Advertisement

Phansidewa TMC Candidate: ফাঁসিদেওয়ার TMC-র প্রার্থী অপছন্দ, জাতীয় সড়ক অবরোধ চা শ্রমিকদের; চাঞ্চল্য

Phansidewa TMC Candidate: এদিন কয়েকশো চা শ্রমিক সংগঠিত হয়ে বিধাননগর সংলগ্ন ডাঙ্গাপাড়ায় পথ অবরোধ শুরু করলে উত্তরবঙ্গের লাইফলাইন বলে পরিচিত ২৭ নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে যায়। মাইলের পর মাইল ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাসের সারি দাঁড়িয়ে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।

ফাঁসিদেওয়ায় TMC-র প্রার্থী বদলের দাবিতে জাতীয় সড়ক অবরোধ, আদিবাসী চা শ্রমিকদেরফাঁসিদেওয়ায় TMC-র প্রার্থী বদলের দাবিতে জাতীয় সড়ক অবরোধ, আদিবাসী চা শ্রমিকদের
Aajtak Bangla
  • শিলিগুড়ি,
  • 22 Mar 2026,
  • अपडेटेड 6:27 PM IST

Phansidewa TMC Candidate: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে উত্তাপের পারদ চড়তে শুরু করেছে। এবার প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে ক্ষোভের আগুন আছড়ে পড়ল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে। রবিবার ফাঁসিদেওয়া বিধানসভা কেন্দ্রের ঘোষিত প্রার্থী রিনা টোপ্পো এক্কার নাম পরিবর্তনের দাবিতে শিলিগুড়ি-কলকাতা ২৭ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে শামিল হলেন স্থানীয় আদিবাসী চা শ্রমিকরা। তাঁদের স্পষ্ট দাবি, রিনা টোপ্পোর বদলে মহকুমা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি রোমা রেশমি এক্কাকে প্রার্থী করতে হবে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিকেলের দিকে শিলিগুড়ির উপকণ্ঠে ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়।

এদিন কয়েকশো চা শ্রমিক সংগঠিত হয়ে বিধাননগর সংলগ্ন ডাঙ্গাপাড়ায় পথ অবরোধ শুরু করলে উত্তরবঙ্গের লাইফলাইন বলে পরিচিত ২৭ নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে যায়। মাইলের পর মাইল ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাসের সারি দাঁড়িয়ে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। আন্দোলনকারীদের দাবি, তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একনিষ্ঠ সমর্থক হলেও স্থানীয় প্রার্থী নির্বাচনে দল ভুল করেছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, রোমা রেশমি এক্কা দীর্ঘদিন ধরে গ্রামে গ্রামে ঘুরে মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন। অন্যদিকে, ঘোষিত প্রার্থী রিনা টোপ্পো এক্কাকে এলাকার সাধারণ মানুষ চেনেনই না। তাঁদের সাফ হুঁশিয়ারি, প্রার্থী বদল না করা হলে তাঁরা আসন্ন নির্বাচনে ‘অন্য পথে’ হাঁটতে বাধ্য হবেন।

যদিও এই বিক্ষোভকে বিশেষ আমল দিতে নারাজ তৃণমূলের ফাঁসিদেওয়া বিধানসভা কো-অর্ডিনেটর কাজল ঘোষ। তাঁর দাবি, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সবদিক বিচার করেই প্রার্থী ঠিক করেছেন। সংগঠনের অবস্থা এখন যথেষ্ট মজবুত, তাই এই সময়ে দাঁড়িয়ে দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এমন বিক্ষোভ মোটেই কাম্য নয়। অন্যদিকে, শাসকদলের এই আদি-নব্য দ্বন্দ্ব নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি গেরুয়া শিবির। বিজেপি প্রার্থী দুর্গা মুর্মু বলেন, “তৃণমূলের অন্দরের লড়াই এখন রাস্তার মোড়ে চলে এসেছে। এই বিক্ষোভই প্রমাণ করে যে ওদের পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। ব্যালটেই মানুষ এর যোগ্য জবাব দেবে।” এখন দেখার, ঘাসফুল শিবিরের এই চোরাগোপ্তা অসন্তোষ ভোটের বাক্সে কী প্রভাব ফেলে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement