএম রফিকুল পাল্টা গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি দলের এই বিক্ষুব্ধ সদস্যরা আসলে বিরোধী শিবির কংগ্রেস ও বিজেপির সদস্যদের সঙ্গে তলে তলে হাত মিলিয়ে এবং যোগসাজশ করে এই অনাস্থা প্রস্তাব ডেকেছেন যা সম্পূর্ণভাবে একটি দলবিরোধী কাজ।

Advertisement

তৃণমূলের এই অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন এবং কাজিয়া নিয়ে স্বভাবতই কটাক্ষ করতে ছাড়েনি গেরুয়া শিবির। এই ঘটনাকে তৃণমূলের তীব্র গোষ্ঠীকোন্দলের অবধারিত পরিণতি বলে দাবি করেছেন মালদা জেলা পরিষদের বিজেপি সদস্য তারাশঙ্কর রায়। তিনি বলেন যে তৃণমূলের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও মারামারির জেরেই আজ জেলা পরিষদে এই অনাস্থা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিজেপি এই গোটা ঘটনার উপর কড়া নজর রাখছে এবং আগামী দিনে রাজ্য ও জেলা নেতৃত্বের নির্দেশিকা অনুযায়ী তারা নিজেদের প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement