Advertisement

দক্ষিণ দিনাজপুরে মাইক্রো অবজার্ভারকে সপাটে চড়, SIR নিয়ে ফের বাংলায় অশান্তি

SIR: ফের SIR ঘিরে অশান্তির অভিযোগ। এবার নির্বাচন কমিশনের পাঠানো মাইক্রো অবজার্ভারকে হেনস্থার অভিযোগ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জে। ওই মাইক্রো অবজার্ভারের উপর হামলার ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

দক্ষিণ দিনাজপুরে মাইক্রো অবজার্ভারকে সপাটে চড়দক্ষিণ দিনাজপুরে মাইক্রো অবজার্ভারকে সপাটে চড়
Aajtak Bangla
  • বালুরঘাট,
  • 25 Jan 2026,
  • अपडेटेड 2:21 PM IST
  • ফের SIR ঘিরে অশান্তির অভিযোগ।
  • মাইক্রো অবজার্ভারকে হেনস্থার অভিযোগ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জে।
  • মাইক্রো অবজার্ভারের উপর হামলার ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

ফের SIR ঘিরে অশান্তির অভিযোগ। এবার নির্বাচন কমিশনের পাঠানো মাইক্রো অবজার্ভারকে হেনস্থার অভিযোগ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জে। ওই মাইক্রো অবজার্ভারের উপর হামলার ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। বিজেপির অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই হামলা চালিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর গতকাল সন্ধ্যাবেলায় কুমারগঞ্জের ওই এলাকায় SIR -এর কাজ পরিদর্শন করতে গিয়েছিলেন দিব্যেন্দু গড়াই নামে ওই মাইক্রো অবজার্ভার। সেখানেই তাঁর উপর হামলা চালানো হয় বলে দাবি বিজেপির। পরে আক্রান্ত মাইক্রো-অবজারভারকে উদ্ধার করে ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসারের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ঘটনাস্থলে আসে কুমারগঞ্জের পুলিশ। যদিও পুলিশ বা প্রশাসন কেউই মারধরের কথা স্বীকার করেনি। ইতিমধ্যে, কুমারগঞ্জ বিডিও অফিস চত্বরে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। কমব্যাট ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।

অন্যদিকে, মাইক্রো অবজার্ভার দিব্যেন্দু গড়াই নিজেও বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। জেলা পুলিশ সুপার চিন্ময় মিত্তল বিষয়টি নিয়ে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।

অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে BJP-এর করা এই অভিযোগকে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। TMC-র দাবি, সাধারণ মানুষই এই ঘটনায় জড়িত। স্থানীয় তৃণমূল নেতা সুভাষ চাকির জানিয়েছেন, তৃণমূল কংগ্রেস এই ঘটনায় জড়িত নয়। বরং মাইক্রো-আবজার্ভারের আচরণের কারণেই সাধারণ মানুষ তাঁকে মারধর করেছে। তবে গোটা ঘটনায় দক্ষিণ দিনাজপুরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। 

উল্লেখ্য, কদিন আগেই SIR এর হিয়ারিং কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার সন্দেশখালি ও বাসন্তী। চলে অবরোধ ও ভাঙচুর।  শুনানির জন্য ডেকে এনে ভোটারদের ইচ্ছাকৃত ভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়। এরফলে  পরিস্থিতি দ্রুত হাতের বাইরে চলে যায়। 

ভোটারদের একাংশের দাবি, কোনও কারণ ছাড়াই তাঁদের বারবার শুনানির জন্য হাজির হতে বলা হচ্ছে। এতে দৈনন্দিন কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটছে। সেই ক্ষোভ থেকেই অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে বলে দাবি তাঁদের। উত্তেজিত জনতা বিডিও অফিসের ভিতরে ঢুকে ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ। 
 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement