Advertisement

আবাসের ঘরের নামে ১০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ, মালদায় তৃণমূল নেত্রীর স্বামীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

তৃণমূল আমলে বিজেপি সমর্থক হওয়ার জন্য চক্রান্ত করে উপভোক্তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা এবং তাঁর স্বামী। মুখ্যমন্ত্রী-সহ জেলা প্রশাসন, মহকুমা প্রশাসন এবং ব্লক প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। রাজ্যসড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভও দেখান বঞ্চিত উপভোক্তারা। মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের মালিওর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অর্জুনা গ্রামের ঘটনা।

আবাসের বাড়ি পেতে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ আবাসের বাড়ি পেতে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ
প্রীতম ব্যানার্জী
  • কলকাতা,
  • 03 Oct 2026,
  • अपडेटेड 4:33 PM IST
  • তৃণমূল আমলে বিজেপি সমর্থক হওয়ার জন্য চক্রান্ত করে উপভোক্তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল
  • মুখ্যমন্ত্রী-সহ জেলা প্রশাসন, মহকুমা প্রশাসন এবং ব্লক প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে
  • রাজ্যসড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভও দেখান বঞ্চিত উপভোক্তারা

তৃণমূল নেতানেত্রীদের বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ নতুন কিছু নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে মানুষ সেই সময় মুখ খোলার সাহস না পাননি ঠিকই। তবে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর সেই ভয় কেটে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় কাটমানি চাওয়া তৃণমূল নেতানেত্রীদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতেও দেখা গিয়েছে মানুষকে। এবার মালদায় আবাস যোজনায় পরিবার পিছু ১০ হাজার টাকা কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীর বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে রাজ্য সড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন।

অভিযোগ, তৃণমূল আমলে বিজেপি সমর্থক হওয়ার জন্য চক্রান্ত করে উপভোক্তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা এবং তাঁর স্বামী। মুখ্যমন্ত্রী-সহ জেলা প্রশাসন, মহকুমা প্রশাসন এবং ব্লক প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। রাজ্যসড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভও দেখান বঞ্চিত উপভোক্তারা। মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের মালিওর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অর্জুনা গ্রামের ঘটনা।
     
বঞ্চিত উপভোক্তাদের অভিযোগ, স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা সীমা মণ্ডল এবং তারঁ স্বামী স্বপন মণ্ডল আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার জন্য পরিবার পিছু ১০ হাজার টাকা করে কাটমানি নেন। কিন্তু ঘরের তালিকায় প্রথমে নাম থাকলেও পরবর্তীতে নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। ফলে কাঁচা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও আবাসের ঘর থেকে বঞ্চিত হন তাঁরা। অথচ এলাকায় যাঁদের পাকা বাড়ি, তাঁরা ঘর পেয়ে গিয়েছেন। এমনকী বঞ্চিতরা পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীর কাছে টাকা ফেরত চাইলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

বিক্ষোভকারীদের আরও অভিযোগ, তৃণমূলের সময়ে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কারণেই চক্রান্ত করে তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়। উপযুক্ত তদন্ত এবং ঘরের দাবিতে রাস্তায় নেমে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান বঞ্চিতরা। সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী-সহ প্রশাসনের কাছে সীমা মণ্ডল ও তাঁর স্বামী স্বপন মণ্ডলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।

Advertisement

ঘটনা সামনে আসতেই তৃণমূলকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি। জেলা বিজেপি সদস্য কিষান কেডিয়া বলেন, 'দুর্নীতি করলেই জেলে স্থান হবে।'

যদিও তিনি এই বিষয়ে কিছু জানেন না বলেই দাবি করেছেন পঞ্চায়েত সদস্যা সীমা মণ্ডল। (রিপোর্টার-মিলটন পাল)

 

Read more!
Advertisement
Advertisement