Advertisement

সোশ্যাল মিডিয়ায় নগ্ন ছবি ভাইরাল, আত্মঘাতী রায়গঞ্জের যুবক

আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে এক যুবতী সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করল রায়গঞ্জের কর্ণজোড়ায় অবস্থিত সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম রহিমা মণ্ডল(২৭), বাড়ি নদীয়া জেলার হরিণঘাটা এলাকায়। অপরজনের নাম দীপঙ্কর ক্ষাত্রেপাল(৩৮)

সোশ্যাল মিডিয়ায় নগ্ন ছবি ভাইরাল, আত্মঘাতী রায়গঞ্জের যুবকসোশ্যাল মিডিয়ায় নগ্ন ছবি ভাইরাল, আত্মঘাতী রায়গঞ্জের যুবক
Aajtak Bangla
  • রায়গঞ্জ,
  • 03 Dec 2023,
  • अपडेटेड 9:52 PM IST

যুবকের নগ্ন ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী রায়গঞ্জের যুবক। ঘটনায় এক যুবতী সহ মোট দু'জনকে গ্রেফতার করল রায়গঞ্জের সাইবার থানার পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৬/৩৮৫ ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি আইনেও মামলা দায়ের করা হয়। রবিরা ধৃতদের রায়গঞ্জ মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে তোলা হলে বিচারককে ১৪দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।

আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে এক যুবতী সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করল রায়গঞ্জের কর্ণজোড়ায় অবস্থিত সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম রহিমা মণ্ডল(২৭), বাড়ি নদীয়া জেলার হরিণঘাটা এলাকায়। অপরজনের নাম দীপঙ্কর ক্ষেত্রপাল। বাড়ি বর্ধমান জেলার মেমারি থানার দেবীপুর এলাকায়। ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। পাশাপাশি আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলাও রয়েছে। এদিন ধৃতদের রায়গঞ্জ মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪দিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ দেন।

চলতি বছরের ১৫ জুলাই এক যুবকের নগ্ন ছবি ভাইরাল করে দেওয়ার অভিযোগে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয় সেই যুবক। ঘটনাটি ঘটে রায়গঞ্জ থানার শীতগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের একর গ্রামে। মৃত যুবকের নাম সুশান্ত চন্দ্র দাস। বয়স ২৬ বছরের। তিনি একটি বেসরকারি সংস্থার হিসাবরক্ষক পদে কর্মরত ছিলেন। এই ঘটনায় মৃত যুবকের ভাই প্রশান্ত দাস রায়গঞ্জের কর্ণজোড়ায় অবস্থিত সাইবার ক্রাইম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত নেমে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। যুবকের ভাই প্রশান্ত দাস সংবাদমাধ্যমকে জানান, দাদার নগ্ন ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেয় এক মহিলা সহ দু'জন। সেই অপমানে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয়। মৃতের মোবাইলফোনের সূত্র ধরেই দু'জনকে খুঁজে বের করে পুলিশ।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement