Advertisement

Abhishke Banerjee Shantanu Thakur: অভিষেক চলে যেতেই রাস্তায় গোবর জল, মন্দির 'শুদ্ধিকরণ' শান্তনুর

Abhishke Banerjee Shantanu Thakur: শুক্রবার ঠাকুরনগরে ঠাকুরবাড়ি ও বড়মাকে শ্রদ্ধা জানাতে যান অভিষেক। তিনি বলেন, “এই মন্দিরে আসা আমার অধিকার।” ২০২৩ সালে ঠাকুরবাড়িতে ঢুকতে না দেওয়ার প্রসঙ্গও টানেন। জানিয়ে দেন, মানুষ সেই ঘটনার জবাব দিয়েছে পঞ্চায়েতে।

প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ অভিষেকের, চলে যেতেই ঠাকুরবাড়ি শুদ্ধিকরণ করলেন শান্তনুপ্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ অভিষেকের, চলে যেতেই ঠাকুরবাড়ি শুদ্ধিকরণ করলেন শান্তনু
Aajtak Bangla
  • ঠাকুরনগর,
  • 09 Jan 2026,
  • अपडेटेड 10:22 PM IST

 Abhishke Banerjee Shantanu Thakur: রাজ্যে এসআইআর ইস্যুতে উদ্বেগ বাড়তেই মতুয়া সমাজকে নতুন করে অস্থির করার চেষ্টা চলছে, এমন অভিযোগ তুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর লক্ষ্যবস্তু সরাসরি বিজেপি। অভিযোগ, উত্তর ২৪ পরগনা-নদিয়ার মতুয়া অধ্যুষিত এলাকায় বিজেপির জনপ্রতিনিধিরাই এই ‘চক্রান্তে’ শামিল।

শুক্রবার ঠাকুরনগরে ঠাকুরবাড়ি ও বড়মাকে শ্রদ্ধা জানাতে যান অভিষেক। তিনি বলেন, “এই মন্দিরে আসা আমার অধিকার।” ২০২৩ সালে ঠাকুরবাড়িতে ঢুকতে না দেওয়ার প্রসঙ্গও টানেন। জানিয়ে দেন, মানুষ সেই ঘটনার জবাব দিয়েছে পঞ্চায়েতে।

ঠাকুরবাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে তিনি অভিযোগ করেন, ভোটে জিতে মতুয়াদের ভরসা পেলেও বিজেপি নেতারাই আজ বলছেন, “এক লক্ষ নাম বাদ পড়লে সমস্যা নেই।” অভিষেকের মন্তব্য, এই কথা তৃণমূলের নয়, বিজেপিরই নির্বাচিত প্রতিনিধিদের। তাঁর দাবি, বনগাঁ-রানাঘাটের মানুষ এর জবাব দেবেন।

আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গও তোলেন তিনি। বলেন, ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের সম্প্রসারণ হয়নি, কল্যাণীর AIIMS এগোয়নি, নিঃশর্ত নাগরিকত্বের প্রতিশ্রুতিও কাগজেই। কটাক্ষ করে অভিষেক প্রশ্ন তোলেন, “মতুয়া ভাইবোনেরা যদি অবৈধ হন, তবে প্রধানমন্ত্রীও অবৈধ।” বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ “রিপোর্ট কার্ড দিন।”

অন্যদিকে, শান্তনু ঠাকুর প্রশাসনকে আগে থেকেই জানিয়েছিলেন, মন্দিরে পুলিশি ব্যারিকেড বা বাধা চলবে না। প্রশাসনও তা মেনে চলে। অভিষেক পুজো দেওয়ার সময় কোনও গোলমাল হয়নি। কিন্তু সাংবাদিকদের সামনে বিজেপিকে আক্রমণ করতে শুরু করতেই পরিস্থিতি বদলায়। শান্তনু বাড়ি থেকে বেরিয়েই ঘোষণা করেন মন্দির ‘শুদ্ধিকরণ’ হবে। কামনাসাগরের জল দিয়ে সেই শুদ্ধিকরণও হয়।

নাটমন্দিরে শুরু হয় ‘ধিক্কার’ স্লোগান। শান্তনুর বক্তব্য, “মতুয়াদের ধর্মস্থানে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করলে সহ্য করা যায় না। প্রধানমন্ত্রী মতুয়াদের জন্য যত কাজ করেছেন, কেউ করেনি।”

এই উত্তেজনার মাঝেই চোখে পড়ার মতো নীরবতা ছিল গাইঘাটার বিজেপি বিধায়ক সুব্রত ঠাকুরের বাড়িতে। সকাল থেকে ঠাকুরবাড়ি এলাকায় সাজো সাজো রব থাকলেও তাঁর বাড়িতে ছিল সম্পূর্ণ স্থবিরতা। স্থানীয় সূত্রের দাবি সারা দিনই তিনি ঠাকুরনগরে ছিলেন না। ভাই শান্তনু যখন রাজনৈতিক পাল্টা-প্রচারে ব্যস্ত, সুব্রতের এমন দূরত্ব বজায় রাখা বেশ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement