Advertisement

TMC Leader Arrest: ডাকাতির ছক কষার পর্দাফাঁস, গাজোলে পুলিশের জালে তৃণমূলের প্রাক্তন যুব সভাপতি

TMC Leader Arrest: শনিবার গভীর রাতে গাজোল থানার পুলিশ ওত পেতে তাকে পাকড়াও করে। রবিবার ধৃতকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এই ঘটনা সামনে আসতেই এলাকায় ব্যাপক রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

TMC Leader Arrest: ডাকাতির ছক কষার পর্দাফাঁস, গাজোলে পুলিশের জালে তৃণমূলের প্রাক্তন যুব সভাপতিTMC Leader Arrest: ডাকাতির ছক কষার পর্দাফাঁস, গাজোলে পুলিশের জালে তৃণমূলের প্রাক্তন যুব সভাপতি
Aajtak Bangla
  • মালদা,
  • 19 Jul 2026,
  • अपडेटेड 11:23 PM IST

TMC Leader Arrest: মালদার গাজোলে এক চাঞ্চল্যকর অপরাধ চক্রের হদিশ মেলাতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। দুষ্কৃতী দলের সঙ্গে সরাসরি হাত মিলিয়ে ডাকাতির বড়সড় ব্লুপ্রিন্ট তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন গাজোলের তুলসীডাঙা এলাকার বাসিন্দা তথা তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক যুব সভাপতি সুরজিৎ সাহা। শনিবার গভীর রাতে গাজোল থানার পুলিশ ওত পেতে তাকে পাকড়াও করে। রবিবার ধৃতকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এই ঘটনা সামনে আসতেই এলাকায় ব্যাপক রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

তদন্তকারীদের দাবি এই ডাকাতি চক্রের অন্যতম মূল চালিকাশক্তি ছিলেন খোদ এই তৃণমূল নেতা। আসল ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল গত বুধবার রাতে। পুলিশ যখন নৈশকালীন টহলদারির কাজে ব্যস্ত ছিল ঠিক তখন গাজোলের পাঁচপাড়া সমবায় ব্যাংক সংলগ্ন এলাকা থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে অমিত সাহা ও বিনয় মন্ডল নামে দুই দুষ্কৃতীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের তল্লাশি করে উদ্ধার হয় একটি অত্যাধুনিক পাইপগান এক রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং ডাকাতি করার জন্য মজুত রাখা একাধিক সরঞ্জাম।

এর পরেই থানায় এনে ওই দুই দুষ্কৃতীকে দফায় দফায় জেরা শুরু করেন তদন্তকারীরা। পুলিশের ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ভেঙে পড়ে ধৃতরা এবং এই ডাকাতির ব্লুপ্রিন্টের পেছনে থাকা তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক যুব সভাপতি সুরজিৎ সাহার নাম ও যোগসাজশের কথা গড়গড় করে কবুল করে। জানা গিয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক কয়েক মাস আগে সুরজিৎ সাহা তৃণমূলের ব্লক যুব সভাপতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছিলেন। যদিও পরবর্তীতে নির্বাচনের পর শাসক দলের সমস্ত পুরনো কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল।

শাসক দলের প্রাক্তন নেতার এমন কীর্তি সামনে আসতেই চাঁছাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছে গেরুয়া শিবির। স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন তীব্র কটাক্ষ করে বলেছেন যে তৃণমূলের বেশিরভাগ নেতারাই এই ধরণের নানা দুষ্কর্মের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। টাকার বিনিময়ে এরা বড় বড় পদ কিনতেন এবং তারপর শুরু হতো তোলাবাজি কাটমানি ও সন্ত্রাসের রাজত্ব। ওই দলে এমন আরও অনেক অপরাধী লুকিয়ে রয়েছে বলে দাবি করে পুলিশকে কোনোভাবে নরম মনোভাব না দেখানোর স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন বিধায়ক। পুলিশ জানিয়েছে এই চক্রে জড়িত বাকি পলাতক দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করা হয়েছে এবং নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তাদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement