Advertisement

TMC Councilor Joined Congress: চেয়ারম্যান সহ ৬ কাউন্সিলর যোগ দিলেন কংগ্রেসে, মেখলিগঞ্জ পুরসভাও হাতছাড়া TMC-র

TMC Councilor Joined Congress: মাত্র ৯টি ওয়ার্ড বিশিষ্ট মেখলিগঞ্জ পুরসভাটি আয়তনে ছোট হলেও, রাজনৈতিকভাবে এর গুরুত্ব বর্তমানে তুঙ্গে। রাজ্যজুড়ে পালাবদলের আবহে যখন বারাকপুর শিল্পাঞ্চল সহ একাধিক পুরসভায় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সংকট দেখা দিয়েছে, তখন কোচবিহারের এই পুরসভার দলবদল উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

চেয়ারম্যান সহ ৬ কাউন্সিলর যোগ দিলেন কংগ্রেসে, মেখলিগঞ্জ পুরসভাও হাতছাড়া TMC-রচেয়ারম্যান সহ ৬ কাউন্সিলর যোগ দিলেন কংগ্রেসে, মেখলিগঞ্জ পুরসভাও হাতছাড়া TMC-র
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 05 Jun 2026,
  • अपडेटेड 5:31 PM IST

TMC Councilor Joined Congress: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক পালাবদলের আবহেই এবার উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে বড়সড় ওলটপালট ঘটে গেল, একের পর এক পুরসভায় ভাঙনের চেনা ছবি বজায় রেখে এবার কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ পুরসভা তৃণমূল কংগ্রেসের হাত থেকে ছিনিয়ে নিল কংগ্রেস, শাসকদলের অন্দরে চলা তীব্র ক্ষোভ আর অস্থিরতার মাঝেই মেখলিগঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান প্রভাত পাটনিসহ মোট ৬ জন কাউন্সিলার ঘাসফুল শিবির ছেড়ে পদ্ম বা গেরুয়া শিবিরের দিকে না গিয়ে যোগ দিলেন হাত শিবিরে।

শুক্রবার কলকাতার বিধান ভবনে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের হাত থেকে তাঁরা দলীয় পতাকা গ্রহণ করেন, মাত্র ৯টি ওয়ার্ড বিশিষ্ট মেখলিগঞ্জ পুরসভাটি আয়তনে ছোট হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে এই দলবদলের রাজনৈতিক গুরুত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল, বারাকপুর শিল্পাঞ্চলসহ রাজ্যের একাধিক পুরসভায় যখন প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে, ঠিক তখনই উত্তরবঙ্গের এই পুরসভার হাতবদল নতুন এক রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কলকাতার বিধান ভবনে আয়োজিত এই বিশেষ যোগদান পর্বে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দেবপ্রসাদ রায় এবং বিশ্বজিৎ সরকারের মতো শীর্ষ কংগ্রেস নেতারা, তৃণমূলের ৬ জন কাউন্সিলার একসঙ্গে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ায় মেখলিগঞ্জ পুরসভায় স্বাভাবিকভাবেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে বিদায়ী শাসকদল, ফলে এই পুরবোর্ড এখন পুরোপুরি কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে, দলবদল প্রসঙ্গে চেয়ারম্যান প্রভাত পাটনি বিজেপির দিকে নিশানা সেধে বলেন, বিজেপি সরকার রাজ্যে আসার পর তাদের বক্তব্য ছিল ভয় আউট এবং ভরসা ইন, কিন্তু সরকার গঠনের পর থেকে হকার উচ্ছেদ ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের দোকান ভেঙে দেওয়ার মতো একাধিক কাজ তারা করছে, তিনি আরও যোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেসে থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু সেই দল এখন নিজেই তীব্র গোষ্ঠী কোন্দলে নাজেহাল, তাই সাধারণ মানুষের স্বার্থে কাজ করতেই তাঁরা কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন, অন্যদিকে এই মেগা দলবদল প্রসঙ্গে মেখলিগঞ্জের প্রাক্তন বিধায়ক তথা প্রবীণ তৃণমূল নেতা পরেশ চন্দ্র অধিকারী সাফ জানিয়েছেন, দলবদল নিয়ে চেয়ারম্যান প্রভাত পাটনির সঙ্গে তাঁর কোনও আলোচনা হয়নি এবং তিনি নিজে তৃণমূল কংগ্রেসেই রয়েছেন।

Advertisement

বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহার জেলায় বিজেপির ব্যাপক জয়ের পর থেকেই সেখানকার সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত তরল ও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং রাজ্যের সামগ্রিক ডামাডোলের কারণেই মেখলিগঞ্জের মতো পুরসভাগুলোতে এই ভাঙন দেখা দিল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা, তবে এই ডামাডোলের জেরে পুরসভার প্রশাসনিক পরিষেবা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, বারাকপুরের বিভিন্ন পুরসভায় চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলারদের পদত্যাগের ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন পুরপরিষেবা যেভাবে ব্যাহত হয়েছে, মেখলিগঞ্জের ক্ষেত্রেও সেই একই আশঙ্কায় ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা, চেয়ারম্যান ও তাঁর অনুগামীরা দলবদল করলেও পুরসভার উন্নয়নমূলক কাজ ও নাগরিক পরিষেবা কতটা স্বাভাবিক থাকবে, তা নিয়ে বড়সড় সংশয় তৈরি হয়েছে, কোচবিহারের এই ভাঙন কি কেবল মেখলিগঞ্জেই সীমাবদ্ধ থাকবে নাকি উত্তরবঙ্গের অন্যান্য পুরসভাতেও কংগ্রেস বা বিজেপির দিকে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির পা বাড়াবে, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement